শিরোনাম

  প্রযুক্তি ফাঁদে পড়েছেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক   সেনাক্যাম্প কমান্ডার কর্তৃক জনপ্রতিনিধিদের উপর হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনায় জেএসএসের প্রতিবাদ   বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী   রোনালদোর গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল   ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবিতে নিখোঁজ ১৯২   চালু হলো বাইসাইকেল শেয়ারিং সেবা   আলজি দাধাহ || আলোময় চাকমা   বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি মেসির ভালোবাসা   জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল ত্যাগ যুক্তরাষ্ট্রের   পাহাড় ধস, পাহাড়িরা নয়, দায়ী মূলত সমতল থেকে নিয়ে যাওয়া বাঙালিরা : আবু সাদিক   কবি সুফিয়া কামালের ১০৭তম জন্মবার্ষিকী আজ   মিশরকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল রাশিয়া   পোল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে মাঠে নাচ দেখাল সেনেগাল   জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বরেণ্য শিক্ষাবিদ   এক সপ্তাহে পাহাড়ে ৩ জন আঞ্চলিক নেতাকর্মী খুন   অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০, নিহত ১   কলম্বিয়ার বিপক্ষে জাপানের জয়   চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মডেল তিথি বড়ুয়া নিহত   বাংলাদেশ থেকে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের দেশে ফিরলেন জার্মান তরুণী   খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রধান শিক্ষক দেবদাস চাকমাকে আটক করেছে পুলিশ
প্রচ্ছদ / সোশ্যাল মিডিয়া / দুই আদিবাসী ত্রিপুরা কিশোরী হত্যাকান্ডের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান চাকমা রাণী

দুই আদিবাসী ত্রিপুরা কিশোরী হত্যাকান্ডের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান চাকমা রাণী

প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-২১ ২২:৩৬:৩১

   আপডেট: ২০১৮-০৫-২১ ২২:৪৫:৩৮

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ত্রিপুরা পল্লীতে যে দুই কিশোরীর হত্যাকান্ডের শিকারের ঘটনায় চাকমা রাণী ইয়েন ইয়েন অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

২১ মে সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে তিনি এ দাবি জানান।

স্টাটাসটি ডেইলি সিএইচটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল-

রাঙ্গামাটি থেকে সীতাকুন্ড বেশ দূর। কিন্তু এই ভৌগোলিক দূরত্ব সীতাকুণ্ডে আর রাঙ্গামাটিতে আদিবাসী নারী আর কন্যাশিশুর বিভিন্ন শারীরিক আর যৌন সহিংসতার শিকার হওয়ার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে কোন তারতম্য সৃষ্টি করে না।

সীতাকুণ্ডের সুকলতি আর ছবিরাণী নামের দুই ত্রিপুরা কিশোরীর হত্যার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন অনেকেই, আমিও চাই। আবার অনেকের মতই সংশয় থেকেই যায়। গত দুই দশকে আদিবাসী নারীর প্রতি সহিংসতার কোন ঘটনাতেই ‘দৃষ্টান্ত’ স্থাপন করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। তাই আইনি ব্যবস্থার উপর আস্থা বা আশা রাখা কঠিন বৈকি।

ত্রিপুরা দুই কিশোরীর হত্যাকারী হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে বলে ‘আইন নিজস্ব গতিতে চলবে’ এমন ধারণা নিয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকলে আদতে কিছুই হবে না। এক্ষেত্রে. রাঙ্গামাটির সুজাতা-বিপাশা ধর্ষণ আর খুনের মামলার কথা মনে করিয়ে দিতে চাই। ২০১২ সালের লঙ্গুদুতে এই ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার ধর্ষক-খুনী ইব্রাহীম জেলহাজত থেকে পর্যায়ক্রমে প্রথমে ধর্ষণ মামলায় আর পরবর্তীতে গতবছর খুনের মামলায় জামিন পেয়ে দিব্বি আছে। এই কেইস-এ নিষ্ক্রিয় তো নয়-ই, বছরের পর বছর মানবাধিকার কর্মীরা নিয়মিত ফলো-আপ করা সত্ত্বেও খুনের আসামী জামিন পেয়ে যায়।

ত্রিপুরা কিশোরীদের হত্যা মামলায় (আমি জানি না মামলা হয়েছে কিনা) আইন আর আইনি ব্যবস্থার ফাক ফোঁকর সম্পর্কে অবগত আছেন এমন বিচক্ষণ আর নিবেদিত আইনজীবী নিয়োগ করা প্রয়োজন। আরো প্রয়োজন ব্যয়বহুল আইনি প্রক্রিয়া চালানোর জন্য খরচ। তার চেয়েও বেশি জরুরী কিশোরীদের পরিবারের সদস্যদের সার্বক্ষণিক মনোবল জোগানো, যেন আইনি দীর্ঘসুত্রিতার ভোগান্তিতে তারা একসময় হাল ছেড়ে না দেন। কেউ না কেউ নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছেন। না নিয়ে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে নিবেন নিশ্চয়ই।

তবু শঙ্কা হয়, সুকলতি ছবিরাণী পরিসংখ্যানের দুইটি নম্বর হয়ে কেবল রইবে কিনা।

বিঃ দ্রঃ কয়েকদিনের ব্যবধানে দুই দফায় সাস্পেন্ডেড হয়ে কিছুদিন আগে এফবিতে ঢুকতে পারলাম। কিছু না লিখে সাস্পেন্ডেড হওয়ার চেয়ে লিখে হওয়া ভাল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত