শিরোনাম

  শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !   ভুটানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা   খাগড়াছড়িতে সেটেলার কর্তৃক পাহাড়ী নারীকে ধর্ষণ চেষ্ঠা   গুলো-গুলি || আলোময় চাকমা   বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা   মহালছড়িতে আবার ৩ গ্রামবাসীকে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা   আজ খালেদা জিয়ার জন্মদিন!   বাঙালির শোকের দিন আজ   বঙ্গবন্ধুর শোক দিবসে ২১০টি গরু জবাই দিয়ে কাঙালি ভোজ আয়োজন !   পিসিপি ২৬ তম কাউন্সিল ও ছাত্র সম্মেলন সম্পন্ন , নিপন ত্রিপুরাকে সভাপতি ও অমর শান্তি চাকমাকে সাধারণ সম্পাদক   পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন : অর্থনৈতিক না রাজনৈতিক সমস্যা ?   খাগড়াছড়িতে ৪ গ্রামবাসীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে   শান্তি চুক্তির পর পাহাড়ে যে উন্নয়ন হয়েছে তা টেলিটক থেকে মেসেজ করে আমরা পৌঁছে দেব : তারানা হালিম
প্রচ্ছদ / সোশ্যাল মিডিয়া / দুই আদিবাসী ত্রিপুরা কিশোরী হত্যাকান্ডের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান চাকমা রাণী

দুই আদিবাসী ত্রিপুরা কিশোরী হত্যাকান্ডের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান চাকমা রাণী

প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-২১ ২২:৩৬:৩১

   আপডেট: ২০১৮-০৫-২১ ২২:৪৫:৩৮

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ত্রিপুরা পল্লীতে যে দুই কিশোরীর হত্যাকান্ডের শিকারের ঘটনায় চাকমা রাণী ইয়েন ইয়েন অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

২১ মে সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে তিনি এ দাবি জানান।

স্টাটাসটি ডেইলি সিএইচটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল-

রাঙ্গামাটি থেকে সীতাকুন্ড বেশ দূর। কিন্তু এই ভৌগোলিক দূরত্ব সীতাকুণ্ডে আর রাঙ্গামাটিতে আদিবাসী নারী আর কন্যাশিশুর বিভিন্ন শারীরিক আর যৌন সহিংসতার শিকার হওয়ার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে কোন তারতম্য সৃষ্টি করে না।

সীতাকুণ্ডের সুকলতি আর ছবিরাণী নামের দুই ত্রিপুরা কিশোরীর হত্যার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন অনেকেই, আমিও চাই। আবার অনেকের মতই সংশয় থেকেই যায়। গত দুই দশকে আদিবাসী নারীর প্রতি সহিংসতার কোন ঘটনাতেই ‘দৃষ্টান্ত’ স্থাপন করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। তাই আইনি ব্যবস্থার উপর আস্থা বা আশা রাখা কঠিন বৈকি।

ত্রিপুরা দুই কিশোরীর হত্যাকারী হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে বলে ‘আইন নিজস্ব গতিতে চলবে’ এমন ধারণা নিয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকলে আদতে কিছুই হবে না। এক্ষেত্রে. রাঙ্গামাটির সুজাতা-বিপাশা ধর্ষণ আর খুনের মামলার কথা মনে করিয়ে দিতে চাই। ২০১২ সালের লঙ্গুদুতে এই ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার ধর্ষক-খুনী ইব্রাহীম জেলহাজত থেকে পর্যায়ক্রমে প্রথমে ধর্ষণ মামলায় আর পরবর্তীতে গতবছর খুনের মামলায় জামিন পেয়ে দিব্বি আছে। এই কেইস-এ নিষ্ক্রিয় তো নয়-ই, বছরের পর বছর মানবাধিকার কর্মীরা নিয়মিত ফলো-আপ করা সত্ত্বেও খুনের আসামী জামিন পেয়ে যায়।

ত্রিপুরা কিশোরীদের হত্যা মামলায় (আমি জানি না মামলা হয়েছে কিনা) আইন আর আইনি ব্যবস্থার ফাক ফোঁকর সম্পর্কে অবগত আছেন এমন বিচক্ষণ আর নিবেদিত আইনজীবী নিয়োগ করা প্রয়োজন। আরো প্রয়োজন ব্যয়বহুল আইনি প্রক্রিয়া চালানোর জন্য খরচ। তার চেয়েও বেশি জরুরী কিশোরীদের পরিবারের সদস্যদের সার্বক্ষণিক মনোবল জোগানো, যেন আইনি দীর্ঘসুত্রিতার ভোগান্তিতে তারা একসময় হাল ছেড়ে না দেন। কেউ না কেউ নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছেন। না নিয়ে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে নিবেন নিশ্চয়ই।

তবু শঙ্কা হয়, সুকলতি ছবিরাণী পরিসংখ্যানের দুইটি নম্বর হয়ে কেবল রইবে কিনা।

বিঃ দ্রঃ কয়েকদিনের ব্যবধানে দুই দফায় সাস্পেন্ডেড হয়ে কিছুদিন আগে এফবিতে ঢুকতে পারলাম। কিছু না লিখে সাস্পেন্ডেড হওয়ার চেয়ে লিখে হওয়া ভাল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত