শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / সোশ্যাল মিডিয়া / দুই আদিবাসী ত্রিপুরা কিশোরী হত্যাকান্ডের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান চাকমা রাণী

দুই আদিবাসী ত্রিপুরা কিশোরী হত্যাকান্ডের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান চাকমা রাণী

প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-২১ ২২:৩৬:৩১

   আপডেট: ২০১৮-০৫-২১ ২২:৪৫:৩৮

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ত্রিপুরা পল্লীতে যে দুই কিশোরীর হত্যাকান্ডের শিকারের ঘটনায় চাকমা রাণী ইয়েন ইয়েন অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

২১ মে সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে তিনি এ দাবি জানান।

স্টাটাসটি ডেইলি সিএইচটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল-

রাঙ্গামাটি থেকে সীতাকুন্ড বেশ দূর। কিন্তু এই ভৌগোলিক দূরত্ব সীতাকুণ্ডে আর রাঙ্গামাটিতে আদিবাসী নারী আর কন্যাশিশুর বিভিন্ন শারীরিক আর যৌন সহিংসতার শিকার হওয়ার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে কোন তারতম্য সৃষ্টি করে না।

সীতাকুণ্ডের সুকলতি আর ছবিরাণী নামের দুই ত্রিপুরা কিশোরীর হত্যার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন অনেকেই, আমিও চাই। আবার অনেকের মতই সংশয় থেকেই যায়। গত দুই দশকে আদিবাসী নারীর প্রতি সহিংসতার কোন ঘটনাতেই ‘দৃষ্টান্ত’ স্থাপন করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। তাই আইনি ব্যবস্থার উপর আস্থা বা আশা রাখা কঠিন বৈকি।

ত্রিপুরা দুই কিশোরীর হত্যাকারী হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে বলে ‘আইন নিজস্ব গতিতে চলবে’ এমন ধারণা নিয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকলে আদতে কিছুই হবে না। এক্ষেত্রে. রাঙ্গামাটির সুজাতা-বিপাশা ধর্ষণ আর খুনের মামলার কথা মনে করিয়ে দিতে চাই। ২০১২ সালের লঙ্গুদুতে এই ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার ধর্ষক-খুনী ইব্রাহীম জেলহাজত থেকে পর্যায়ক্রমে প্রথমে ধর্ষণ মামলায় আর পরবর্তীতে গতবছর খুনের মামলায় জামিন পেয়ে দিব্বি আছে। এই কেইস-এ নিষ্ক্রিয় তো নয়-ই, বছরের পর বছর মানবাধিকার কর্মীরা নিয়মিত ফলো-আপ করা সত্ত্বেও খুনের আসামী জামিন পেয়ে যায়।

ত্রিপুরা কিশোরীদের হত্যা মামলায় (আমি জানি না মামলা হয়েছে কিনা) আইন আর আইনি ব্যবস্থার ফাক ফোঁকর সম্পর্কে অবগত আছেন এমন বিচক্ষণ আর নিবেদিত আইনজীবী নিয়োগ করা প্রয়োজন। আরো প্রয়োজন ব্যয়বহুল আইনি প্রক্রিয়া চালানোর জন্য খরচ। তার চেয়েও বেশি জরুরী কিশোরীদের পরিবারের সদস্যদের সার্বক্ষণিক মনোবল জোগানো, যেন আইনি দীর্ঘসুত্রিতার ভোগান্তিতে তারা একসময় হাল ছেড়ে না দেন। কেউ না কেউ নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছেন। না নিয়ে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে নিবেন নিশ্চয়ই।

তবু শঙ্কা হয়, সুকলতি ছবিরাণী পরিসংখ্যানের দুইটি নম্বর হয়ে কেবল রইবে কিনা।

বিঃ দ্রঃ কয়েকদিনের ব্যবধানে দুই দফায় সাস্পেন্ডেড হয়ে কিছুদিন আগে এফবিতে ঢুকতে পারলাম। কিছু না লিখে সাস্পেন্ডেড হওয়ার চেয়ে লিখে হওয়া ভাল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত