শিরোনাম

  টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগের পর চার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন   আগামী ২৪ ডিসেম্বর জেএসসি ও প্রাথমিক সমাপনীর ফল প্রকাশ   নির্বাচনকালীন ইউএনও-ডিসির স্বাক্ষরে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা : শিক্ষা মন্ত্রণালয়   খালেদার মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ   'তিন পার্বত্য জেলায় ৩৮ টি ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে'   সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান ইউরোপীয় দেশগুলোর   তরুণ ও নারী ভোটাররাই আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রধান হাতিয়ারঃ কাদের   গত ৫ বছরে জেএসএস এমপি উন্নয়ন করতে পারেনি, যা করেছে আওয়ামীলীগ করেছে : দিপংকর তালুকদার   এখন থেকে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক   'বান্দরবানে বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই'   'নির্বাচনী প্রচারণায় রঙিন পোস্টার বা ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না'   ৫৮টি নিউজ পোর্টাল খুলে দিয়েছে বিটিআরসি   বুধবার থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী   বিএনপি ক্ষমতায় এলে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন করার চেষ্ঠা করবো: মনি স্বপন দেওয়ান   তিন পাহাড়ে নৌকা নিয়ে মাঠে দৌড়াবেন যারা   আগামীকাল খালেদা জিয়ার অগ্নিপরীক্ষা   হিরোকে জিরো বানানো এত সহজ নয়, সফল হিরো আলমের চ্যালেঞ্জ   খাগড়াছড়িতে বনের রাজা পেয়েছেন ইউপিডিএফের প্রার্থী নতুন কুমার চাকমা   বিশ্বের প্রথম উঁচু ভাস্কর্য 'চীনের স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধ'   আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস || আদিবাসীদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার অাহ্বান
প্রচ্ছদ / সোশ্যাল মিডিয়া / সন্তু বাবু রাঙ্গামাটির ভোটার না, রাঙ্গামাটি থেকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হোক : এমপি চিনু

সন্তু বাবু রাঙ্গামাটির ভোটার না, রাঙ্গামাটি থেকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হোক : এমপি চিনু

প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০৯ ০৯:২৭:৫৮

   আপডেট: ২০১৭-১২-১০ ০০:০৪:২১

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক

সম্প্রতি রাঙ্গামাটিতে হত্যাকান্ড ও হামলার ঘটনায় পাহাড় জুড়ে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মানুষের মুখে এ ঘটনার জন্য নিন্দা জানিয়েছে।

পুলিশ ইতিমধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজন যুবককে ও আটক করেছে। পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কে বা কারা হামলা করেছে তা এখনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায় নি। তবে পুলিশ এ বিষয়ে কড়াকড়ি তদন্ত চালাচ্ছে।

আওয়ালীগের নেতাকর্মীরা এই ঘটনার জন্য পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমাকে দায়ী করেছেন। ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ নিশ্চই সন্তু লারমা এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত।

এদিকে তাদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(জেএসএস)। সিনিয়র কয়েক নেতা জানিয়েছেন, প্রকৃত অপরাধীকে সনাক্ত না করে শুধু শুধু পাহাড়ের মানুষের উপর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা জনমনে আতংক ও বিভ্রান্তি চালাচ্ছে।

তারা আরো জানান, ইতিমধ্যে জনসংহতি সমিতির কতিপয় নেতাকর্মী ও নিরীহ যুবকদের বেআইনিভাবে ধরে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

হামলার অভিযোগে গত দুই - এক দিনে রাঙ্গামাটি সদর ভেদভেদী,আসামবস্তি,রাঙ্গাপানি সহ কয়েকটি এলাকা থেকে নিরীহ যুককদেরও ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট পরিবারবর্গ। তাদের অভিযোগ তাদের ছেলে নির্দোষ। কে বা কোন চক্রান্ত মহল সবকিছুর পিছনে ইন্ধন যোগাচ্ছে তা আগে পুলিশ প্রশাসন সষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আসল অপরাধীদের রহস্য বের করা উচিত। কিন্তু আসল অপরাধীকে ধরতে যেন নিরীহ মানুষদের উপর হয়রানি করা না হয় এমনটাই বলছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে রাঙ্গামাটির কোতয়ালি থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আঃলীগের নেতাকর্মীদের হত্যার পিছনে জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজন পাহাড়ি পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই বিষয়ে আরো তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

এদিকে ফিরোজা বেগম চিনু এমপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এই ঘটনার জন্য হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি ও নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি তাঁর স্টাটাসে লিখেছেন, সন্তুবাবু রাঙ্গামাটির ভোটার না। রাঙ্গামাটি থেকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হোক। প্রশাসন ব্যবস্থা নিন না হলে ভাল হবেনা।

এর আগেও এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, কোথাকার কোন নাগরিক জানিনা। সে নাকি পাহাড়ে অমানবিক হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিবে। তার শিকার আমরা। মেনে নেওয়া যায়?

এ বিষয়ে রাঙ্গামাটি জেলা আঃলীগের কয়েক সিনিয়র নেতা বলেছেন, জেএসএসের অপরাধীদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে তা না হলে কঠোর কর্মসূচি দিবে জেলা আঃলীগ।

এছাড়াও ফিরোজা বেগম চিনু এমপির স্টাটাসের জেরে পাহাড়ি জনগণ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। ফেসবুকে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। জনগণের মিশ্র প্রতিক্রিয়া থেকে জানা যায়- মাননীয় চিনু লিখেছেন সন্তু লারমা রাঙ্গামাটি ভোটার নয় তাই অনেকে বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি।

পাহাড়ি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকি না দিয়ে আসল অপরাধীদের গ্রেফতার করা উচিত। অপরাধী যেই দলের হোক না কেন অপরাধ প্রমাণ হলে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া উচিত। তবুও জনমনে নেতা-নেত্রীদের থেকে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে উচিত নয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এই বিষয়ে কিছু মানুষকে অভিমত দিতে দেখা যায়।

জিকো নামে এক ছাত্র সম্মানীয় এমপি চিনুকে প্রশ্ন করেছিলেন,

রাংগামাটির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ JF Anwar Chinu (ফিরোজা বেগম চিনু) পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সভাপতি সন্তু লারমার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন!! উনি অভিযোগ করেছেন সন্তু লারমা রাংগামাটির ভোটার না।

জবাবে মাননীয়া এমপিকে আমার প্রশ্ন: আপনি কোন জেলার ভোটার? আপনি কি পাহাড়ের স্থায়ী বাসিন্দা? পার্বত্য চট্টগ্রামে কবে এসেছেন?
পার্বত্য চুক্তি অনুযায়ী যদি স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে আপনি পার্বত্য এলাকার ভোটার হতে পারবেন না এবং আপনাকে সমতল এলাকায় সম্মানজনকভাবে পূর্ণবাসন দেওয়া হবে।

জবাবে চিনু এমপি বলেছিলেন, দাদা,আমি রাঙামাইট্যার ভোটার। আমার জন্মের অনেক আগে থেকেই রাঙামাটিতে আমার পরিবার।সুতরাং হানাহানি চাইনা।চাই শান্তি।

আপনি আমার পোষ্টে মন্তব্য করেছেন বলে ধন্য হলাম যাই হোক, শান্তি চান জেনে খুশি হলাম। তবে আপনি যেহেতু একজন সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধি, সেহেতু মন্তব্যর দিক থেকে আরেকটু নিরপেক্ষভাবে মন্তব্য করা উচিত বলে আমি মনে করি।

জিকো উনাকে আবার রিপ্লে দিলেন, কে বা কারা খুন করেছে, প্রতিবাদ তো করতেই হবে এবং একজন মানুষ হিসেবে তা কর্তব্য বটে! কিন্তু আপনি আপনার ফেসবুক তথা জনসমক্কে জনসংহতি সমিতি এবং পিসিপিকে দায়ী করেছেন, যা অত্যান্ত অগ্রহনযোগ্য এবং ভিত্তিহীন! কোনো তথ্য প্রমান ছাড়া আপনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে কারোর দিকে সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলতে পারেন না এবং সেটা আইনগতভাবে অপরাধ।

আপনি সন্তু লারমার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, এবং কোথাকার কোন নাগরিক এসে... ইত্যাদি সস্তা পোষ্ট দেখে বড্ড হাসি পাচ্ছে আমার! সন্তু লারমার প্রতি সে প্রশ্নটা করার আগে নিজেকে "আমি পার্বত্য এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা কিনা..?" প্রশ্ন করেছেন কিনা জানিনা!

আর হ্যাঁ, পিসিপি, জেএসএস সবাই শান্তি চায়, হানাহানি চায় না। আপনি একদিকে শান্তি সম্পৃতির কথা বলেন, অন্যদিকে সন্তু লারমাকে নিয়ে মিথ্যাচার করেন কিভাবে? পার্বত্য চুক্তিকে নিয়ে মিথ্যাচার করেন কিভাবে? নাকি মিথ্যাচার "শান্তি, সম্পৃতির" পর্যায়ে পড়ে?

আর কবে আপনার পরিবার পার্বত্য এলাকায় এসেছে তা আমার অজানা। জানালে খুশি হবো। ধন্যবাদ।

জিকোর জবাবে চিনু এমপি আবার সাড়া দিলেন বললেন, আমি অবশ্যই পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।আমি বললে দোষ দেখেছেন,তাতে আমার কিছু আসে যায়না।তবে সত্যি বলছি,এখনো বলছি তিনি ভোটার নন।আপনি খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।সন্তু বাবু যখন পাহাড়ে আগুন জ্বালানোর কথা বলেন,তখন লীডারের পরিচয় দেননা কেন? চুক্তি করেছিলেন পার্বত্য এলাকার অধিবাসীদের পক্ষে।স্থায়ী বাসিন্দাদের পক্ষে নয়।আওয়ামীলীগ করে বলে তাকে মেরে ফেলতে হবে।কুপিয়ে যখম করতে হবে,এটা কি ঠিক? দল করা যার যার গনতান্ত্রিক অধিকার।আর জে,এস,এস করেছে কিনা,তা জানতে হলে জুম্মাল্যান্ড আইডি তে সার্চ করুন।তাদের কথোপোকথন বলে দেবে।সত্যি বলছি শান্তি চাই।খুন,চাঁদাবাজি,অপহরন গুপ্ত হামলা চাইনা।গনতান্ত্রিক উপায়েআন্দোলন চাই।ধন্যবাদ আপনাকে।সুন্দর যুক্তি উপস্থাপন করার জন্য।

পলাশ চাকমা নামে এক ছাত্র চিনুকে প্রশ্ন করলেন, মাননীয় সাংসদ মহোদয়ার উপর শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই;
চুক্তি অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দাদের ভোটার তালিকা প্রনয়ন করার মাধ্যমে জেলা পরিষদ এবং আঞ্চলিক পরিষদের নির্বাচন হওয়ার কথা,যা এখনো হয় নি এবং কবে হবে সেটা আমরা জানি না। এক্ষেত্রে যতদিন পর্যন্ত স্থায়ী বাসিন্দাদের ভোটার তালিকা প্রনয়ন করা না হয় ততদিন পর্যন্ত ভোটার না হলেও আপত্তির কোন কারণ দেখিনা।আগে স্থায়ী বাসিন্দাদের ভোটার তালিকা প্রনয়ন করা হোক তাহলে...

তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার যে আইন এখানে চালু করা হয়েছে তা প্রশ্নবিদ্ধ।চুক্তি অনুযায়ী একমাত্র চাকমা সার্কেল প্রধান ছাড়া স্থায়ী বাসিন্দা সনদ কেউ দিতে না পারার কথা।কিন্তু এখন মাননীয় ডেপুটি কমিশনার মহোদয় ও স্থায়ী বাসিন্দা সনদ দিতে পারেন।যেটা চুক্তির সাথে সাংঘর্ষিক এবং এটি বিধিসম্মত নয়।
যেহেতু ডেপুটি কমিশনার নিজেই বহিরাগত সেখানে তিনি আবার কোন যুক্তিতে স্থায়ী বাসিন্দা সনদ দেবেন??এই গজামিলের কারন কি এবং এর উত্তর ও আমরা মাননীয় সাংসদদের কাছে চাই!! বৈধ উপায়ে স্থায়ী বাসিন্দা সনদ পত্র প্রদান না করলে আমরাও ভোটার হতে আপত্তি জানাব এবং সেটার যৌক্তিকতা আছে বলে মনে করি।

এই নিয়ে আরো অনেক জনকে মন্তব্য করতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য,গত মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টার দিকে অরবিন্দকে গুলি করে হত্যা এবং রাসেল মার্মার উপর হামলার করেছে দুর্বৃত্তরা। তার একই দিনে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে অনাদী রঞ্জন চাকমা নামে সাবেক এক ইউপি মেম্বারকে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তার দুইদিন পর আবার রাঙ্গামাটি শহরের বিজয় নগরের ভালেদি আদামে সন্ত্রাসী কায়দায় ঝর্ণা খীসা নামে এক মহিলাকে কুপিছে দুর্বৃত্তরা।

এই হামলার দায় কেউ এখনো স্বীকার করেনি। জনসংহতি সমিতি জানিয়েছেন শুধু সন্দেহের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে নিরীহ মানুষদের হয়রানি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা বলেছেন হয়ত হামলার পিছনে সম্পৃক্ত থাকতে পারে।

পুলিশ বলছেন উপযুক্ত প্রমাণ পেলে যে দলের হোক না কেন ব্যবস্থা করা হবে। সংশ্লিষ্টদের দাবি রাজনৈতিক কোন্দলে নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। তবে উপযুক্ত আলামত ও প্রমাণ সাপেক্ষে শাস্তি দেওয়া উচিত আর যদি কোন সম্পৃক্ততার হদিস পাওয়া না যায় তাহলে নিরীহ মানুষদের হয়রানি করার অধিকার কারোর নেই এমনই দাবি।

উক্ত ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শুক্রবার সকালে রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি এলাকা থেকে এক চেয়ারম্যান সহ কয়েক পিসিপি নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

নিচে মাননীয় চিনুর আর পাহাড়ি ছেলেদের কিছু স্ক্রিনশট সংযুক্ত করা হলঃ

-

-

-

-

আপনার মন্তব্য

এ বিভাগের আরো খবর



আলোচিত