শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / নতুন করে রোহিঙ্গা নিধনের জন্য মুসলিম রোহিঙ্গারা দায়ী: কমান্ডার ইন চিফ

নতুন করে রোহিঙ্গা নিধনের জন্য মুসলিম রোহিঙ্গারা দায়ী: কমান্ডার ইন চিফ

প্রকাশিত: ২০১৮-১২-২০ ২০:৩৭:৫৮

অনলাইন ডেস্ক >>

মুসলিম রোহিঙ্গারা চারজন স্থানীয় বৌদ্ধের ওপর হামলা চালানোর ফলে দুই বৌদ্ধ নিহত হওয়ার কারণেই মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে রোহিঙ্গা নিধন শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির কমান্ডার ইন চিফ মিন অং হ্লাইং।

বৃহস্পতিবার মুসলিম রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করে এক বিবৃতি দিয়েছে কমান্ডার ইন চিফ মিন অং এর অফিস।

অফিসের ওয়েব সাইটে পোস্ট করা ওই বিবৃতি বলা হয়, দুজন রাখাইন বৌদ্ধ মাছ ধরতে গিয়ে হত্যার শিকার হওয়ার পর থেকেই এই ধরণের সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ওই দিনেই আরো দুইজন বৌদ্ধ ছয়জন রোহিঙ্গার দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়। তবে ওই পোস্টে এই সব আক্রমণকারীদের বিষয়ে অথরিটি কিছু জানে না বলেও স্বীকার করা হয়।

মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে থেকে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসার পর ১৭ ডিসেম্বরে সন্ধ্যায় মংডু শহরে আবারো এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। গতবছরে এই এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংহিসতার শিকার হয় মুসলিম রোহিঙ্গারা।

২০১৭ সালের আগস্ট চালানো সহিংসতার শিকার হয়ে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এই হত্যাকে ‘গণহত্যা’ বলে স্বীকৃতি দিলেও মিয়ানমার তা মানতে রাজি নয়। মিয়ানমারের দাবি তারা রোহিঙ্গা জঙ্গিগোষ্ঠি যারা পুলিশ পোস্ট এবং পুলিশের ওপর আক্রমণ করেছিলো তাদের প্রতিহত করা হয়েছে।

এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর দেশের সামরিক বাহিনীর হত্যাযজ্ঞকে ‘গণহত্যা’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একদল সিনেটর।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর কাছে চিঠি লিখে সিনেটের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের সিনেটরদের একটি দল বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ আহ্বান জানান।

চিঠিতে সিনেটররা লিখেছেন, ‘আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন যে, পররাষ্ট্র বিভাগের নিজের প্রতিবেদনেই গণহত্যা সংঘটিত হওয়ার স্পষ্ট প্রমাণ থাকার পরও পররাষ্ট্র বিভাগ গণহত্যার অপরাধ ঘটানো হয়েছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করছে না।’

সূত্রঃ চ্যানেল আই অনলাইন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত