শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / আরাকান আর্মির সাথে সংঘর্ষে মিয়ানমারে মেজরসহ ৩ জন সেনা নিহত

আরাকান আর্মির সাথে সংঘর্ষে মিয়ানমারে মেজরসহ ৩ জন সেনা নিহত

প্রকাশিত: ২০১৮-১১-২৪ ০৯:০৬:৪১

   আপডেট: ২০১৮-১১-২৪ ১০:৫২:১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক >>

মিয়ানমারে বিদ্রোহী সংগঠন 'আরাকান আর্মি'র বাহিনীর গুলিতে ৩ জন মিয়ানমার সেনাবাহিনী নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) উত্তর রাখাইন রাজ্যের সরকারী বাহিনী ও বিদ্রোহীদের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে। খবর ইরাবতির।

আরাকান আর্মির এক বিবৃতিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দুপুরে যুদ্ধ শুরু হয়। এসময় সরকারী ৩ সেনা নিহত হয় ও আরাকান দলের সদস্য আহত হয়েছে। মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের কাছে মুখোমুখি হয়ে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়।

বুথাইদুং টাউনশিপের একজন বাসিন্দা বলেছেন, আরাকান আর্মির গুলিতে সেনাবাহিনীর একজন মেজর নিহত হয়েছেন। তাঁর লাশ হেলিকপ্তারের সহযোগে উদ্ধার করে নেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, এসময় আরাকান আর্মির লোক নিহত ও আহত হয়েছে।

কিন্তু আরাকান আর্মির মুখপাত্র তাদের সদস্যের নিহতের কথা অস্বীকার করেন।

আরাকান আর্মি মিয়ানমারের কোনো সরকারি বাহিনী নয়। এটি একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহী সংগঠন। দ্য আরাকান আর্মি, যাদের সংক্ষিপ্ত কোড ‘এএ’। শুধু আরাকান আর্মিই নয়, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে আরো বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত।

২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ২০১২ সালে এক ঘোষণায় আরাকান আর্মি দাবি করে আরাকানে তাদের ৪০০-৫০০ সদস্য রয়েছে।

তাদের দাবি তারা জাতীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে। এছাড়া জাতীয় মর্যাদা ও আরাকান ন্যাশনাল স্বার্থ উন্নয়নের জন্য তারা কাজ করে। এই বাহিনীর প্রধান তুয়ান মার্ট নায়াং।


অন্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে আছে ‘আরাকান লিগ ফর ডেমোক্রেসি। ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি ১৩ জানুয়ারি ২০১৪তে ভেঙ্গে গেলে আগে চেয়ে অনেক দুর্বল হয়ে যায়।

আর ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আরাকান লিবারেশন পার্টি। এটিও আরাকানের স্বাধীনতা এবং জাতীয়তা রক্ষার আন্দোলন করছে। ১৯৭৩ ও ১৯৮১ দলটি পুনগঠন করা হয়। এই দলের সদস্য সংখ্যা ২ হাজারের বেশি। এগুলো ছাড়াও আরাকানের আরো ছোট ছোট অনেক বিদ্রোহী ও বিচ্ছিন্নবাদী গোষ্ঠী সরকারের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত