শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / সশস্ত্র সংঘাত বন্ধ করুন , ঐক্যবদ্ধ হোন : বিদ্রোহীদের প্রতি মিয়ানমার সেনাপ্রধানের আহবান

সশস্ত্র সংঘাত বন্ধ করুন , ঐক্যবদ্ধ হোন : বিদ্রোহীদের প্রতি মিয়ানমার সেনাপ্রধানের আহবান

প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১১ ২২:২১:৩৮

   আপডেট: ২০১৮-০৭-১১ ২২:৪৬:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চির শান্তি সম্মেলন উদ্বোধন করার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ৬ দিনের জন্য জাতিগত বিদ্রোহী নেতা ও প্রতিনিধিদের বিশাল সম্মেলন।

প্যাঙ্গলং ২১ শতক উপলক্ষে ১১ জুলাই বুধবার রাজধানী নেপিডোটে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জাতিগত সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তির ভাবমূর্তি তুলে ধরা।

শুধু তাই নয় জাতিগত সম্প্রদায়ের মধ্যে যে সমস্যা রয়েছে তা প্রতিনিধিদের মাধ্যমে তুলে ধরা।

কয়েক দশকব্যাপী সংঘাত বন্ধের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেশটির সশস্ত্র জাতিগত গ্রুপগুলো মিয়ানমারের সরকার ও সামরিক বাহিনীর সঙ্গে এই শান্তি সম্মেলনে অংশ নিয়েছে।

শান্তি সম্মেলনটির লক্ষ্য হলো সংলাপের মাধ্যমে জাতিগোষ্ঠীগুলোকে ঐক্যবদ্ধ এবং একটি গণতান্ত্রিক ফেডারেল ইউনিয়ন গঠন করা।

ঐতিহাসিক এই পাংলং সম্মেলনে সরকারের মন্ত্রী, পার্লামেন্ট সদস্য, সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা এবং জাতিগত ৭টি সশস্ত্র সংগঠনের প্রতিনিধিদের অংশ নেন। এর মধ্যে রয়েছে- (ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মি), (শান স্টেট আর্মি), (কারেননি জাতীয় প্রগতিশীল পার্টি), (কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি), (মিয়ানমার ডেমোক্রাটিক এলিয়েন্স আর্মি), (থাং অং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি) ও (আরাকান আর্মি)।

মিয়ানমার আর্মি প্রধান মিন অং হ্লাই জাতিগত সম্প্রদায়ের নেতাদের উদ্দেশ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, জনগণের জন্য আমাদের এখনো অনেক কিছু করার আছে। আমরা শুধু মুখে বলবো না, বাস্তবে করতে চায়। এ শান্তি সম্মেলনের উদ্দেশ্য হল দেশের অভ্যন্তরীন সমস্যা সমাধান করা। এজন্য আমরা নেতাদের কিছু বলার সুযোগ করে দিয়েছি। আপনারা সমস্যার কথা তুলে ধরুন। ঐক্যবদ্ধ হোন।

সেনাপ্রধান বলেন, সশস্ত্র সংঘাত দেশের উন্নয়নের বাধা।

তিনি আরো বলেন, আপনারা যদি সত্যিই দেশকে ভালবাসেন তাহলে সশস্ত্র সংঘাত চিরতরে মুছে ফেলুন। ঐক্যবদ্ধ গড়ে তুলুন। আমাদের সহায়তা সবসময় থাকবে।

মিয়ানমারের বিভিন্ন দলের আমন্ত্রিত রাজনীতিবিদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ প্রায় এক হাজার অধিক মানুষ এতে যোগ দিয়েছেন। সম্মেলনে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং মিয়ানমারে থাকা বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের বিকেলে সেনাপ্রধান সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা জাতিগত সম্প্রদায়ের বড় বড় নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

মিয়ানমারে প্রায় সাত দশক ধরে সীমান্ত প্রদেশগুলোতে চলমান জাতিগত সংখ্যালঘু বিদ্রোহ বন্ধে প্রায় ৬ দিনব্যাপী ২১ শতক উপলক্ষে বিশাল শান্তি সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় ৬ দিনব্যাপী এ সম্মেলনের লক্ষ্য জাতিগত সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং সংলাপের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক ফেডারেল ইউনিয়ন গঠন করা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত