শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / দুই আদিবাসী শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী

দুই আদিবাসী শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-২৯ ২১:৩০:১২

   আপডেট: ২০১৮-০৬-২৯ ২১:৫২:০১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মিয়ানমার শান রাজ্যে ধর্ষণের পর দুই জাতিগত আদিবাসী শিক্ষিকাকে খুন করা হয়েছে।

কুটকাই প্রত্যন্ত গ্রামে ২০১৫ সালে ১৯ জানুয়ারী এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দায়ী করা হয়েছে। তবে মিয়ানমার সেনাবাহিনীরা অভিযোগ অস্কীকার করেছে।

আজ ২৯ জুন মিয়ানমার সংবাদ মাধ্যম ইরাবতি এ তথ্য জানিয়েছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং দাবি করেন, তিন বছর আগে যে দুই শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তা কোনভাবে মিয়ানমার সেনাবাহিনী জড়িত নয়।

তবে এঘটনায় মিয়ানমার স্থানীয় জাতিগত বিদ্রোহী সংগঠন (কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি) মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ২৮ জুন রাজধানী নেপিডোটে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধান এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত নয় বলে অভিযোগ অস্কীকার করেছেন।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ে সুষ্ঠ তদন্ত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, কাচিন ব্যাপটিস্ট কনভেনশন (কেবিসি) একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে দুই শিক্ষিকা সহ ২০ জন কাজ করেন। এর মধ্যে মারন লুরা ও থাংবোকন নামে দুই শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়।

এছাড়াও স্থানীয়রা এ ঘটনায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব্যাটালিয়ন ৫০৩ পদাদিক সেনাসদস্য জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনের এক মুখপাত্র বলেন,  হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। তবে আমরা জানি এ ঘটনা কারা ঘটিয়েছিল। কিন্তু তারা বারবার অভিযোগ অস্কীকার করছে।

পুলিশের গঠিত একটি তদন্ত কমিশন এ ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত