শিরোনাম

  ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা   সরকারী চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা না হলেও সমস্যা হবে না   রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু   দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি   দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে   আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলন ২০১৮ উদযাপন   ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’ ২ জঙ্গি নিহত   জুমের বাম্পার ফলনে রাঙ্গামাটির চাষিদের মুখে হাসি   সরকারি চাকরিতে আদিবাসী কোটা বহাল দাবি জানাল আদিবাসীরা   আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশের এক মন্ত্রী দ্বারা হেনস্ত হওয়াতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা   শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে   মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত   শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / দুই আদিবাসী শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী

দুই আদিবাসী শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-২৯ ২১:৩০:১২

   আপডেট: ২০১৮-০৬-২৯ ২১:৫২:০১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মিয়ানমার শান রাজ্যে ধর্ষণের পর দুই জাতিগত আদিবাসী শিক্ষিকাকে খুন করা হয়েছে।

কুটকাই প্রত্যন্ত গ্রামে ২০১৫ সালে ১৯ জানুয়ারী এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দায়ী করা হয়েছে। তবে মিয়ানমার সেনাবাহিনীরা অভিযোগ অস্কীকার করেছে।

আজ ২৯ জুন মিয়ানমার সংবাদ মাধ্যম ইরাবতি এ তথ্য জানিয়েছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং দাবি করেন, তিন বছর আগে যে দুই শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তা কোনভাবে মিয়ানমার সেনাবাহিনী জড়িত নয়।

তবে এঘটনায় মিয়ানমার স্থানীয় জাতিগত বিদ্রোহী সংগঠন (কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি) মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ২৮ জুন রাজধানী নেপিডোটে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধান এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত নয় বলে অভিযোগ অস্কীকার করেছেন।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ে সুষ্ঠ তদন্ত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, কাচিন ব্যাপটিস্ট কনভেনশন (কেবিসি) একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে দুই শিক্ষিকা সহ ২০ জন কাজ করেন। এর মধ্যে মারন লুরা ও থাংবোকন নামে দুই শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়।

এছাড়াও স্থানীয়রা এ ঘটনায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব্যাটালিয়ন ৫০৩ পদাদিক সেনাসদস্য জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনের এক মুখপাত্র বলেন,  হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। তবে আমরা জানি এ ঘটনা কারা ঘটিয়েছিল। কিন্তু তারা বারবার অভিযোগ অস্কীকার করছে।

পুলিশের গঠিত একটি তদন্ত কমিশন এ ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত