শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / মিয়ানমার সেনাবাহিনী আদিবাসী নারীদের ধর্ষণ ও হত্যা করেছে

মিয়ানমার সেনাবাহিনী আদিবাসী নারীদের ধর্ষণ ও হত্যা করেছে

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১২ ২৩:৩১:৩০

   আপডেট: ২০১৮-০৬-১২ ২৩:৪২:০৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ধর্ষণ ও হত্যার সাথে মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীদের বিরুদ্ধে। খবর ইরাবতির।

শনিবার কাচিন স্বাধীনতা বাহিনী (কেআইএ) কাচিন রাজ্যে যুদ্ধের সাত বছর পূর্তি উপলক্ষে আদিবাসীরা এ অভিযোগ করে।

(কেআইএ)এর মুখপাত্র অভিযোগ করে বলেন, ২০১১ সালে সেনা এবং বিদ্রোহীদের সাথে দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধ বিরতি চুক্তির পরও ৩৮৬২ বার সেনারা হামলা করেছে।

২০১৭ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৪৪৭ টি সংঘর্ষ হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে কেআইএ কেবল আত্মরক্ষা ও জনগণের জন্য লড়াই করছে।

বিদ্রোহী দলের কর্নেল নও বু বলেন,২০১১ সাল থেকে বর্তমান সাম্প্রতিকালে শানরাজ্যে সামরিক শাসন বৃদ্ধি পেয়েছে। সেনাবাহিনী নিজেই বলেছে, ২০১৪ সালের শুরু থেকে সেনারা ৪০০ বারের বেশী বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এছাড়াও রাজ্যে বেসামরিক নাগরিক হত্যা, নারী ধর্ষণ করে আসছে।

তিনি আরো বলেন, সেনাদের ল্যান্ডমাইন আঘাতে শিশুসহ ১৩৩৯ জন মানুষ আহত হয়েছে।

তারা ৪০৬ টি গ্রাম ধ্বংস করে ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে। যারমধ্যে অধিকাংশ মানুষ বিভিন্ন স্থানে শরনার্থী শিবিরে এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে।

ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর মধ্যে ২৪ টি বৌদ্ধ মন্দির, ২৫৬ টি বিদ্যালয়, ২৬৪ টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক , ৩১১ টি গীর্জা রয়েছে।

কর্নেল নও বু বলেন- ১২৪ জন নারীকে ধর্ষণ ও ৯০ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

কাচিন স্বাধীনতা বাহিনী (কেআইএ) অভিযোগ করেন, ৩০০ জন নিরীহ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ৭৪ জনকে জেল হাজতে নির্যাতন করা হয়। এছাড়াও বিক্ষোভ সমাবেশে তারা আন্দোলনরত মানুষদের গ্রেফতার ও দোষী সাব্যস্ত করে নির্যাতন করেছে।
২০১১ সালে মিয়ানমার সরকার ও শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠী কাচান ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মির মধ্যে অস্ত্রবিরতি চুক্তি ভেঙ্গে যাবার পর থেকে কাচিন ও শান রাজ্যের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেয়া অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যূত মানুষের সংখ্যা ১ লাখের অধিক অতিক্রম করেছে।

গত ৪-৫ মাসে মিয়ানমারের উত্তর প্রান্তে চীন সীমান্তের কাছে কাচিন রাজ্যে ৪ হাজারের বেশি আদিবাসী লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত