শিরোনাম

  প্রযুক্তি ফাঁদে পড়েছেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক   সেনাক্যাম্প কমান্ডার কর্তৃক জনপ্রতিনিধিদের উপর হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনায় জেএসএসের প্রতিবাদ   বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী   রোনালদোর গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল   ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবিতে নিখোঁজ ১৯২   চালু হলো বাইসাইকেল শেয়ারিং সেবা   আলজি দাধাহ || আলোময় চাকমা   বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি মেসির ভালোবাসা   জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল ত্যাগ যুক্তরাষ্ট্রের   পাহাড় ধস, পাহাড়িরা নয়, দায়ী মূলত সমতল থেকে নিয়ে যাওয়া বাঙালিরা : আবু সাদিক   কবি সুফিয়া কামালের ১০৭তম জন্মবার্ষিকী আজ   মিশরকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল রাশিয়া   পোল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে মাঠে নাচ দেখাল সেনেগাল   জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বরেণ্য শিক্ষাবিদ   এক সপ্তাহে পাহাড়ে ৩ জন আঞ্চলিক নেতাকর্মী খুন   অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০, নিহত ১   কলম্বিয়ার বিপক্ষে জাপানের জয়   চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মডেল তিথি বড়ুয়া নিহত   বাংলাদেশ থেকে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের দেশে ফিরলেন জার্মান তরুণী   খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রধান শিক্ষক দেবদাস চাকমাকে আটক করেছে পুলিশ
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / মিয়ানমার সেনাবাহিনী আদিবাসী নারীদের ধর্ষণ ও হত্যা করেছে

মিয়ানমার সেনাবাহিনী আদিবাসী নারীদের ধর্ষণ ও হত্যা করেছে

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১২ ২৩:৩১:৩০

   আপডেট: ২০১৮-০৬-১২ ২৩:৪২:০৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ধর্ষণ ও হত্যার সাথে মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীদের বিরুদ্ধে। খবর ইরাবতির।

শনিবার কাচিন স্বাধীনতা বাহিনী (কেআইএ) কাচিন রাজ্যে যুদ্ধের সাত বছর পূর্তি উপলক্ষে আদিবাসীরা এ অভিযোগ করে।

(কেআইএ)এর মুখপাত্র অভিযোগ করে বলেন, ২০১১ সালে সেনা এবং বিদ্রোহীদের সাথে দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধ বিরতি চুক্তির পরও ৩৮৬২ বার সেনারা হামলা করেছে।

২০১৭ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৪৪৭ টি সংঘর্ষ হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে কেআইএ কেবল আত্মরক্ষা ও জনগণের জন্য লড়াই করছে।

বিদ্রোহী দলের কর্নেল নও বু বলেন,২০১১ সাল থেকে বর্তমান সাম্প্রতিকালে শানরাজ্যে সামরিক শাসন বৃদ্ধি পেয়েছে। সেনাবাহিনী নিজেই বলেছে, ২০১৪ সালের শুরু থেকে সেনারা ৪০০ বারের বেশী বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এছাড়াও রাজ্যে বেসামরিক নাগরিক হত্যা, নারী ধর্ষণ করে আসছে।

তিনি আরো বলেন, সেনাদের ল্যান্ডমাইন আঘাতে শিশুসহ ১৩৩৯ জন মানুষ আহত হয়েছে।

তারা ৪০৬ টি গ্রাম ধ্বংস করে ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে। যারমধ্যে অধিকাংশ মানুষ বিভিন্ন স্থানে শরনার্থী শিবিরে এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে।

ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর মধ্যে ২৪ টি বৌদ্ধ মন্দির, ২৫৬ টি বিদ্যালয়, ২৬৪ টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক , ৩১১ টি গীর্জা রয়েছে।

কর্নেল নও বু বলেন- ১২৪ জন নারীকে ধর্ষণ ও ৯০ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

কাচিন স্বাধীনতা বাহিনী (কেআইএ) অভিযোগ করেন, ৩০০ জন নিরীহ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ৭৪ জনকে জেল হাজতে নির্যাতন করা হয়। এছাড়াও বিক্ষোভ সমাবেশে তারা আন্দোলনরত মানুষদের গ্রেফতার ও দোষী সাব্যস্ত করে নির্যাতন করেছে।
২০১১ সালে মিয়ানমার সরকার ও শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠী কাচান ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মির মধ্যে অস্ত্রবিরতি চুক্তি ভেঙ্গে যাবার পর থেকে কাচিন ও শান রাজ্যের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেয়া অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যূত মানুষের সংখ্যা ১ লাখের অধিক অতিক্রম করেছে।

গত ৪-৫ মাসে মিয়ানমারের উত্তর প্রান্তে চীন সীমান্তের কাছে কাচিন রাজ্যে ৪ হাজারের বেশি আদিবাসী লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত