শিরোনাম

  প্রযুক্তি ফাঁদে পড়েছেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক   সেনাক্যাম্প কমান্ডার কর্তৃক জনপ্রতিনিধিদের উপর হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনায় জেএসএসের প্রতিবাদ   বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী   রোনালদোর গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল   ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবিতে নিখোঁজ ১৯২   চালু হলো বাইসাইকেল শেয়ারিং সেবা   আলজি দাধাহ || আলোময় চাকমা   বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি মেসির ভালোবাসা   জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল ত্যাগ যুক্তরাষ্ট্রের   পাহাড় ধস, পাহাড়িরা নয়, দায়ী মূলত সমতল থেকে নিয়ে যাওয়া বাঙালিরা : আবু সাদিক   কবি সুফিয়া কামালের ১০৭তম জন্মবার্ষিকী আজ   মিশরকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল রাশিয়া   পোল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে মাঠে নাচ দেখাল সেনেগাল   জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বরেণ্য শিক্ষাবিদ   এক সপ্তাহে পাহাড়ে ৩ জন আঞ্চলিক নেতাকর্মী খুন   অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০, নিহত ১   কলম্বিয়ার বিপক্ষে জাপানের জয়   চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মডেল তিথি বড়ুয়া নিহত   বাংলাদেশ থেকে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের দেশে ফিরলেন জার্মান তরুণী   খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রধান শিক্ষক দেবদাস চাকমাকে আটক করেছে পুলিশ
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / ট্রাম্প-কিমের বৈঠক হবে এই দ্বীপে

ট্রাম্প-কিমের বৈঠক হবে এই দ্বীপে

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-০৭ ১১:০৮:৩১

অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে বহুল প্রত্যাশিত বৈঠকটি সিঙ্গাপুরের সান্তোসা দ্বীপের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউস থেকে এটি নিশ্চিত করা হয়েছে। ঐতিহাসিক এ শীর্ষ বৈঠকটি আগামী ১২জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এ বৈঠকের অনেক বিষয় এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। উত্তর কোরিয়ার নেতা এবং কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টর মধ্যে এটি হবে প্রথম বৈঠক। এই বৈঠক উপলক্ষ্যে স্থল ও জলপথের পাশাপাশি আকাশপথেও থাকবে কড়া নিরাপত্তা।
 
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি সারা স্যান্ডার্স এক টুইটার বার্তায় নিশ্চিত করেছেন যে শীর্ষ বৈঠকটি সিঙ্গাপুরের সান্তোসা দ্বীপের পাঁচ তারকা কাপেল্লা হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে। যে ৬৩টি দ্বীপের সমন্বয়ে সিঙ্গাপুর দেশটি গঠিত হয়েছে সান্তোসা দ্বীপ সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই দ্বীপটি ৫০০ হেক্টর জায়গার উপর গড়ে উঠেছে। মূল ভূখণ্ড থেকে এ দ্বীপটি কাছে। এখানে প্রচুর বিলাসবহুল হোটেল এবং অভিজাত গলফ কোর্স রয়েছে। তবে সান্তোসা দ্বীপের একটি কালো অধ্যায় রয়েছে। দস্যুতা, রক্তপাত এবং যুদ্ধের ইতিহাস রয়েছে এ দ্বীপের।
 
উনিশ শতকে ব্রিটেনের অধীনস্থ একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে সিঙ্গাপুরের আবির্ভাব ঘটে। সান্তোসা দ্বীপটি মৃত্যুর দ্বীপ হিসেবে পরিচিত ছিল। কারণ এ দ্বীপ দস্যুতার জন্য পরিচিত ছিল। ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের আত্মসমর্পণের পর সিঙ্গাপুর জাপানের হাতে চলে যায়। তখন জাপানিরা এ দ্বীপটিকে ‘সায়োনান’ অর্থাৎ ‘দক্ষিণের বাতি’ নামে নতুন নামকরণ করে। সে দ্বীপে নৃ-তাত্ত্বিক চীনা সম্প্রদায়ের বসবাস ছিল। জাপানবিরোধীদের সেখান থেকে সরানোর নামে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী চীনা পুরুষদের বিভিন্ন জায়গায় ডেকে নিয়ে মেশিনগান দিয়ে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে সাগরে ফেলে দেয়া হয়। যেসব জায়গায় হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল তার মধ্যে বর্তমানে কাপেল্লা হোটেলের সামনে সমুদ্র সৈকত অন্যতম।
 
১৯৭০ সালে সিঙ্গাপুর সরকার দ্বীপটির নামকরণ করে সানতোসা, যার অর্থ শান্তি। এরপর দ্বীপটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ দ্বীপে গড়ে উঠেছে অনেক ব্যয়বহুল আবাসন প্রকল্প। এখানে একেকটি বাড়ির দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার। সে সাথে রয়েছে বিলাসবহুল, গলফ কোর্স এবং নানা ধরনের অভিজাত রেস্টুরেন্ট। মূল ভূখণ্ডের কাছ হওয়ায় সানতোসা দ্বীপ বেশ নিরাপদ। এ দ্বীপে যাওয়ার জন্য যেসব প্রবেশ পথ আছে সেগুলোকে খুব সহজেই নিরাপদ রাখা যায়। সেখানে যাওয়ার জন্য একটি ক্যাবল কার লাইন, একটি মনোরেইল লাইন এবং যানবাহন চলাচলের একটি টানেল রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা আলোচনায় যদি কোনো বিরতি নিতে চান, তাহলে সেখানে গলফ কোর্সও রয়েছে। বৈঠকের সময় দ্বীপটিকে ঘিরে থাকবে নিরাপত্তা বাহিনী। আকাশপথে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলেও সীমিত নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত