শিরোনাম

  মিয়ানমার পাহাড়ী অঞ্চলে পাহাড় ধসে ৬ জনের মৃত্যু   বাঙালি জাতির মুক্তির জন্যই আ. লীগ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী   উত্তর কোরিয়ার আচরণে এখনো ভীত ট্রাম্প !   আজ জার্মানির অগ্নি পরীক্ষা, মুখোমুখি হবে সুইডেনের সাথে   সুইজারল্যান্ড জয় পাওয়ায় এক ধাপ এগিয়ে গেল ব্রাজিল   সার্বিয়াকে হারিয়ে সুইজারল্যান্ডের জয়   ত্রিপুরা কিশোরীর ৫ ধর্ষককের মধ্যে ৩ জন স্বীকার করেছে   আইসল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারালো নাইজেরিয়া   আইসল্যান্ডের পরাজয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের পথে আর্জেন্টিনার আশা   ধরা পড়েছেন নেইমার!   রোমারিওকে ছাড়িয়ে গেলেন নেইমার   রাঙ্গামাটি থেকে আসা পাহাড়িকা পরিবহনের বাস চট্টগ্রামে খাদে পড়ে নিহত ৪, আহত ২০   নেইমারের মনের আশা পূরণ হলো   নেইমার আর কৌতিনহোর গোলে ব্রাজিলের বিশাল জয়   খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা কিশোরীর ৫ ধর্ষককে ৫ দিনের রিমান্ড   গৃহযুদ্ধের এত বছর পর দুই কোরিয়ার মিলনমেলা   মেসিরা গোল করতে না পারায় কাঁদলেন ম্যারাডোনা   `উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর নাম আদিবাসী’- এমপি বাদশা   আজ আমরাই জিতবো : নেইমার   ক্রোয়েশিয়ার দুর্দান্ত খেলায় ডুবে গেল আর্জেন্টিনা , ম্যারাডোনা হতাশ
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / রাখাইনে সহিংসতার পর শত শত স্কুল বন্ধ

রাখাইনে সহিংসতার পর শত শত স্কুল বন্ধ

প্রকাশিত: ২০১৮-০১-১৭ ১৪:৪৬:৪৮

   আপডেট: ২০১৮-০১-১৭ ১৬:২৬:৩৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিভিন্ন স্কুলে অধ্যয়নরত ১০০,০০০ অধিক ছাত্র-ছাত্রী এখনো অনুপস্থিত রয়েছেন।

২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে এক জরিপে রাজ্যের শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, ৩০৩ টি স্কুল নতুনভাবে চালু হলেও ১০৫,০০০ শিক্ষার্থী পুনর্সূচনা হতে ব্যর্থ হয়েছে।

পুনরায় চালু করে বর্তমানে রাখাইন মংডুতে ১০৫ টি , 'বাটিদাঙ্গে' ১৮৮ এবং রাদাদংয়ে ১০টি স্কুলে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৫৩ হাজার শিক্ষার্থী ক্লাসে পাঠ গ্রহণ করছে।

স্কুলগুলো পুনরায় চালু হওয়ার কারণ হচ্ছে সেখানে বর্তমানে নিরাপত্তা স্থিতিশীল রয়েছে। গোপনসূত্রে এমনতাই জানতে পেরেছে সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদ মাধ্যম মিয়ানমার টাইমস জানায়, গেল বছর রাখাইনে সন্ত্রাসী হামলা ও সামরিক ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের পর ১৮৪ টি মংডু, ২২২টি স্কুল বাটিদাং এবং রাদাদংয়ে ২০ টি স্কুল বন্ধ হয়।

যেখানে মংডুতে ৮৫,০০০ মধ্যে প্রায় ১৩,০০০ জন, বাটিদাংয়ে ৬৬,০০০ থেকে ৩৫,০০০ এবং রাদাদংয়ে ৮০০০ থেকে ৫০০০ শিক্ষার্থী কমে গিয়েছিল। একটি অফিশিলয়াল সূত্র এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষার্থীরা স্কুলে না আসা পর্যন্ত পুনরায় চালু করিনি। তাছাড়া বাংলা ভাষায় তালিম স্কুলগুলো ও এখনো পর্যন্ত পুনরায় চালু করা হয়নি তারা প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছে।

আরাকানের 'ওয়ান লাক ফাউন্ডেশন' পরিচালক ইউ খিং খং সাং বলেন, কিছু স্কুল এখনো বন্ধ রয়েছে। যারা গ্রামে ফিরে এসেছে তারা নিকটবর্তী বিভিন্ন স্কুলে যাচ্ছে।

চলতি বছরে গত ১০ জানুয়ারী গণ শিক্ষা চেয়ারম্যান এই সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে মংডুতে বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

সমাজ কল্যাণ ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সরকার মংডুতে উদ্বাস্তুদের জন্য পুনরায় নতুন গ্রাম, ঘরবাড়ি সংস্কার, প্রত্যাবাসন ইত্যাদি উদ্যোগ হাতে নিয়েছে।

তারমধ্যে ১৯৯২ ও ১৯৯৩ সালের রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করছে মিয়ানমার সরকার ।এটি নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে অন্তর্বর্তীকালীন প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত ৩০,০০০ জন রোহিঙ্গা সেখানে আশ্রয় পাবে।

এদিকে, ইতিমধ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে ফিজিক্যাল এ্যারেঞ্জমেন্ট চুক্তি চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকে এই রূপরেখার চূড়ান্ত হয়।

এতে বলা হয়, শনাক্তকরণ শেষে ২ বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন এবং প্রতিটি পরিবারকে একটি করে ইউনিট হিসেবে গণ্য করা হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত