শিরোনাম

  ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা   সরকারী চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা না হলেও সমস্যা হবে না   রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু   দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি   দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে   আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলন ২০১৮ উদযাপন   ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’ ২ জঙ্গি নিহত   জুমের বাম্পার ফলনে রাঙ্গামাটির চাষিদের মুখে হাসি   সরকারি চাকরিতে আদিবাসী কোটা বহাল দাবি জানাল আদিবাসীরা   আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশের এক মন্ত্রী দ্বারা হেনস্ত হওয়াতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা   শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে   মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত   শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / জবাইয়ের জন্য পশু বিক্রি নিষিদ্ধ করল ভারত

জবাইয়ের জন্য পশু বিক্রি নিষিদ্ধ করল ভারত

প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-২৬ ২১:৫৫:৪০

অনলাইন ডেস্ক

পশুবাজারে জবাইয়ের জন্য গরু, মহিষ বিক্রিতে বিধিনিষেধ আরোপ করল ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকার। শুধুমাত্র কৃষিকাজের জন্যই পশু কেনা-বেচা করা যাবে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘প্রিভেনশন অফ ক্রয়েলিটি টু অ্যানিমেলস অ্যাক্ট ১৯৬০’-এর আওতায় কৃষিকাজের জন্য পশু বাজারে কেনাবেচা করা যাবে। কিন্তু জবাইয়ের জন্য গবাদি পশু ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না। একইসঙ্গে ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, গরু কেনার ৬ মাসের মধ্যে সেটিকে বিক্রি করা যাবে না। কৃষি কাজে গরুকে লাগানো হবে, এজন্য প্রয়োজনীয় নথি দিতে হবে। তা না হলে তিনি গরু বা মহিষ কিনতে পারবেন না। তবে শুধু গরু বা মহিষই নয়, গরু ও মহিষের বাচ্চা, বয়স্ক পশু, উট জবাইয়ের জন্য বিক্রি করা যাবে না।

লাইসেন্স নিয়ে যারা পশু জবাই করছে সেসব কসাইখানা চালু থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশিকার ফলে দেশ থেকে গোমাংস বিক্রি হয়তো পুরোপুরি নিষিদ্ধ হল না, তবে বাজারে গরু বিক্রির উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানোয় কার্যত গোমাংস বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ গোটা দেশে লাইসেন্সধারী কসাইখানার সংখ্যা কম। একইসঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে ঘাটতি পড়বে, সেই সঙ্গে এই পেশার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও রোজগারে টান পড়বে। বিশেষ করে মাংস ও চামড়া ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মুসলিম ব্যবসায়ীরা চূড়ান্ত কর্ম সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ছোট পশু পালকরাও।

আগামী তিন মাসের মধ্যে এই নির্দেশিকা কার্যকর করতে বলা হয়েছে। পশু বিক্রির আগে ক্রেতা ও বিক্রেতা দুপক্ষকেই কাগজপত্র দেখাতে হবে। দেখাতে হবে কৃষি জমির নথি। গরু কেনার পর স্থানীয় রাজস্ব অফিসে নথি জমা দিতে হবে ক্রেতাকে। পাশাপাশি জেলার পশু চিকিৎসকের কাছেও ওই নথি জমা দিতে হবে।

কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়ম অনুযায়ী পশুর বাজারে পশুদের চিকিৎসা থেকে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ রাখতে হবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার ৫০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে পশুবাজার খোলা যাবে না। আর রাজ্যগুলোর সীমানার ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে খোলা যাবে না পশু বাজার।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত