শিরোনাম

  ২৪ ডিসেম্বর থেকে পার্বত্য এলাকাসহ মাঠপর্যায়ে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে   গ্রাম আদালতের একটি সফল গল্প   টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগের পর চার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন   আগামী ২৪ ডিসেম্বর জেএসসি ও প্রাথমিক সমাপনীর ফল প্রকাশ   নির্বাচনকালীন ইউএনও-ডিসির স্বাক্ষরে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা : শিক্ষা মন্ত্রণালয়   খালেদার মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ   'তিন পার্বত্য জেলায় ৩৮ টি ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে'   সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান ইউরোপীয় দেশগুলোর   তরুণ ও নারী ভোটাররাই আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রধান হাতিয়ারঃ কাদের   গত ৫ বছরে জেএসএস এমপি উন্নয়ন করতে পারেনি, যা করেছে আওয়ামীলীগ করেছে : দিপংকর তালুকদার   এখন থেকে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক   'বান্দরবানে বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই'   'নির্বাচনী প্রচারণায় রঙিন পোস্টার বা ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না'   ৫৮টি নিউজ পোর্টাল খুলে দিয়েছে বিটিআরসি   বুধবার থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী   বিএনপি ক্ষমতায় এলে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন করার চেষ্ঠা করবো: মনি স্বপন দেওয়ান   তিন পাহাড়ে নৌকা নিয়ে মাঠে দৌড়াবেন যারা   আগামীকাল খালেদা জিয়ার অগ্নিপরীক্ষা   হিরোকে জিরো বানানো এত সহজ নয়, সফল হিরো আলমের চ্যালেঞ্জ   খাগড়াছড়িতে বনের রাজা পেয়েছেন ইউপিডিএফের প্রার্থী নতুন কুমার চাকমা
প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / জবাইয়ের জন্য পশু বিক্রি নিষিদ্ধ করল ভারত

জবাইয়ের জন্য পশু বিক্রি নিষিদ্ধ করল ভারত

প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-২৬ ২১:৫৫:৪০

অনলাইন ডেস্ক

পশুবাজারে জবাইয়ের জন্য গরু, মহিষ বিক্রিতে বিধিনিষেধ আরোপ করল ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকার। শুধুমাত্র কৃষিকাজের জন্যই পশু কেনা-বেচা করা যাবে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘প্রিভেনশন অফ ক্রয়েলিটি টু অ্যানিমেলস অ্যাক্ট ১৯৬০’-এর আওতায় কৃষিকাজের জন্য পশু বাজারে কেনাবেচা করা যাবে। কিন্তু জবাইয়ের জন্য গবাদি পশু ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না। একইসঙ্গে ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, গরু কেনার ৬ মাসের মধ্যে সেটিকে বিক্রি করা যাবে না। কৃষি কাজে গরুকে লাগানো হবে, এজন্য প্রয়োজনীয় নথি দিতে হবে। তা না হলে তিনি গরু বা মহিষ কিনতে পারবেন না। তবে শুধু গরু বা মহিষই নয়, গরু ও মহিষের বাচ্চা, বয়স্ক পশু, উট জবাইয়ের জন্য বিক্রি করা যাবে না।

লাইসেন্স নিয়ে যারা পশু জবাই করছে সেসব কসাইখানা চালু থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশিকার ফলে দেশ থেকে গোমাংস বিক্রি হয়তো পুরোপুরি নিষিদ্ধ হল না, তবে বাজারে গরু বিক্রির উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানোয় কার্যত গোমাংস বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ গোটা দেশে লাইসেন্সধারী কসাইখানার সংখ্যা কম। একইসঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে ঘাটতি পড়বে, সেই সঙ্গে এই পেশার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও রোজগারে টান পড়বে। বিশেষ করে মাংস ও চামড়া ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মুসলিম ব্যবসায়ীরা চূড়ান্ত কর্ম সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ছোট পশু পালকরাও।

আগামী তিন মাসের মধ্যে এই নির্দেশিকা কার্যকর করতে বলা হয়েছে। পশু বিক্রির আগে ক্রেতা ও বিক্রেতা দুপক্ষকেই কাগজপত্র দেখাতে হবে। দেখাতে হবে কৃষি জমির নথি। গরু কেনার পর স্থানীয় রাজস্ব অফিসে নথি জমা দিতে হবে ক্রেতাকে। পাশাপাশি জেলার পশু চিকিৎসকের কাছেও ওই নথি জমা দিতে হবে।

কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়ম অনুযায়ী পশুর বাজারে পশুদের চিকিৎসা থেকে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ রাখতে হবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার ৫০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে পশুবাজার খোলা যাবে না। আর রাজ্যগুলোর সীমানার ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে খোলা যাবে না পশু বাজার।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত