শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / সমগ্র দেশ / পাহাড় ধসে রোহিঙ্গা শিবিরে ৫০০ আহত

পাহাড় ধসে রোহিঙ্গা শিবিরে ৫০০ আহত

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১১ ১৮:৩৬:৫০

বিবিসি বাংলা

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিবিরগুলিতে ভূমিধসের যে আশংকা ত্রাণকর্মীরা আগে থেকে করছিলেন, সে আশংকাই সত্যি হয়েছে। গত তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে ভূমিধসে অন্তত পাঁচশো লোক আহত হয়েছে।

শরণার্থীরা যেসব বাড়ি-ঘরে থাকেন, সেরকম অন্তত ছয়শ ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে ভূমিধসে।

স্থানীয় লোকজন বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, অনিয়ন্ত্রিত পাহাড় কাটার কারণে পরিস্থিতি এখন অনেক নাজুক ।

টেকনাফের কুতুপালঙ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক, জি -সেভেন ব্লক, বালুখালী ক্যাম্প, টেংখালি এসব এলাকায় ভুমিধসের ঘটনা ঘটেছে।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে গত দু'দিন ধরে ঝড়ো হাওয়া আর একটানা প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বের জেলা কক্সবাজারে।

এই জেলার টেকনাফে বসবাস করছেন সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙা শরণার্থী।

কুতুপালং ক্যাম্পে থাকা একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী জানান যারা পাহাড়ের উপরে বা নীচে ঘর বেঁধেছিল তারা আহত হয়েছে। যারা পাহাড়ে নীচে বাসা বানিয়েছে তারা এখন বন্যার কবলে পড়েছে।

বর্ষা মৌসুমে কয়েক লক্ষ মানুষ বিপদজনক অবস্থার মধ্যে পরবে এধরণের আশংকা প্রথম থেকেই করা হচ্ছিল। কারণ সেখানে বন কেটে উজাড় করা হয়েছে।

একই সাথে অনেকে বাস করছেন টিলা বা পাহাড়ের উপরে আবার অনেকে বাস করছেন পাহাড়ের নীচে।

অর্থাৎ ভুমিধস এবং বন্যার দুই দুর্যোগে কবলে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে তাদের।

টেকনাফের স্থানীয় সাংবাদিক ওবায়দুল হক চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপদ স্থানের ব্যবস্থা না করার কারণেই ভূমিধসে এমন আহতের ঘটনা ঘটেছে।

টেকনাফের শরানার্থীদের জন্য যে ক্যাম্পগুলো তৈরি করা হয়েছে সেগুলো অস্থায়ী ত্রিপলের ছাউনি এবং বেড়া দিয়ে নির্মিত। রেড ক্রিসেন্ট বলছে এখন সেখানে দুই লক্ষের মত মানুষ ভূমি ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে।

বাংলাদেশের সরকার এর আগে বলেছিল রোহিঙ্গাদের জন্য নোয়াখালীর ভাসানচরে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে তারা।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভাসানচরে সুনির্দিষ্ট মডেলে ঘরবাড়ি এবং সাইক্লোন শেল্টার নির্মান শুরু হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে এক লাখ রোহিঙ্গা ভাসানচরে নেয়ার কথা জানানো হলেও ঠিক কবে নাগাদ সেটি শুরু হবে সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নেয়ার প্রকল্পের কাজ সম্পর্কে কক্সবাজারে শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, "ভাসানচর সম্পর্কে উত্তর দেয়ার পর্যাপ্ত তথ্য আমার হাতে নেই। সেটা এখনো আন্ডারকন্সট্রাকশন। এখন নতুন করে কোন পরিকল্পনা নেই। গত তিন মাস ধরে আমরা বিস্তারিত পরিকল্পনা নিয়েছি এবং সে অনুযায়ী কাজ করছি।"

আপনার মন্তব্য

আলোচিত