শিরোনাম

  নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ   আগামীকাল এইচএসসির ফল প্রকাশ হবে   নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম শতবার্ষিকী আজ   চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসেই মিলবে হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র   উ. কোরিয়াকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদানে অংশ নিতে প্রস্তুত রাশিয়া   রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ নেতা রাহেলকে ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত   এবার খাগড়াছড়িতে সেটেলার কর্তৃক আদিবাসী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ   দেশে ছয় মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৯২: মহিলা পরিষদ   ফ্রান্সে বিশ্বকাপ বিজয় উল্লাস করতে গিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ-লুটপাট, নিহত ২   মিয়ানমারে জাতিগত ৩ গ্রুপের বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ পালিয়েছে   নির্বাচন আসছে, সংখ্যালঘুদের মধ্যে চিন্তা বাড়ছে: জাফর ইকবাল   ডুবুরী সানামের জন্য শোক ও মঙ্গলকামনা করেছেন গুহায় আটকা পড়া কিশোররা
প্রচ্ছদ / সমগ্র দেশ / কক্সবাজারে ২ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

কক্সবাজারে ২ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-৩০ ১১:৫৩:৪৪

অনলাইন ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় মোরা’র আঘাতে কক্সবাজার উপকূলের দুই শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে ও গাছপালা উপড়ে পড়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে সাগর।

ঘূর্ণিঝড় মোরা ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাস নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করে। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূর আহম্মদ বলেন, ভোর ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি সেন্টমার্টিনে আঘাত হানে। এতে এ ইউনিয়নে দেড় শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। আশপাশের অন্তত ৭০ ভাগ কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি। অনেক জায়গায় গাছপালা উপড়ে গেছে। এখানে এখন প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সকাল ৮টা পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাননি বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে, সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হাবিবুর রহমান খান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ভোররাত ৪টার পর থেকে সেন্টমার্টিন লণ্ডভণ্ড হতে শুরু করে। ৬টার দিকে সেন্টমার্টিনের দুই শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। এর মধ্যে বেশি রয়েছে কাঁচা ঘর। আধা পাকা ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশির ভাগ ঘরের চালা উড়ে গেছে। এছাড়া বহু গাছপালা বিধ্বস্ত হয়েছে। যারা আশ্রয়কেন্দ্র, হোটেলসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন, তারা সবাই খুবই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তারা বলছেন, এর আগে তারা কখনো এমন ভয়াবহ ঝড় দেখেননি।

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন এলাকায়ও বেশ কিছু বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, উপড়ে গেছে কিছু গাছপালা। এছাড়া কিছু লোক আহত হয়েছে বলে শুনেছেন সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূর হোসেন। তবে তিনি আহতদের সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জয় জানান, এ জেলায় ৫৩৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুই লাখের অধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তাদের পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন জানায়, উপকূলীয় এলাকার দুই লক্ষাধিক মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। খুলে দেয়া হয়েছে জেলার ৫৩৮টি আশ্রয়কেন্দ্র। গঠন করা হয়েছে ৮৮টি মেডিকেল টিম। প্রস্তুত রাখা হয়েছে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির আওতায় ৪১৪টি ইউনিটের ছয় হাজার স্বেচ্ছাসেবক ও রেড ক্রিসেন্টের ১৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনের নিরাপত্তার পাশাপাশি নেয়া হয়েছে খাদ্য সরবরাহেরও ব্যবস্থা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত