শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি আজ

বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি আজ

প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১৫ ১২:৪৬:০৩

   আপডেট: ২০১৮-০৭-১৫ ১৩:৩৭:৫১

অনলাইন ডেস্ক

আজ ২১তম ফুটবল বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারনী ম্যাচ। ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’র সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে একবারের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ও প্রথমবারের মত ফাইনালে ওঠা ক্রোয়েশিয়া। মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় শুরু হবে ফাইনাল ম্যাচটি।

এক মাসের যুদ্ধ ও ৬৩ ম্যাচে লড়াই শেষে বিশ্বকাপ এখন আকর্ষনের শীর্ষে। ফাইনাল ম্যাচ। এই ম্যাচটির জন্য গেল এক মাস অধীর আগ্রহে ছিলো ফুটবলপ্রেমিরা। আশা ও আশা ভঙ্গের দোলাচলে আজ ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার ফাইনাল দেখবে পুরো বিশ্ব। কারও পছন্দের দল রয়েছে ফাইনালে, কারও নেই। তারপরও তারুণ্য-নির্ভর ফ্রান্স লড়বে প্রথমবারের সত ফাইনালের জগতে প্রবেশ করা ক্রোয়েশিয়ার।

এক মাস আগে স্বাগতিক রাশিয়া-সৌদি আরবের ম্যাচ নিয়ে যতটা উত্তেজনা ছিলো, শেষ মুহূর্তেও সেই একই উত্তেজনা বিরাজ করছে। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি, পর্তুগালের দলপতি ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো ও ব্রাজিলের দলনেতা নেইমার অথবা জার্মানি-স্পেনের মত বাঘা-বাঘা দল না থাকারও পর ফাইনাল নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে।

তাই এখন প্রশ্ন দু’টি, বিশ্বকাপ কি পুরনো স্বাদ পাবে না-কি নতুন কোন দেশকে আলোকিত করে তুলবে। ১৯৯৮ সালে প্রথম ও শেষবারের মত বিশ্বকাপ জয় করে ফ্রান্স। আর এবারই প্রথমবারের মত ফাইনালে উঠলো ৪৪ লাখ লোকসংখ্যার দেশ ক্রোয়েশিয়া।

বয়স বিবেচনায় এবারের আসরে দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ট দল ফ্রান্স। দ্রুতগতির এমবাপ্পে-গ্রিজম্যানের সাথে লড়াই হবে শিরোপা জন্য মরিয়া হয়ে উঠা লুকা মড্রিচ-ইভান রাকিটিচরা। এবারের আসরের সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে ধরা হচ্ছে মড্রিচকে।

তারপরও অনেকের কাছে এটি হতাশার। কারন ঐহিত্যগতভাবে যারা বিশ্বকাপে দাপট দেখিয়ে আসছে অথবা দক্ষিণ আমেরিকার কোন দলের ফাইনালে না থাকায়।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ঘটতে যাচ্ছে, ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’র ফাইনালে নেই ব্রাজিল-জার্মানি-ইতালি ও আর্জেন্টিনা। ২০১০ সালে প্রথমবার এমনটি দেখা গিয়েছিলো। ঐ বার ফাইনাল খেলেছিলো স্পেন-নেদারল্যান্ডস।

তারপরও এবারের আসর ল্যাটিন আমেরিকার সমর্থকদের কাছে বর্ণাঢ্য আয়োজনের জন্য স্মরনীয় হয়ে থাকবে। তবে চূড়ান্ত পর্যায়ে দু’টি ইউরোপিয়ান দলের সেরা শক্তির প্রদর্শন দেখবে ফুটবল বিশ্ব।

এই বিশ্বকাপ জিতে আর্জেন্টিনা-উরুগুয়ের পাশে বসার সুযোগ আছে ফ্রান্সের সামনে। কারণ আর্জেন্টিনা-উরুগুয়ে দু’বার করে বিশ্বকাপ জয় করে। ১৯৯৮ সালে প্রথম ও শেষবার বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পড়েছিলো ফ্রান্স।

১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রান্স দলের অধিনায়ক ছিলেন দিদিয়ের দেশ্যম। এবার দেশ্যম ফরাসিদের কোচ। আর এবার যদি বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে ফ্রান্স, তবে বিশ্বের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে অনন্য এক রেকর্ড গড়বেন দেশ্যম। খেলোয়াড় ও ম্যানেজার হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড গড়বেন তিনি। এর আগে ব্রাজিলের মারিয়ো জাগালো ও জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার এমন কীর্তি গড়েছিলেন।

স্বাভাবিকভাবে বিশ্বকাপের ফাইনালকে স্বপ্নের ম্যাচ বলছেন ফ্রান্সের মিডফিল্ডার ব্লাইস মাতুইদি। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের ফাইনাল, শৈশবের একটি স্বপ্ন সত্য হতে চলেছে। আমরা শিরোপার খুব কাছে, আমরা সেটি স্পর্শ চাই। এটিই আমাদের জীবনের খেলা।’

২০০৬ সালের ফাইনালে ইতালির কাছে ট্রাইব্রেকারে হারের পর শিরোপা জয়ের ক্ষুধা বেড়ে যায় ফ্রান্সের। সেটি আরও বড় আকার ধারন করে ২০১৬ ইউরোর ফাইনাল শেষে। সেখানে পর্তুগালের কাছে ১-০ গোলে হারে ফরাসিরা। ঐ হার থেকেই দল শিক্ষা নেয় বলে জানান মাতুইদি। তিনি বলেন, ‘ঐ হার থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি এবং এর মানে আমরা বুঝতে পারি কিভাবে ফাইনাল খেলতে হয়।’

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোর টিকিট পায় ফ্রান্স। শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টারফাইনাল নিশ্চিত করে ফরাসিরা। এরপর শেষ আটে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারায় তারা। এরপর সেমিফাইনালে বেলজিয়ামকে ১-০ গোলে হারিয়ে তৃতীয়বারের মত ফাইনালে উঠে ফ্রান্স।

ফ্রান্স যতটা না সহজে ফাইনালের টিকিট পায়, তার চেয়ে বেশি ঘাম ঝড়িয়ে ফাইনালে উঠতে হয়েছে ক্রোয়েশিয়াকে। গ্রুপ পর্বের বাঁধা টপকাতে কোন কষ্টই করতে হয়নি তাদের। সেখানে আর্জেন্টিনা, আইসল্যান্ড ও নাইজেরিয়াকে বিধ্বস্ত করে ক্রোয়েশিয়া।

তবে নক-আউট পর্বে ঘাম ঝড়ালেও দুর্দান্ত সব জয়ের স্বাদ নেয় ক্রোয়েশিয়া। শেষ ষোলো, কোয়ার্টারফাইনাল ও সেমিফাইনালে ১২০ মিনিটই লড়াই করতে হয়েছে তাদের। ডেনমার্ক ও রাশিয়ার সাথে টাইব্রেকারে জিতলেও, ইংল্যান্ডকে ১২০ মিনিটের মধ্যে হারিয়ে দেয় মড্রিচ-রাকিটিচরা। তাই নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারেরমত ফাইনালে উঠে ক্রোয়েশিয়া।
দলের কোচ জøাটকা ডেলিচ বলেন, ‘এটি জীবনের সবচেয়ে সেরা সুযোগ।

এটি আমাদের জন্য কঠিন হয়েছে কিন্তু আমি নিশ্চিত, আমরা শক্তি ও প্রেরণা খুঁেজ পাবো। আমরা কঠিন পথে ছিলাম। সম্ভব আমরাই বিশ্বকাপে একমাত্র দল চূড়ান্ত পর্যায়ে আসতে আমাদের আটটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে, যদি সব মিনিট একত্রিত করা হয়।’

ফাইনালে আগে পরিসংখ্যানের আলোকে চলুন দেখে দেওয়া যাক কোন দলের সম্ভাবনা কেমন।

মুখোমুখি লড়াই :
** এই ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার আগে পাঁচবার দেখা হয়েছিল ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার। আগের পাঁচবারের মুখোমুখিতে ফ্রান্স অবশ্য অজেয় রয়েছে। তারা জিতেছে তিনটিতে। দুটিতে ড্র হয়েছে। এর আগে দুইবার তারা বড় টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হয়েছে।

 

** ১৯৯৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দেখা হয়েছিল দল দুটির। সেবার প্রথমে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল ফ্রান্স। ফ্রান্সের হয়ে ১৪১ ম্যাচ খেলে কোনো গোল করতে না পারা লিলিয়ান থুরাম সেদিন তার ক্যারিয়ারের ১৪২তম ম্যাচে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ফাইনালে তুলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত শিরোপাও জিতেছিল ফরাসিরা।

** ২০০৪ ইউরোতে দেখা হয়েছিল ফ্রান্স-ক্রোয়েশিয়ার। সেবার অবশ্য কেউ জেতেনি। ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল গ্রুপপর্বের ম্যাচটি।

** সবশেষ ২০১১ সালে তারা একটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল। সেবার গোলশূন্য ড্র হয়েছিল।

পরিসংখ্যানে ফ্রান্স :

 


** বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফ্রান্স ষষ্ঠ দেশ হিসেবে তিন কিংবা তার বেশিবার ফাইনালে উঠেছে। জার্মানি ৮ বার, ব্রাজিল ও ইতালি ৬ বার, আর্জেন্টিনা ৫ বার ও নেদারল্যান্ডস ৩ বার করে ফাইনালে উঠেছে।

** ইউরো ও বিশ্বকাপ মিলিয়ে এটা হতে যাচ্ছে ফ্রান্সের ষষ্ঠ ফাইনাল। আগের পাঁচ ফাইনালে তারা তিনবার জিতেছে।

** বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের করা চারটি গোলের তিনটিই এসেছে সেট পিচ থেকে। দুটি কর্নার থেকে, একটি পেনাল্টি থেকে।
 
** এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের যে পাঁচজন খেলোয়াড় গোল করেছেন তাদের তিনজনই রক্ষণভাগের খেলোয়াড় ( বেঞ্জামিন পাভার্ড, রাফায়েল ভারানে ও স্যামুয়েল উমতিতি)। এর আগে ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের তিনজন রক্ষণভাগের খেলোয়াড় গোল করেছিল। সেবার শিরোপাও জিতেছিল তারা।

** ফ্রান্স নকআউট পর্বে তাদের সবশেষ ১৪ ম্যাচের মাত্র একটিতে হেরেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে তারা ১-০ গোলে হেরেছিল।

** দিদিয়ের দেশমের সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ রয়েছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি হিসেবে খেলেয়াড় ও কোচ হিসেবে শিরোপা জয়ের সুযোগ রয়েছে তার সামনে। তার আগে ব্রাজিলের মারিও জাগালো ও জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে শিরোপা জিতেছেন। দেশম বিশ্বকাপে তার তত্ত্বাবধানে খেলা ১১ ম্যাচের ৮টিতেই জয় তুলে নিয়েছেন।

** এবারের বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে ফ্রান্স কেবল ১১ মিনিট ১২ সেকেন্ড পিছিয়ে ছিল। বাকিগুলোতে তারা লিড নিয়ে জিতেছে। অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়া নকআউট পর্বের তিন ম্যাচের তিনটিতেই পিছিয়ে পড়ে জিতেছে।

** পেলের রেকর্ড ছোঁয়ার সুযোগ রয়েছে ফ্রান্সের তরুণ তুর্কি কালিয়ান এমবাপের সামনে। পেলের পর দ্বিতীয় কোনো কিশোর ফুটবলার হিসেবে তার সামনে ফাইনালে গোল করার সুযোগ রয়েছে। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে পেলে ফাইনালে করা গোলসহ মোট ৬ গোল করেছিলেন। এমবাপের বর্তমান গোল তিনটি।

** অ্যান্তোনিও গ্রিজমান বিশ্বকাপ ও ইউরোর নকআউট পর্বের ম্যাচে ১১টি গোলের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন (গোল করা ও সহায়তা করা)। যা ফ্রান্সের সবশেষ ৫০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তার আগে জিনেদিন জিদান আটটি ও মিশেল প্লাতিনি ছয়টি গোলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

ক্রোয়েশিয়ার পরিসংখ্যান :

 


** ক্রোয়েশিয়া ১৩তম ভিন্ন দেশ হিসেবে ফাইনালে উঠেছে। এর আগে ফ্রান্স ১৯৯৮ সালে ও স্পেন ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠেছিল। প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা জিতেছিল তারা। এবার ক্রোয়েশিয়ার সামনে রয়েছে সেই সুযোগ।

** বিশ্বকাপের ইতিহাসে ক্রোয়েশিয়া একমাত্র দল যারা নকআউট পর্বের তিন ম্যাচেই পিছিয়ে পড়েও জয় তুলে নিয়েছে এবং ফাইনালে উঠেছে।

** আগের তিন ম্যাচের তিনটিতেই অতিরিক্ত সময়ে খেলেছে ক্রোয়েশিয়া। ফাইনাল ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম কোনো দল হিসেবে টানা চার ম্যাচে অতিরিক্ত সময় খেলার রেকর্ড গড়বে তারা।

** এবারের আসরে ক্রোয়েশিয়ার ভিন্ন আটজন খেলোয়াড় ১২টি গোল করেছেন। তাদের চেয়ে বেশি গোল করেছে বেলজিয়াম, ১৪টি। ৯ জন ভিন্ন খেলোয়াড় বেলজিয়ামের হয়ে ১৪টি গোল করেছেন।

** ক্রোয়েশিয়া বিশ্বকাপের সবশেষ ১০ ম্যাচেই গোল করেছে। ২০০৬ বিশ্বকাপে জাপানের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর থেকে প্রত্যেক ম্যাচেই গোল পেয়েছে তারা।

** ক্রোয়েশিয়া এবারের বিশ্বকাপে পাঁচটি গোল হজম করেছে। তার চারটিই হয়েছে সেট পিচ থেকে। পেনাল্টি, থ্রো-ইন, ইনডিরেক্ট ফ্রি কিক ও ডিরেক্ট ফ্রি কিক থেকে গোল হজম করেছে তারা।

** এবারের বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া সবচেয়ে বেশি ফাউল করেছে (৯৯টি) এবং সবচেয়ে বেশি হলুদ কার্ডও তারা দেখেছে (১৪টি)।

** লুকা মদ্রিচ এবারের বিশ্বকাপে ১৬টি সুযোগ তৈরি করেছেন। যা তার যেকোনো সতীর্থের চেয়ে দ্বিগুণ।

** ইভান পেরিসিচ মেজর টুর্নামেন্টে ক্রোয়েশিয়ার দশ গোলের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। নিজে করেছেন ৬ গোল, আর অ্যাসিস্ট করেছেন আরো ৪টি গোলে।

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফাইনাল

ফ্রান্স-ক্রোয়েশিয়া

সরাসরি, রাত ৯টা, বিটিভি, মাছরাঙা

আপনার মন্তব্য

আলোচিত