শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / রাজনীতি / ক্ষমতায় গেলে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীদের কোটা ফিরিয়ে দেবে বলে ঘোষণা দিল বিএনপি

ক্ষমতায় গেলে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীদের কোটা ফিরিয়ে দেবে বলে ঘোষণা দিল বিএনপি

প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৮ ১৬:৪১:০১

   আপডেট: ২০১৮-১২-১৮ ১৬:৪২:২৩

অনলাইন ডেস্ক >>

ক্ষমতায় যেতে পারলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটা ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। ফিরবে নারী ও প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর(ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী) কোটাও। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নারী ও প্রান্তিক জাতি-গোষ্ঠী কোটা ব্যতিরেকে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হবে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বরের ভোটকে সামনে রেখে গতকাল দেওয়া ইশহেতারে এই কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ইশতেহারে বলা হয়, ‘একটি দক্ষ, স্বচ্ছ, গতিশীল, মেধাবী, জবাবদিহি মূলক যুগোপযোগী ও গণমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তোলা হবে। মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ সংস্কার করা হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নারী ও প্রান্তিক জাতি-গোষ্ঠী কোটা ব্যতিরেকে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হবে। গতিশীল বিশ^ায়নের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সংবিধানের আলোকে একটি যথোপযুক্ত সিভিল সার্ভিস আইন প্রণয়ন করা হবে।’

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে যত ধরনের কোটা ছিল তার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে নানা সময় আন্দোলন হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে ৩০ শতাংশ কোটা ছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর এই কোটার আওতায় মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদেরও আনে।

সে সময় এই কোটা বাতিলের দাবিতে জামায়াত অনুসারীদের আন্দোলন ব্যর্থ হয়। তবে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আবার তারা মাঠে নামে ২০০৮ সালে। সেসব আন্দোলন পাত্তা না পাওয়ার পর চলতি বছরের শুরু থেকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ নামে একটি সংগঠন কোটা সংস্কারের কথা বলে মাঠে নামে।

এই সংগঠনটি সব মিলিয়ে কোটা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানায়। তবে আন্দোলনকারীরা প্রধানত কথা বলতে থাকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে। বিএনপি এই আন্দোলনে সে সময় সমর্থন জানায়।

আর এই আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে সব ধরনের কোটা তুলে দিয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছাড়াও ১০ শতাংশ করে নারী ও জেলা কোটা, পাঁচ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোটা এবং এক শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা ছিল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত