শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / জাতীয় / 'আঃলীগ সংখ্যালঘুদের জন্য যে ইশতেহার ঘোষণা করেছে সেটা পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চায়'

'আঃলীগ সংখ্যালঘুদের জন্য যে ইশতেহার ঘোষণা করেছে সেটা পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চায়'

প্রকাশিত: ২০১৮-১২-২২ ১৪:২২:০৩

   আপডেট: ২০১৮-১২-২২ ১৫:২৯:৪৫

>>

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত ইশতেহারে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বার্থরক্ষার বিষয়গুলো উঠে আসায় দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলেন, “আমরা দেশের প্রধানতম রাজনৈতিক দলগুলোকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ তারা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সমান অধিকার ও মর্যাদার বিষয়গুলোকে তুলে ধরেছে।”

(২১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করতে চাই যে, নতুন সরকার গঠনের পর দলগুলো সংখ্যালঘুদের স্বার্থরক্ষায় যেসব অঙ্গীকার করেছে তা পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করবে।”

এ সময় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, জাতীয় পার্টি এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষায় যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছে, সেগুলো পাঠ করে শোনান রানা দাশগুপ্ত।

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের ব্যাপক প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। যেমন-

আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। এছাড়াও দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী এবং দলিত ও চা-বাগান শ্রমিকের সন্তানদের জন্য ‘বিশেষ ব্যবস্থা’র কথাও বলা হয় ।

অনগ্রসর ও অনুন্নত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, দলিত ও চা-বাগান শ্রমিকের সন্তানদের শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ কোটা এবং সুযোগ সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সম্প্রতি রাজধানীর সোনারগাঁ হোটেলে দলীয় নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

ইশতেহারে বলা হয়, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, জামায়াত ইসলামের ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মের রাজনীতি করা মানুষগুলোর ইচ্ছাকৃত উস্কানিমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশে বসবাসকারী ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলো বারবার আক্রান্ত হয়েছে।

সে কারণেই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করার ঘোষণা প্রদান করা হয়েছে বলে ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়াও সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-জাতিগোষ্ঠীর প্রতি বিদ্যমান বৈষম্যমূলক সকল আইন ও অন্যান্য অন্যায় ব্যবস্থাপনার বন্ধে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়।

শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে কোন ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা অঞ্চলের মানুষ পিছিয়ে থাকবে না বলে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আর সে কারণেই সমৃদ্ধির বাংলাদেশের পথে সকলকে সাথে নিয়ে হাত ধরে এগিয়ে যাবার স্বপ্ন দেখে দলটি। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে অনগ্রসর ও অনুন্নত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, দলিত ও চা-বাগান শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ কোটা এবং সুযোগ সুবিধা অব্যাহত রাখার ব্যবস্থাপনা আওয়ামী লীগ সরকার গ্রহণ করবে।

দীর্ঘদিন ধরে নিজ ভাষায় শিক্ষার দাবি জানিয়ে আসছে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলো। তাদের সেই ইচ্ছা ও চাওয়ার প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে আওয়ামী লীগের এবারের ইশতেহারে। এতে বলা হয়, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের অধিকারের স্বীকৃতি এবং তাদের ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জীবনধারার স্বাতন্ত্র সংরক্ষণ ও তাদের সুষম উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।

এ ছাড়াও এবারের ইশতেহারে অনিষ্পত্তি সংখ্যালঘু হিন্দুদের সম্পত্তি নিয়ে চলা সকল বিবাদ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে অর্পিত সম্পত্তি সংশোধনী আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকৃত স্বত্বাধিকারীদের অধিকার পুনঃ প্রতিষ্ঠা এবং সেই সঙ্গে বিবাদমান জমি নিয়ে চলা অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধ হবে বলে ইশতেহারে বলা হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত