শিরোনাম

  গত ৫ বছরে জেএসএস এমপি উন্নয়ন করতে পারেনি, যা করেছে আওয়ামীলীগ করেছে : দিপংকর তালুকদার   এখন থেকে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক   'বান্দরবানে বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই'   'নির্বাচনী প্রচারণায় রঙিন পোস্টার বা ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না'   ৫৮টি নিউজ পোর্টাল খুলে দিয়েছে বিটিআরসি   বুধবার থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী   বিএনপি ক্ষমতায় এলে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন করার চেষ্ঠা করবো: মনি স্বপন দেওয়ান   তিন পাহাড়ে নৌকা নিয়ে মাঠে দৌড়াবেন যারা   আগামীকাল খালেদা জিয়ার অগ্নিপরীক্ষা   হিরোকে জিরো বানানো এত সহজ নয়, সফল হিরো আলমের চ্যালেঞ্জ   খাগড়াছড়িতে বনের রাজা পেয়েছেন ইউপিডিএফের প্রার্থী নতুন কুমার চাকমা   বিশ্বের প্রথম উঁচু ভাস্কর্য 'চীনের স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধ'   আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস || আদিবাসীদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার অাহ্বান   বনের রাজা সিংহকে নিয়ে রাঙ্গামাটিতে দৌড়াবেন ঊষাতন তালুকদার   আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস   নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য যেসব মার্কা দেওয়া হচ্ছে...   নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় সকল প্রার্থীদের যা যা মেনে চলতে হবে   নির্বাচনে গাড়ি প্রতীক পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমরান এইচ সরকার   দেশে ৫৮টি নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি   পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য শেখ হাসিনাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত
প্রচ্ছদ / জাতীয় / আগামীকাল ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস

আগামীকাল ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস

প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০১ ০৮:৪০:৩৪

   আপডেট: ২০১৮-১২-০১ ১২:৫৩:১৮

>>

আগামীকাল ২ ডিসেম্বর রোববার ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস।পার্বত্য চট্টগ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ও জনসংহতি সমিতি চুক্তি সই করেছিল। এতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং শান্তি বাহিনীর পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু)।

পার্বত্য শান্তি চুক্তির জন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনা ইউনেসকো শান্তি পুরস্কার পান।

অনেকে এই দিবসটি শান্তি চুক্তি হিসেবেও অভিহিত করে।

পার্বত্য চুক্তি করার মূল উদ্দেশ্য ছিল পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনা ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার স্বস্ব মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা তথা জুম্ম জনগণের অস্তিত্ব সংরক্ষণ করা।

দিবসটি তিন পার্বত্য জেলাসহ দেশে সরকারীভাবে পালন করা হয়ে থাকে। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে রয়েছে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজন।

২০১৭ সালে ২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি উপলক্ষ্যে দেওয়া তাঁর বাণীতে বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সর্বত্র শান্তি বজায় রাখতে তার সরকার বদ্ধপরিকর। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জাতিগত হানাহানি বন্ধ হয়। অনগ্রসর ও অনুন্নত পার্বত্য অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা।

শেখ হাসিনা বলেছেন , “চুক্তির ৭২টি শর্তের মধ্যে ৪৮টি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে। ১৫টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে এবং বাকি নয়টিও বাস্তবায়ন হবে।

এদিকে, সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) ২০১৮ সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) বলেছেন, পার্বত্য চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে বলে সরকার দেশে বিদেশে অপপ্রচার চালিয়েছে।

সরকার বলছে চুক্তির ৭২টি শর্তের মধ্যে ৪৮টি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে। অথচ ৭২টি ধারার মধ্যে মাত্র ২৫টি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে।যেখানে মৌলিক বিষয়সমূহের দুই তৃতীয়াংশ ধারা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। সরকার এসব উদ্যোগ গ্রহণ না করে দেশে বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সরকার শুধু আদিবাসীদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসলে অমীমাংসিত থাকা উদ্যোগগুলোকে বাস্তবায়নের জন্য তোয়াক্কা করা হয়না।এ কারণে জুম্মরা তথা বিভিন্ন জাতিসত্তার সম্প্রদায়ের মানুষেরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত