শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / জাতীয় / আগামীকাল ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস

আগামীকাল ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস

প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০১ ০৮:৪০:৩৪

   আপডেট: ২০১৮-১২-০১ ১২:৫৩:১৮

>>

আগামীকাল ২ ডিসেম্বর রোববার ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস।পার্বত্য চট্টগ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ও জনসংহতি সমিতি চুক্তি সই করেছিল। এতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং শান্তি বাহিনীর পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু)।

পার্বত্য শান্তি চুক্তির জন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনা ইউনেসকো শান্তি পুরস্কার পান।

অনেকে এই দিবসটি শান্তি চুক্তি হিসেবেও অভিহিত করে।

পার্বত্য চুক্তি করার মূল উদ্দেশ্য ছিল পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনা ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার স্বস্ব মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা তথা জুম্ম জনগণের অস্তিত্ব সংরক্ষণ করা।

দিবসটি তিন পার্বত্য জেলাসহ দেশে সরকারীভাবে পালন করা হয়ে থাকে। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে রয়েছে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজন।

২০১৭ সালে ২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি উপলক্ষ্যে দেওয়া তাঁর বাণীতে বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সর্বত্র শান্তি বজায় রাখতে তার সরকার বদ্ধপরিকর। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জাতিগত হানাহানি বন্ধ হয়। অনগ্রসর ও অনুন্নত পার্বত্য অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা।

শেখ হাসিনা বলেছেন , “চুক্তির ৭২টি শর্তের মধ্যে ৪৮টি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে। ১৫টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে এবং বাকি নয়টিও বাস্তবায়ন হবে।

এদিকে, সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) ২০১৮ সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) বলেছেন, পার্বত্য চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে বলে সরকার দেশে বিদেশে অপপ্রচার চালিয়েছে।

সরকার বলছে চুক্তির ৭২টি শর্তের মধ্যে ৪৮টি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে। অথচ ৭২টি ধারার মধ্যে মাত্র ২৫টি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে।যেখানে মৌলিক বিষয়সমূহের দুই তৃতীয়াংশ ধারা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। সরকার এসব উদ্যোগ গ্রহণ না করে দেশে বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সরকার শুধু আদিবাসীদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসলে অমীমাংসিত থাকা উদ্যোগগুলোকে বাস্তবায়নের জন্য তোয়াক্কা করা হয়না।এ কারণে জুম্মরা তথা বিভিন্ন জাতিসত্তার সম্প্রদায়ের মানুষেরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত