শিরোনাম

  ২৪ ডিসেম্বর থেকে পার্বত্য এলাকাসহ মাঠপর্যায়ে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে   গ্রাম আদালতের একটি সফল গল্প   টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগের পর চার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন   আগামী ২৪ ডিসেম্বর জেএসসি ও প্রাথমিক সমাপনীর ফল প্রকাশ   নির্বাচনকালীন ইউএনও-ডিসির স্বাক্ষরে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা : শিক্ষা মন্ত্রণালয়   খালেদার মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ   'তিন পার্বত্য জেলায় ৩৮ টি ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে'   সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান ইউরোপীয় দেশগুলোর   তরুণ ও নারী ভোটাররাই আওয়ামী লীগের বিজয়ের প্রধান হাতিয়ারঃ কাদের   গত ৫ বছরে জেএসএস এমপি উন্নয়ন করতে পারেনি, যা করেছে আওয়ামীলীগ করেছে : দিপংকর তালুকদার   এখন থেকে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক   'বান্দরবানে বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই'   'নির্বাচনী প্রচারণায় রঙিন পোস্টার বা ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না'   ৫৮টি নিউজ পোর্টাল খুলে দিয়েছে বিটিআরসি   বুধবার থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী   বিএনপি ক্ষমতায় এলে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন করার চেষ্ঠা করবো: মনি স্বপন দেওয়ান   তিন পাহাড়ে নৌকা নিয়ে মাঠে দৌড়াবেন যারা   আগামীকাল খালেদা জিয়ার অগ্নিপরীক্ষা   হিরোকে জিরো বানানো এত সহজ নয়, সফল হিরো আলমের চ্যালেঞ্জ   খাগড়াছড়িতে বনের রাজা পেয়েছেন ইউপিডিএফের প্রার্থী নতুন কুমার চাকমা
প্রচ্ছদ / জাতীয় / ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-১৭ ১৭:২৬:১৩

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।  

তিনি জানান, নতুন আইনে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রাখা হয়েছে। আগে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য ছিলেন একজন চেয়ারম্যানসহ মোট ৫ জন, তখন কোরাম হতো ৩ জনে। এখন সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৯ জন, এখন কোরাম হবে ৫ জনে।

একজন চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি ৮ জন সদস্য ৮টি বিষয় দেখবেন। তারা যে বিষয়গুলো দেখবেন সেগুলো হলো- পাঠ্যপুস্তক, প্রাথমিক পাঠ্যক্রম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম, মাদ্রাসা পাঠ্যক্রম,কারিগরি পাঠ্যক্রম, প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রম, গবেষণা ও পরিবীক্ষণ মূল্যায়ন পাঠ্যক্রম এবং অর্থ।

এছাড়াও আগে কোনও বিধান না থাকলেও এখন থেকে এই আইনে ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, বোর্ড প্রতিবছর ৩১ মার্চের মধ্যে একটি রিপোর্ট দেবে।  

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘এটি ১৯৯৩ সালের অর্ডিন্যান্স। আগে ইংরেজিতে ছিল। এখন বাংলায় রূপান্তর করে নতুন আইন করা হয়েছে। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত হবে।’

-বাংলা ট্রিবিউন

আপনার মন্তব্য

আলোচিত