শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / জাতীয় / ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

প্রকাশিত: ২০১৮-০৯-১৭ ১৭:২৬:১৩

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।  

তিনি জানান, নতুন আইনে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রাখা হয়েছে। আগে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য ছিলেন একজন চেয়ারম্যানসহ মোট ৫ জন, তখন কোরাম হতো ৩ জনে। এখন সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৯ জন, এখন কোরাম হবে ৫ জনে।

একজন চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি ৮ জন সদস্য ৮টি বিষয় দেখবেন। তারা যে বিষয়গুলো দেখবেন সেগুলো হলো- পাঠ্যপুস্তক, প্রাথমিক পাঠ্যক্রম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পাঠ্যক্রম, মাদ্রাসা পাঠ্যক্রম,কারিগরি পাঠ্যক্রম, প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রম, গবেষণা ও পরিবীক্ষণ মূল্যায়ন পাঠ্যক্রম এবং অর্থ।

এছাড়াও আগে কোনও বিধান না থাকলেও এখন থেকে এই আইনে ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, বোর্ড প্রতিবছর ৩১ মার্চের মধ্যে একটি রিপোর্ট দেবে।  

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘এটি ১৯৯৩ সালের অর্ডিন্যান্স। আগে ইংরেজিতে ছিল। এখন বাংলায় রূপান্তর করে নতুন আইন করা হয়েছে। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত হবে।’

-বাংলা ট্রিবিউন

আপনার মন্তব্য

আলোচিত