শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / জাতীয় / সড়ক দুর্ঘটনা আইন অনুমোদন : সর্বোচ্চ ৫ বছর সাজা , জরিমানা ৫ লাখ টাকা

সড়ক দুর্ঘটনা আইন অনুমোদন : সর্বোচ্চ ৫ বছর সাজা , জরিমানা ৫ লাখ টাকা

প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-০৬ ১৩:৫৯:১৩

অনলাইন ডেস্ক

সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজা ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। তবে দুর্ঘটনার ধরন বুঝে পেনাল কোডের ৩০১ ও ৩০২ ধারা প্রয়োগের বিধানও রাখা হয়েছে।

সোমবার (৬ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।

আইনের ধারা ৬ এ বলা হয়েছে, ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য বয়স হতে হবে ১৮ বছর। পেশাদার হলে বয়স হতে হবে ২১ বছর। এছাড়া লাইসেন্সধারী হতে চাইলে ন্যূনতম যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণী বা সমমানের যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে।

আইনের ১১ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে একজন চালকের লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট থাকবে। একেবার অপরাধ করলে একটি করে পয়েন্ট কাটা যাবে। পয়েন্ট শূন্য হলে তার লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।

১২ ধারায় বলা আছে, লাইসেন্সধারী কোনো ব্যক্তি শারীরিকভঅবে অক্ষম, অপ্রকৃতিস্থ, মদ্যপ হলে তার লাইসেন্স প্রত্যাহার-স্থগিত করা যাবে।

নতুন আইনে যানবাহনের চালক, হেলপারসহ পরিবহন সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করা হবে। এটি গেজেট বা প্রজ্ঞাপনে নেই। শ্রম আইন ২০০৬ এর সঙ্গে মিল করে কর্মঘণ্টা সরকার ঠিক করবে।

আইনের নতুন ধারায় মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সংখ্যা, সীমানা নির্ধারণ, মোটরযানের ইকোনোমিক লাইফ, গতিসীমা, শব্দমাত্রা নিয়ন্ত্রণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সহায়তা তহবিলের বিষয়টি আইনে যোগ করা হয়েছে।

১৯৮৩ সালের মোটরযান অধ্যাদেশ সংশোধন, পরিমার্জন ও সংশোধন করে একটি আইন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ২০১৩ সালে। এরপর গত বছরের ২৭ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু পর্যবেক্ষণসহ আইনটি নীতিগত অনুমোদন পায়। আইনে মন্ত্রণালয়ে সড়ক পরিবহন আইনটি মতামতের জন্য পাঠালে তারা অপরাধ ও দণ্ডের বিধান পর্যালোচনা করে খসড়া আইনটি সংযোজন ও পরিমার্জনের জন্য লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগের সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করে।

ওই কমিটির প্রতিবেদন হুবহু রেখে সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত