শিরোনাম

  ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা   সরকারী চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা না হলেও সমস্যা হবে না   রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু   দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি   দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে   আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলন ২০১৮ উদযাপন   ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’ ২ জঙ্গি নিহত   জুমের বাম্পার ফলনে রাঙ্গামাটির চাষিদের মুখে হাসি   সরকারি চাকরিতে আদিবাসী কোটা বহাল দাবি জানাল আদিবাসীরা   আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশের এক মন্ত্রী দ্বারা হেনস্ত হওয়াতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা   শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে   মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত   শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !
প্রচ্ছদ / জাতীয় / পাহাড়ে জুম চাষ করার ফলে মাটি নরম হয়ে পাহাড় ধস হচ্ছে : পরিবেশমন্ত্রী

পাহাড়ে জুম চাষ করার ফলে মাটি নরম হয়ে পাহাড় ধস হচ্ছে : পরিবেশমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-২৫ ১১:৩৯:৫০

   আপডেট: ২০১৮-০৭-২৫ ১২:৪৫:৫০

অনলাইন ডেস্ক

পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, কেউ বন সাফ করে জুম চাষ করছে, কেউ বন কেটে উজাড় করে ফেলছে, বনখেকোরা মাটি ও গাছ কাটছে এতে মাটি নরম হয়ে পাহাড় ধসে পড়েছে। তিনি বলেন, পাহাড়ের ওপরে মাটি আঁকড়ে রাখার গাছের শিকড় না থাকায় মাটি নরম হয়ে তা ধসে পড়ছে।

বৃষ্টির মৌসুমে পাহাড় ধস হবেই, তবে আমাদের সাবধান থাকতে হবে। পাহাড় ধস রোধে গাছ লাগানো এবং বনের জমি ইজারা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বন ও নদী দখল এবং দূষণ রোধের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। কক্সবাজারের রোহিঙ্গারা ৫ হাজার একর জমির গাছগাছালি উজাড় করে ফেলেছে। যেহেতু মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে সেহেতু এই ক্ষতি আমাদের মানতেই হবে।’

পরিবেশমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বেশিরভাগ গাছ রোহিঙ্গারা ব্যবহার করেছে জ্বালানির কাজে। রোহিঙ্গাদের জ্বালানির কাজে ব্যবহারের জন্য আমরা গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম, কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে  এই চিন্তা থেকে আপাতত তা বাদ দিয়ে কয়লা দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।’

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘জমি, পাহাড় ও বন দখল একটি নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে, অপরদিক থেকে আবার তারা দখল করছে। এজন্য আলাদা একটি চক্রই রয়েছে।  আশা করছি এভাবে উচ্ছেদ করতে করতে একসময় সচেতনতা বাড়বে এবং এসব দখল কালচার বন্ধ হবে।’

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আরো বলেছেন, পাহাড় কাটা, বনের জমি লিজ নেয়া, বনভূমির অবৈধ দখল, নদী দখল, নদী দূষণ নিয়ে ডিসিদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তারা কীভাবে এগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ডিসিরা কোনো সমস্যার কথা বলেছেন কিনা? - জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বলেছেন, যেমন কক্সবাজারের কথা বলেছেন, যেখানে বনের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। বনের প্রায় ৫ হাজার একরের মতো জমির ক্ষতি হয়েছে। সেটা আবার পুনরায় বনায়ন করার ব্যাপারে আমরা কী পদক্ষেপ নিচ্ছি, সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে।’

বুধবার (২৪ জুলাই) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভার সভাকক্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।  এতে সভাপতিত্ব করেছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শফিউল আলম।

আপনার মন্তব্য

এ বিভাগের আরো খবর



আলোচিত