শিরোনাম

  ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা   সরকারী চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা না হলেও সমস্যা হবে না   রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু   দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি   দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে   আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলন ২০১৮ উদযাপন   ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’ ২ জঙ্গি নিহত   জুমের বাম্পার ফলনে রাঙ্গামাটির চাষিদের মুখে হাসি   সরকারি চাকরিতে আদিবাসী কোটা বহাল দাবি জানাল আদিবাসীরা   আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশের এক মন্ত্রী দ্বারা হেনস্ত হওয়াতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা   শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে   মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত   শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !
প্রচ্ছদ / জাতীয় / রাখাইনে এখনো নৃশংসতা চলছে: লি

রাখাইনে এখনো নৃশংসতা চলছে: লি

প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-০৯ ১২:৩৪:৫৭

নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াংহি লি বলেছেন, মিয়ানমার সরকার রাখাইন রাজ্যে এখনো অত্যাচার-নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমার যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু দেশটির সরকার অনুমতি দেয়নি।

এছাড়া এখনো সেখানে নৃশংসতা চলায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের আলোচনা ‘একেবারেই সময়োচিত’ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পরিদর্শন শেষে রবিবার রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে ইয়াংহি লি এসব কথা বলেন।

লি বলেন, বর্তমানে রোহিঙ্গাদের জন্য তিনটি বিষয় জরুরি। এগুলো হল- প্রাথমিক শিক্ষা, জীবিকা নির্বাহের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে দেশে ফেরত পাঠানো।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক জাতিসংঘের সংস্থাগুলো গোপন করছে বলে জাতিসংঘের এই বিশেষ দূত অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, সমঝোতা স্মারক সইয়ের খবর পেয়ে তার একটি অনুলিপি চেয়ে তিনি জেনেভায় মিয়ানমারের স্থায়ী মিশনের মাধ্যমে দেশটির সরকারকে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তারা তা দেয়নি।

বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরিতে সহায়তার লক্ষ্যে গত মাসে দেশটির সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থা-ইউএনডিপি ও শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর।

এ বিষয়ে লি বলেন, তারা আমাকে কোনো অনুলিপি দেয়নি। বদলে একটি জাতিসংঘ সংস্থার তৈরি করা সারমর্ম তারা আমাকে দিয়েছে। গত তিন সপ্তাহ ধরে আমি ব্যক্তিগতভাবে জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছি। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েও সমঝোতা স্মারকের অনুলিপি আমাকে দেননি।

লি গত এক সপ্তাহব্যাপী বাংলাদেশে সফরে আছেন। এ সময়ে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনসহ বাংলাদেশের সরকারের বিভিন্ন প্রতিনিধি, দাতা সংস্থা এবং এনজিওদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। রোহিঙ্গাদের শরণার্থীর স্বীকৃতি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ইয়াংহি লি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিয়ে গঠিত জেআরপি থেকে মাত্র ২৬ শতাংশ তহবিল এসেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মনে রাখা উচিত, কক্সবাজারের স্থানীয়রা তাদের সীমিত সম্পদ রোহিঙ্গাদের সঙ্গে শেয়ার করছেন। তাই দাতাদের দ্রুত অর্থ ছাড় দেয়া উচিত।

তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকার শুরু থেকে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করে আসছে। এখনও সেটি অব্যাহত রেখেছে। এক্ষেত্রে তারা মানবাধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সব ধরনের আইন লঙ্ঘন করে আসছে। সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে এসেছে এমন কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা বলেছি।

লি বলেন, তারা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের গ্রামে ঢুকে তাদের ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড গ্রহণ করতে বলে, অন্যথায় দেশ থেকে চলে যেতে হবে বলে জানায়।

তিনি বলেন, আমি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট আগামী অক্টোবরে জাতিসংঘে জমা দেব। মিয়ানমারের পরিস্থিতিও দেখতে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মিয়ানমার সরকার অনুমতি দেয়নি। গত বছর অগাস্টে রাখাইনে সহিংসতা শুরুর পর মিয়ানমারে লির প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় দেশটির সরকার। ভারতে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখতেও তিনি ভারত যেতে চেয়েছিলেন। ভারতও কোনো সাড়া দেয়নি।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসান চরে আবাসস্থল নির্মাণ করেছে। তিনি সেখানে যাওয়ার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করলেও বর্ষার কারণে সরকার সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি।

আপনার মন্তব্য

এ বিভাগের আরো খবর



আলোচিত