শিরোনাম

  শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !   ভুটানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা   খাগড়াছড়িতে সেটেলার কর্তৃক পাহাড়ী নারীকে ধর্ষণ চেষ্ঠা   গুলো-গুলি || আলোময় চাকমা   বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা   মহালছড়িতে আবার ৩ গ্রামবাসীকে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা   আজ খালেদা জিয়ার জন্মদিন!   বাঙালির শোকের দিন আজ   বঙ্গবন্ধুর শোক দিবসে ২১০টি গরু জবাই দিয়ে কাঙালি ভোজ আয়োজন !   পিসিপি ২৬ তম কাউন্সিল ও ছাত্র সম্মেলন সম্পন্ন , নিপন ত্রিপুরাকে সভাপতি ও অমর শান্তি চাকমাকে সাধারণ সম্পাদক   পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন : অর্থনৈতিক না রাজনৈতিক সমস্যা ?   খাগড়াছড়িতে ৪ গ্রামবাসীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে   শান্তি চুক্তির পর পাহাড়ে যে উন্নয়ন হয়েছে তা টেলিটক থেকে মেসেজ করে আমরা পৌঁছে দেব : তারানা হালিম
প্রচ্ছদ / জাতীয় / পাহাড়ে সেটেলারদের বসতি ও ‘পাহাড়খেকোদের’ কারণেই পাহাড় ধস আর মৃত্যুর মিছিল

পাহাড়ে সেটেলারদের বসতি ও ‘পাহাড়খেকোদের’ কারণেই পাহাড় ধস আর মৃত্যুর মিছিল

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১২ ১৩:০১:৩০

   আপডেট: ২০১৮-০৬-১২ ১৩:০২:০৭

ডয়চে ভেলে

পার্বত্য এলাকায় পাহাড় ধসের জন্য দায়ী পাহাড় কাটা, বনভূমি উজাড় করা আর পাহাড়িদের মধ্যে ‘সেটেলার’দের ঢুকিয়ে দেয়া৷ প্রভাবশালীরা বছরের পর বছর এই অবৈধ কাজ করে শত শত মানুষের মুত্যু ডেকে আনছে৷ তাদের সহায়তায় রয়েছে প্রশাসন৷

টানা বর্ষণে গত বছর পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে পাহাড় ধসে কমপক্ষে ১৫০ জন নিহত হয়েছেন৷ এর মধ্যে রাঙামাটিতে সেনা কর্মকর্তাসহ ১২০জন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাহাড় ধসে গত ১০ বছরে ৬ সেনা সদস্যসহ ৩ শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন৷ পাহাড় ধসের এই ঘটনা ঘটতে শুরু করে ২০০০ সালের পর ধেকে৷ পাহাড় ধসের সবচেয়ে বড় ঘটনাটি প্রথম ঘটে ২০০৭ সালের ১১ জুন৷ টানা বর্ষণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের হাটহাজারী, পাহাড়তলি, বায়েজিদ বোস্তামি, খুলশী এলাকায় পাহাড় ধসে ১২৭ জন নিহত এবং দুই শতাধিক মানুষ আহত হন৷ পরের বছর, অর্থাৎ ২০০৮ সালে বান্দরবান শহরের বালুচরা এলাকায় পাহাড় ধসে ১৩০ জনের প্রাণহানি ঘটে৷

২০০৭ সালের পাহাড় ধসে শতাধিক মানুষের মুত্যুর ঘটনার পর তখনকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার পাহাড় ধসের কারণ ও প্রতিকার জানতে ১১ সদস্যের একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করে৷ সেই কমিটি প্রতিবেদন দিলেও কমিটির সুপারিশ কাজে লাগানো হয়নি৷ কমিটির অন্যতম সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমরা দেখেছি, পাহাড় ধসের কারণ প্রাকৃতিকের চেয়ে মানুষেরই সৃষ্টি বেশি৷ পাহাড় কেটে ফেলা, গাছপালা কেটে ফেলা, পাহাড় লিজ দেয়া, পাহাড়ে সেটেলারদের বসতি, পাহাড়কে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবাহার করা অন্যতম কারণ৷''

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপকের আরো বলেন, ‘‘পাহাড়ের বন উজার করা হয়েছে৷ গাছ না থাকলে পাহাড় টিকবে কী করে৷ তাই আমরা পাহাড়ে দ্রুত বনায়নের প্রস্তাব করেছিলাম৷''

সবমিলিয়ে পাহাড়ে এখন পাহাড় খেকোদের দাপট৷ আর পাহাড়খেকোদের কারণেই ভূমি ধসে শত শত মানুষ মারা যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন৷

এদিকে, বঙ্গপোসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে টানা তিন দিন প্রবল বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসে রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলায় মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজনসহ ১১জন নিহত হয়েছেন।তবে হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

সূত্রঃ ডয়চে ভেলে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত