শিরোনাম

  প্রযুক্তি ফাঁদে পড়েছেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক   সেনাক্যাম্প কমান্ডার কর্তৃক জনপ্রতিনিধিদের উপর হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনায় জেএসএসের প্রতিবাদ   বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী   রোনালদোর গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল   ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবিতে নিখোঁজ ১৯২   চালু হলো বাইসাইকেল শেয়ারিং সেবা   আলজি দাধাহ || আলোময় চাকমা   বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি মেসির ভালোবাসা   জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল ত্যাগ যুক্তরাষ্ট্রের   পাহাড় ধস, পাহাড়িরা নয়, দায়ী মূলত সমতল থেকে নিয়ে যাওয়া বাঙালিরা : আবু সাদিক   কবি সুফিয়া কামালের ১০৭তম জন্মবার্ষিকী আজ   মিশরকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল রাশিয়া   পোল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে মাঠে নাচ দেখাল সেনেগাল   জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বরেণ্য শিক্ষাবিদ   এক সপ্তাহে পাহাড়ে ৩ জন আঞ্চলিক নেতাকর্মী খুন   অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০, নিহত ১   কলম্বিয়ার বিপক্ষে জাপানের জয়   চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মডেল তিথি বড়ুয়া নিহত   বাংলাদেশ থেকে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের দেশে ফিরলেন জার্মান তরুণী   খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রধান শিক্ষক দেবদাস চাকমাকে আটক করেছে পুলিশ
প্রচ্ছদ / জাতীয় / পাহাড়ে সেটেলারদের বসতি ও ‘পাহাড়খেকোদের’ কারণেই পাহাড় ধস আর মৃত্যুর মিছিল

পাহাড়ে সেটেলারদের বসতি ও ‘পাহাড়খেকোদের’ কারণেই পাহাড় ধস আর মৃত্যুর মিছিল

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১২ ১৩:০১:৩০

   আপডেট: ২০১৮-০৬-১২ ১৩:০২:০৭

ডয়চে ভেলে

পার্বত্য এলাকায় পাহাড় ধসের জন্য দায়ী পাহাড় কাটা, বনভূমি উজাড় করা আর পাহাড়িদের মধ্যে ‘সেটেলার’দের ঢুকিয়ে দেয়া৷ প্রভাবশালীরা বছরের পর বছর এই অবৈধ কাজ করে শত শত মানুষের মুত্যু ডেকে আনছে৷ তাদের সহায়তায় রয়েছে প্রশাসন৷

টানা বর্ষণে গত বছর পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে পাহাড় ধসে কমপক্ষে ১৫০ জন নিহত হয়েছেন৷ এর মধ্যে রাঙামাটিতে সেনা কর্মকর্তাসহ ১২০জন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাহাড় ধসে গত ১০ বছরে ৬ সেনা সদস্যসহ ৩ শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন৷ পাহাড় ধসের এই ঘটনা ঘটতে শুরু করে ২০০০ সালের পর ধেকে৷ পাহাড় ধসের সবচেয়ে বড় ঘটনাটি প্রথম ঘটে ২০০৭ সালের ১১ জুন৷ টানা বর্ষণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের হাটহাজারী, পাহাড়তলি, বায়েজিদ বোস্তামি, খুলশী এলাকায় পাহাড় ধসে ১২৭ জন নিহত এবং দুই শতাধিক মানুষ আহত হন৷ পরের বছর, অর্থাৎ ২০০৮ সালে বান্দরবান শহরের বালুচরা এলাকায় পাহাড় ধসে ১৩০ জনের প্রাণহানি ঘটে৷

২০০৭ সালের পাহাড় ধসে শতাধিক মানুষের মুত্যুর ঘটনার পর তখনকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার পাহাড় ধসের কারণ ও প্রতিকার জানতে ১১ সদস্যের একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করে৷ সেই কমিটি প্রতিবেদন দিলেও কমিটির সুপারিশ কাজে লাগানো হয়নি৷ কমিটির অন্যতম সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমরা দেখেছি, পাহাড় ধসের কারণ প্রাকৃতিকের চেয়ে মানুষেরই সৃষ্টি বেশি৷ পাহাড় কেটে ফেলা, গাছপালা কেটে ফেলা, পাহাড় লিজ দেয়া, পাহাড়ে সেটেলারদের বসতি, পাহাড়কে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবাহার করা অন্যতম কারণ৷''

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপকের আরো বলেন, ‘‘পাহাড়ের বন উজার করা হয়েছে৷ গাছ না থাকলে পাহাড় টিকবে কী করে৷ তাই আমরা পাহাড়ে দ্রুত বনায়নের প্রস্তাব করেছিলাম৷''

সবমিলিয়ে পাহাড়ে এখন পাহাড় খেকোদের দাপট৷ আর পাহাড়খেকোদের কারণেই ভূমি ধসে শত শত মানুষ মারা যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন৷

এদিকে, বঙ্গপোসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে টানা তিন দিন প্রবল বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসে রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলায় মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজনসহ ১১জন নিহত হয়েছেন।তবে হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

সূত্রঃ ডয়চে ভেলে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত