শিরোনাম

  ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা   সরকারী চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা না হলেও সমস্যা হবে না   রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু   দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি   দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে   আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলন ২০১৮ উদযাপন   ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’ ২ জঙ্গি নিহত   জুমের বাম্পার ফলনে রাঙ্গামাটির চাষিদের মুখে হাসি   সরকারি চাকরিতে আদিবাসী কোটা বহাল দাবি জানাল আদিবাসীরা   আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশের এক মন্ত্রী দ্বারা হেনস্ত হওয়াতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা   শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে   মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত   শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !
প্রচ্ছদ / জাতীয় / কোটা বাতিল, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি চাকরি

কোটা বাতিল, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি চাকরি

প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-১১ ১৯:২৯:৪১

   আপডেট: ২০১৮-০৪-১১ ২০:৫৩:৪১

প্রধানমন্ত্রীর ফাইল ছবি।

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোটা নিয়ে যখন এতকিছু, তখন কোটাই থাকবে না। কোনো কোটারই দরকার নেই।’

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি চাকরিতে কোটা বিলুপ্ত করা হবে।

এসময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য’র বাড়িতে হামলারও তীব্র নিন্দা জানান।

তিনি বলেন, ‘সরকারি চাকরির পরীক্ষা যারা দেয়, তারা সকলেই মেধাবী। কোটায় যারা, তারা একসাথেই পরীক্ষা দেয়। রিটেনে সবাইকে পাস করতে হয়। এরপরই কিন্তু চাকরিটা দেয়া হয়। সেখানে কোথায় কী সংস্কার? দাবিটা কিন্তু স্পষ্ট না।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সকালে আমার কাছে যখন ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি এসে বললো যে আমরা তিন দিন ধরে ঘুমাতে পারছি না। তাছাড়া এই চৈত্রের রোদের মধ্যে ছাত্রছাত্রীরা রাস্তায় বসে আছে। সবার তো অসুখ-বিসুখও হবে। তারমধ্যে তারা রাস্তা বন্ধ করে রাখছে। জেলা কোটা আছে। সেখানে জেলায় জেলায় যেসব ইউনিভার্সিটি আছে, সেখানেও তারা রাস্তায় নেমে গেছে।’

‘যখন যারা জেলায়, তারাও চায় না, এরাও চায় না, কেউই চায়না- তখন বলেছি যে কোনো কোটাই থাকবে না। কোনো কোটারই দরকার নাই। বিসিএস পরীক্ষায় মেধার মাধ্যমে সব নিয়োগ হবে,’ বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে, বক্তব্যের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেয়া হবে। 

শেখ হাসিনা বলেন, 'তারা আন্দোলনকারীরা যেহেতু চায় না তাহলে কোটা থাকারই দরকার নেই। প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য আলাদা ব্যবস্থা আমরা করতে পারবো।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনও শ্রেণি যেন বঞ্চিত না হয়, অনগ্রসর শ্রেণি যেন বঞ্চিত না হয়, সেইটা সংবিধানে বলা আছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, নারী, প্রতিবন্ধী  তারা যেন বঞ্চিত না হয়। সেদিকে লক্ষ্য রেখে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য কোটা রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য কোটা করেছি। জেলা কোটা রয়েছে। অথচ জেলায় জেলায় ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছে। নারী কোটা আছে। অথচ গভীর রাতে হলের গেট ভেঙে মেয়েরা রাস্তায় এসেছে। জেলার অধিবাসীরা কোটা চায় না, মেয়েরা কোটা চায় না।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সংস্কার করতে গেলে, কয়দিন পর আরেক দল এসে বলবে আবার সংস্কার চাই। কোটা থাকলেই হবে সংস্কার। আর না থাকলে সংস্কারের কোনো ঝামেলাই নাই। কাজেই কোটা পদ্ধতি থাকারই দরকার নাই।’

‘আমাদের কেবিনেট সেক্রেটারি তো আছে, তাকে আমি বলেই দিয়েছি, সংশ্লিষ্টদেরকে যাদের নিয়ে বসে কাজ করবে। এবং তারা দেখবে।’

‘কিন্তু আমি মনে করি এই আন্দোলন বারবার হবে। বারবার শিক্ষায় সময় নষ্ট হবে। এই যে পরীক্ষা নষ্ট হলো।’

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে পাঁচ ধরনের কোটা আছে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ৩০ শতাংশ, নারী ও জেলা কোটা ১০ শতাংশ করে, পাঁচ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এবং এক শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা রয়েছে। ১৯৯০ সালের পর মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের দাবিতে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন শিবিরের ইন্ধনে আন্দোলনে নামার চেষ্টা হয়। কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি। তবে সম্প্রতি কোটা ১০ শতাংশে নমিয়ে আনার দাবিতে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে’ আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা।

আপনার মন্তব্য

এ বিভাগের আরো খবর



আলোচিত