শিরোনাম

  ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ   আগামীকাল এইচএসসির ফল প্রকাশ হবে   নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম শতবার্ষিকী আজ   চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসেই মিলবে হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র   উ. কোরিয়াকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদানে অংশ নিতে প্রস্তুত রাশিয়া   রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ নেতা রাহেলকে ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত   এবার খাগড়াছড়িতে সেটেলার কর্তৃক আদিবাসী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ   দেশে ছয় মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৯২: মহিলা পরিষদ   ফ্রান্সে বিশ্বকাপ বিজয় উল্লাস করতে গিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ-লুটপাট, নিহত ২   মিয়ানমারে জাতিগত ৩ গ্রুপের বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ পালিয়েছে   নির্বাচন আসছে, সংখ্যালঘুদের মধ্যে চিন্তা বাড়ছে: জাফর ইকবাল   ডুবুরী সানামের জন্য শোক ও মঙ্গলকামনা করেছেন গুহায় আটকা পড়া কিশোররা   আয়ারল্যান্ডে ‘হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের’ “অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের ডাক”
প্রচ্ছদ / জাতীয় / কোটা বাতিল, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি চাকরি

কোটা বাতিল, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি চাকরি

প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-১১ ১৯:২৯:৪১

   আপডেট: ২০১৮-০৪-১১ ২০:৫৩:৪১

প্রধানমন্ত্রীর ফাইল ছবি।

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোটা নিয়ে যখন এতকিছু, তখন কোটাই থাকবে না। কোনো কোটারই দরকার নেই।’

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি চাকরিতে কোটা বিলুপ্ত করা হবে।

এসময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য’র বাড়িতে হামলারও তীব্র নিন্দা জানান।

তিনি বলেন, ‘সরকারি চাকরির পরীক্ষা যারা দেয়, তারা সকলেই মেধাবী। কোটায় যারা, তারা একসাথেই পরীক্ষা দেয়। রিটেনে সবাইকে পাস করতে হয়। এরপরই কিন্তু চাকরিটা দেয়া হয়। সেখানে কোথায় কী সংস্কার? দাবিটা কিন্তু স্পষ্ট না।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সকালে আমার কাছে যখন ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি এসে বললো যে আমরা তিন দিন ধরে ঘুমাতে পারছি না। তাছাড়া এই চৈত্রের রোদের মধ্যে ছাত্রছাত্রীরা রাস্তায় বসে আছে। সবার তো অসুখ-বিসুখও হবে। তারমধ্যে তারা রাস্তা বন্ধ করে রাখছে। জেলা কোটা আছে। সেখানে জেলায় জেলায় যেসব ইউনিভার্সিটি আছে, সেখানেও তারা রাস্তায় নেমে গেছে।’

‘যখন যারা জেলায়, তারাও চায় না, এরাও চায় না, কেউই চায়না- তখন বলেছি যে কোনো কোটাই থাকবে না। কোনো কোটারই দরকার নাই। বিসিএস পরীক্ষায় মেধার মাধ্যমে সব নিয়োগ হবে,’ বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে, বক্তব্যের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেয়া হবে। 

শেখ হাসিনা বলেন, 'তারা আন্দোলনকারীরা যেহেতু চায় না তাহলে কোটা থাকারই দরকার নেই। প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য আলাদা ব্যবস্থা আমরা করতে পারবো।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনও শ্রেণি যেন বঞ্চিত না হয়, অনগ্রসর শ্রেণি যেন বঞ্চিত না হয়, সেইটা সংবিধানে বলা আছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, নারী, প্রতিবন্ধী  তারা যেন বঞ্চিত না হয়। সেদিকে লক্ষ্য রেখে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য কোটা রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য কোটা করেছি। জেলা কোটা রয়েছে। অথচ জেলায় জেলায় ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছে। নারী কোটা আছে। অথচ গভীর রাতে হলের গেট ভেঙে মেয়েরা রাস্তায় এসেছে। জেলার অধিবাসীরা কোটা চায় না, মেয়েরা কোটা চায় না।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সংস্কার করতে গেলে, কয়দিন পর আরেক দল এসে বলবে আবার সংস্কার চাই। কোটা থাকলেই হবে সংস্কার। আর না থাকলে সংস্কারের কোনো ঝামেলাই নাই। কাজেই কোটা পদ্ধতি থাকারই দরকার নাই।’

‘আমাদের কেবিনেট সেক্রেটারি তো আছে, তাকে আমি বলেই দিয়েছি, সংশ্লিষ্টদেরকে যাদের নিয়ে বসে কাজ করবে। এবং তারা দেখবে।’

‘কিন্তু আমি মনে করি এই আন্দোলন বারবার হবে। বারবার শিক্ষায় সময় নষ্ট হবে। এই যে পরীক্ষা নষ্ট হলো।’

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে পাঁচ ধরনের কোটা আছে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ৩০ শতাংশ, নারী ও জেলা কোটা ১০ শতাংশ করে, পাঁচ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এবং এক শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা রয়েছে। ১৯৯০ সালের পর মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের দাবিতে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন শিবিরের ইন্ধনে আন্দোলনে নামার চেষ্টা হয়। কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি। তবে সম্প্রতি কোটা ১০ শতাংশে নমিয়ে আনার দাবিতে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে’ আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত