শিরোনাম

  ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা   সরকারী চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা না হলেও সমস্যা হবে না   রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু   দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি   দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে   আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলন ২০১৮ উদযাপন   ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’ ২ জঙ্গি নিহত   জুমের বাম্পার ফলনে রাঙ্গামাটির চাষিদের মুখে হাসি   সরকারি চাকরিতে আদিবাসী কোটা বহাল দাবি জানাল আদিবাসীরা   আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশের এক মন্ত্রী দ্বারা হেনস্ত হওয়াতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা   শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে   মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত   শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !
প্রচ্ছদ / জাতীয় / শান্তি চুক্তির ফলে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে : আইন মন্ত্রী

শান্তি চুক্তির ফলে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে : আইন মন্ত্রী

প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-১০ ১৯:৫৯:০০

বাসস

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি বিরোধ নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, পাবর্ত চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কাজের অংশ হিসেবে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় গতি আনতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি আইনে ৯টি সংশোধনী আনা হয়।

আজ মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত “পার্বত্য চট্ট্রগ্রামের ভূমি সমস্যা নিষ্পত্তিকরণে রাষ্টীয় পদক্ষেপ ও বাধাসমূহ নিরূপণে করণীয়” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর ইস্কাটনে বিআইআইএসএস- এর অডিটোরিয়ামে সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল একেএম আব্দুর রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. কামাল উদ্দিন তালুকদার প্রমুখ।

আইনমন্ত্রী বলেন, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের কার্যক্রম চালানোর সুবিধার্থে সরকার রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে দুটি আঞ্চলিক অফিস স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে এবং তা কার্যকর করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আনিসুল হক বলেন, যে সবক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি আইনের প্রভিশন বিরোধ নিস্পত্তির জন্য যথেষ্ঠ সেইসব ক্ষেত্রে বিধি প্রণয়নের অপেক্ষায় থেকে সমস্যা জিয়ে রাখা সমীচীন নয়। বিধি প্রণয়নের কাজ চলার পাশাপাশি আইনের মাধ্যমে যে সব সমস্যা সমাধান করা যায় সেগুলো করতে তাগিদ দেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ পরবর্তী দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিরাজ করছিল সংঘাতময় পরিস্থিতি। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় দেশের কোন অঞ্চল বা কোন জনগোষ্ঠীকে অস্থিতিশীল বা উন্নয়নের বাইরে রেখে কোন দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। সেই উপলব্ধি থেকে ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে দীর্ঘ দুই দশক যাবৎ বিরাজমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিরসনের উদ্যোগ নেয়। সেই লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতৃবৃন্দের কয়েক দফা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সঙ্গে পার্বত্য চট্রগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা শান্তি চুক্তি নামে পরিচিত। এতে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চুক্তি কার্যকর করার জন্য ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ১৯৯৯ সালের ৭ই মে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়। শান্তি চুক্তির সবচেয়ে জটিল ও বিরোধপূর্ণ বিষয় তথা ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালে গঠন করা হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন। তিনি বলেন,শান্তি চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে সরকার এ পর্যন্ত ৪৮টি ধারা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করেছে, ১৫টি ধারার আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে এবং ৯টি ধারার বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির অন্যতম জটিল বিষয় হল ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি। চুক্তির অন্যান্য বিষয়ের মতো এ বিষয়েও সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শেখ হাসিনার সরকার ২০০১ সালে প্রণয়ন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি আইন।এর আগে আইনমন্ত্রী আজ রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রসিক্ষণ ইন্সটিটিউটে জেলা ও দায়া জজ এবং সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

ওই অনুষ্ঠানে আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক ও আইন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ প্রশিক্ষনে অংশ নেয়া বিচারকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবিধান ও আইন অনুযায়ী প্রত্যেক বিচারকই স্বাধীন উল্লেখ করে সেখানে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার করতে গিয়ে কোনপক্ষ যাতে অবিচারের শিকার না হয় এবং কোন ভাবে যেন অহেতুক হয়রানী ও ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিচারক নিয়োগে আইন প্রণয়ণের বিষয়টি সিরিয়াসলি দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট এখনো পাস হয়নি। আইন প্রনয়ণের কতগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে। এটা এখন সে প্রক্রিয়ায় আছে। আইনটির ৩২ ধারা নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য এসেছে। এটি নিয়ে সাংবাদিকদের আতংকিত হওয়ার কোন কারণ নেই। সংসদে আইনটি উত্থাপিত হয়েছে। এখন এটি স্ট্যান্ডিং কমিটিতে যাবে।

আপনার মন্তব্য

এ বিভাগের আরো খবর



আলোচিত