শিরোনাম

  ঢাবি শিক্ষার্থী প্রকট চাকমাসহ ১৩ শিক্ষার্থী পেলেন জগন্নাথ হল স্বর্ণপদক   চট্টগ্রামসহ অনেক জায়গায় ভারী বর্ষণ হতে পারে   ভিয়েতনামে বন্যায় ২০ জনের মৃত্যু , ১ লাখ ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল বিনষ্ট   দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা   ছাত্রলীগকে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছেন: কাদের   থানকুনি পাতার জাদুকরি উপকারিতা   চট্টগ্রাম কর্ণফুলীতে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, গ্রেফতার ৩   পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী   চিকিৎসা খাতে নতুন আবিষ্কার রঙিন ও থ্রি-ডি এক্স-রে   গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেঁদেছেন প্রধানমন্ত্রী   না ফেরার দেশে রাজীব মীর   নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ
প্রচ্ছদ / জাতীয় / ত্রিপিটকের বাংলা অনুবাদ হলো ৫৯ খণ্ডে

ত্রিপিটকের বাংলা অনুবাদ হলো ৫৯ খণ্ডে

প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০৫ ১৩:৪৭:৪০

নিউজ ডেস্ক

পালি ভাষায় রচিত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মুখ্য ধর্মীয় গ্রন্থ ত্রিপিটকের বাংলা অনুবাদের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ১৮৮৭ সালে পণ্ডিত ধর্মরাজ বড়ুয়ার সুত্তনিপাতের মাধ্যমে পালি থেকে বাংলা অনুবাদের কাজ শুরু হয়ে ২০১৬ সালে উজ্জ্বল বড়ুয়া বাসু কর্তৃক সর্বশেষ কথাবত্থুর মাধ্যমে ৫৯ খণ্ডে প্রথমবারের মতো প্রিন্ট ভার্সনে এর অনুবাদ কাজ শেষ হয়েছে।

ষষ্ঠ সংগীতির শ্রেণিবিন্যাস অনুসারে পূর্ণাঙ্গ ত্রিপিটককে দেশে ‘বড়ুয়া বৌদ্ধ’রা প্রথমবারের মতো বোধিদর্পণ প্রকাশনীর মাধ্যমে ৫৯ খণ্ডে আলাদা আলাদা খণ্ডে প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে।
 
পূর্ণাঙ্গ ত্রিপিটক প্রকাশনা ও বিতরণ অনুষ্ঠান উদপাপন কমিটির উদ্যোগে ৮ ডিসেম্বর নগরীর চান্দগাঁও সর্বজনীন বৌদ্ধবিহারে অনূদিত এসব বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করবেন বৌদ্ধদের সর্ব্বোচ্চ ধর্মীয়গুরু সংঘরাজ ধর্মসেন মহাথের।
 
কমিটির মহাসচিব উজ্জ্বল বড়ুয়া বাসু বলেন, ‘আড়াই হাজার বছরেরও আগে মহামানব গৌতম বুদ্ধ তৎকালীন পালি ভাষাতেই ধর্মপ্রচার করেছিলেন। গৌতম বুদ্ধ ৪৫ বছর ধরে যে ধর্মপ্রচার করেছিলেন তা সংগৃহীত হয় পবিত্র গ্রন্থ ত্রিপিটকে। সময়ের প্রয়োজনে বৌদ্ধরা পালি ভাষায় রচিত ত্রিপিটক গ্রন্থটিকে বাংলা অনুবাদের উদ্যোগ নেন। যেটির স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন অগ্রমহাপণ্ডিত প্রজ্ঞালোক মহাথেরো।’
 
‘প্রজ্ঞালোক মহাথের পূর্ণাঙ্গ ত্রিপিটক বাংলায় অনুবাদের জন্য ১৯২৮ সালের ১২ আগস্ট রেঙ্গুনে ১৫ সদস্যের ‘বৌদ্ধ মিশন প্রেস’ গঠন করেন। এই প্রেস থেকে তৎকালীন সময়ে বেশ কিছু বই প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ১৯৪২ সালের ২২ ডিসেম্বর বোমার আঘাতে এই প্রেসের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়। বিশেষ করে প্রেসের যন্ত্রপাতি, মুদ্রিত বই, পাণ্ডুলিপির ক্ষতি হয় বেশি। ‘বৌদ্ধ মিশন প্রেস’ প্রতিষ্ঠার পরবর্তী সময়ে আরও কিছু সংস্থার খবর জানা যায়, যেসব সংস্থা ত্রিপিটক প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছিল যেমন : ‘যোগেন্দ্র-রূপসীবালা ট্রাস্ট’, ‘শ্রী ত্রিপিটক প্রকাশনী প্রেস’, ‘ত্রিপিটক প্রচার বোর্ড’, ‘পালি বুক সোসাইটি’, ‘ধর্মাধার বৌদ্ধ গ্রন্থ প্রকাশনী’, ‘মহাবোধি বুক এজেন্সী’সহ আরও অনেক। এ সময়ে খণ্ড খণ্ড ভাবে অনেকেই ত্রিপিটক অনুবাদ করেন। তারপরেও বেশ কিছু খণ্ড অননূদিত থেকে যায়।’
 
‘পরবর্তীতে পরমপূজ্য সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং প্রজ্ঞাবংশ মহাথেরোর মেধা ও প্রচেষ্টায় ত্রিপিটকের অননূদিত বইগুলো অনুবাদ ও প্রকাশিত হতে ত্রিপিটকের বাংলা অনুবাদ হলো ৫৯ খণ্ডে থাকে।

অতঃপর ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ত্রিপিটকের অনুবাদ হয়নি এরকম সর্বশেষ গ্রন্থ কথাবত্থু অনুবাদের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশনার কাজ শেষ হয়। বোধিদর্পণ প্রকাশনীর মাধ্যমে ৫৯ খণ্ডে প্রকাশিত ত্রিপিটক বিতরণের প্রথম পর্বের অনুষ্ঠান ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।’

এসব বই প্রকাশনার ক্ষেত্রে কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে বলেও জানান তিনি।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার সভাপতি অজিতানন্দ মহাথেরোর সভাপতিত্বে সভায় আরও থাকবেন বৌদ্ধদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চগুরু উপসংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাথের, শীলানন্দ মহাথের, সত্যপ্রিয় মহাথের, ধর্মপ্রিয় মহাথের ও সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার মহাসচিব এস লোকজিৎ থের।

সূত্রঃ বাংলা নিউজ ২৪।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত