শিরোনাম

  ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা   সরকারী চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা না হলেও সমস্যা হবে না   রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু   দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি   দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে   আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলন ২০১৮ উদযাপন   ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’ ২ জঙ্গি নিহত   জুমের বাম্পার ফলনে রাঙ্গামাটির চাষিদের মুখে হাসি   সরকারি চাকরিতে আদিবাসী কোটা বহাল দাবি জানাল আদিবাসীরা   আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশের এক মন্ত্রী দ্বারা হেনস্ত হওয়াতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা   শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে   মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত   শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !
প্রচ্ছদ / জাতীয় / আদিবাসী নিয়ে দুই মেজরকে কড়া যুক্তি দেখালেন ব্যারিষ্টার দেবাশীয় রায় ও ড. মেসবাহ কামাল

আদিবাসী নিয়ে দুই মেজরকে কড়া যুক্তি দেখালেন ব্যারিষ্টার দেবাশীয় রায় ও ড. মেসবাহ কামাল

প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০৫ ১৩:১৮:১৪

   আপডেট: ২০১৭-১২-০৫ ১৫:১৬:১৫

অনলাইন ডেস্ক

মেজর(অবঃ) ব্যারিষ্টার এম সারোয়ার হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে চাকমা চীফ সার্কেল ব্যারিষ্টার দেবাশীয় রায় বলেছেন, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফন্ট(ইউপিডিএফ) এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) বলেন নাই যে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি হোক তথা অস্থায়ী সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার না হোক,পুনর্বাসন করুন না।

তিনি বলেন ইউপিডিএফ'র চাহিদা অনুযায়ী বরং জেএস এস কম দাবি চেয়েছে। সেই হিসেবে চুক্তি বাস্তবায়নে তারা ভিন্ন মত পোষণ করছে বলে চুক্তি বাস্তবায়নে কোন কারণ হতে পারেনা যা সেটা অজুহাত হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকার প্রত্যকটি মেয়র বানিয়েছে একটাও পাহাড়ি নেই। ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদে ক্রমবর্ধমানভাবে বাঙালি নির্বাচিত হচ্ছে। এই হারে যদি জনসখ্যা বৃদ্ধি পায় আর অস্থায়ী বাঙালি গুলো যদি চলে না আসে তাহলে আগামী ২০-৩০ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম করুণ অবস্থা হিসেবে দাঁড়াবে। যা বাঙালি বেড়ে গেলে পরবর্তীতে আমাদেরকে ও বাঙালি হতে বাধ্য করবে।

চুক্তি মোতাবেক যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, যদি এই আসনগুলো পাহাড়িদের না থাকে তাহলে জনসংখ্যা নব্বই শতাংশ বাঙালি হয়ে গেলে তাহলে কি আমাদের চলে যেতে হবে? কোথায় যাব? ভারতে যাব না বার্মায় যাব  বাংলাদেশে তো জন্মগ্রহণ করেছি। আমাদের মাটি বাংলাদেশেরই মধ্যে ।

এছাড়া বাংলাদশের আদিবাসী মানুষদের নিয়ে দেবাশীয় রায় বলেন, বাংলাদেশে এখনো আদিবাসী রয়েছে। মেজর(অবঃ) ব্যারিষ্টার এম সারোয়ার হোসেনের মতে যারা দীর্ঘ সময়ে এক জায়গায় বসবাস করে আসছে তাদেরকে বুজায়। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে যেসব মানুষ রয়েছে তারা এদেশে দীর্ঘকাল বসবাস করেনি। 

বিষয়টিকে যুক্তি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল ও ব্যারিষ্টার দেবাশীয় রায় বাংলাদেশে এখনো আদিবাসী রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। মেসবাহ কামাল বলেন বিশ্বে এখনো অনেক রাষ্ট্রে আদিবাসীদের অধিকারের বিধান রয়েছে।

'পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর' 'জনতন্ত্র গণতন্ত্র)' সম্প্রতি টকশোতে ড. রোবায়েত ফেরদৌস সঞ্চলনায় স্টুডিওতে উপস্থিত ছিলেন, ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায়, মেজর(অবঃ) ব্যারিষ্টার এম সারোয়ার হোসেন, মেজর(অবঃ) জিল্লুর রহমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল।

এদিকে, এ প্রসঙ্গে দেবাশীয় রায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেন,

গত ২ ডিসেম্বরের NEWS 24 এর টকশোতে অবসরপ্রাপ্ত major সাহেবদের গলাবাজি একটি নতুন ধরনের ষড়যন্ত্র বলে মনে হচ্ছে।

অনানুষ্ঠানিকভাবে জেনেছি, TV channel-কে বাধ্য করা হয়েছে, দুই প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করতে (কে বা কারা করেছে, অংক করে নিন)।

এই ব্যক্তিরা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ১৯৯৭ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম সহ বাংলাদশের আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সম্বন্ধে অজ্ঞ (তার মধ্যে একজন barrister).

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ১৯৯৭ এর বাস্তবায়ন দুরে থাক। চুক্তির বিধান তারা চ্যালেঞ্জ করছেন। তার মানে, মাননীয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৭-এর চুক্তির বিধানাবলি তাঁরা মানছেন না।

অর্থাৎ, বঙ্গবন্ধু-কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন! তাঁদের মতে।

তাঁদের উপসংহার হচ্ছে যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরকার সংবিধান না জেনে ও না বুঝে ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭-এ চুক্তি সম্পাদন করেছেন।

তাঁদের মতামতে প্রতিফলিত হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ১৯৯৭-এর অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধকতা!

ভিডিও :

আপনার মন্তব্য

এ বিভাগের আরো খবর



আলোচিত