শিরোনাম

  ঢাবি শিক্ষার্থী প্রকট চাকমাসহ ১৩ শিক্ষার্থী পেলেন জগন্নাথ হল স্বর্ণপদক   চট্টগ্রামসহ অনেক জায়গায় ভারী বর্ষণ হতে পারে   ভিয়েতনামে বন্যায় ২০ জনের মৃত্যু , ১ লাখ ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল বিনষ্ট   দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা   ছাত্রলীগকে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছেন: কাদের   থানকুনি পাতার জাদুকরি উপকারিতা   চট্টগ্রাম কর্ণফুলীতে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, গ্রেফতার ৩   পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী   চিকিৎসা খাতে নতুন আবিষ্কার রঙিন ও থ্রি-ডি এক্স-রে   গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেঁদেছেন প্রধানমন্ত্রী   না ফেরার দেশে রাজীব মীর   নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ
প্রচ্ছদ / জাতীয় / শান্তি চুক্তির মৌলিক ধারাগুলো এখনো বাস্তবায়ন হয়নি : বাঞ্চিতা চাকমা

শান্তি চুক্তির মৌলিক ধারাগুলো এখনো বাস্তবায়ন হয়নি : বাঞ্চিতা চাকমা

প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০৩ ১৮:২২:৫৩

   আপডেট: ২০১৭-১২-০৩ ২৩:৩৫:২০

অনলাইন ডেস্ক

রাঙামাটি সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও জাতীয় মানবধিকার কমিশনের সদস্য বাঞ্চিতা চাকমা বলেছেন শান্তি চুক্তির মৌলিক ধারা তথা মুখ্য বিষয়গুলো এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। শনিবার রাতে আরটিভির সৌজন্য ' আওয়ার ডেমোক্রেসি' টকশোতে এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেছেন শান্তিচুক্তির মোতাবেক যদি প্রধান ধারাগুলো বাস্তবায়ত হতো তাহলে হয়ত চুক্তির সমস্যা অনেকটা নিরসন পেত। কিন্তু দীর্ঘ ২০ টি বছরেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি বলে তিনি মনে করেন।

ভূমি সমস্যার ব্যাপারে তিনি বলেন, ভূমি সংস্কার কমিশন হয়েছে কিন্তু তার সাথে সংশ্লিষ্ট কার্যধারাগুলো আইন, অফিস, জনবল এগুলো এখনো হয়ে উঠেনি।

তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৯৫১ সালে আদিবাসী জনসংখ্যা ছিল ৯১% এবং বাঙালি ছিল ৯% , ১৯৭৪ সালে বাঙালি বেড়ে ২৬% ১৯৮১ সালে ৪১% এবং ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী 'ষোল লক্ষ্য ৬৩ হাজার দুইশ চোদ্দ জন'। তারমধ্যে আদিবাসী ছিল ৮ লক্ষ ৫৬ হাজার পাঁচশ ৪১ জন আর বাঙালি ৮ লক্ষ ৬ হাজার ছয়শ ৭৩ জন। যা বর্তমানে এখন বাঙালি এবং আদিবাসী জনসংখ্যা সেখানে প্রায় সমান সমান হিসেবে দাঁড়িয়েছে।  

এছাড়াও তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে আদিবাসী জনগণ যুগ যুগ ধরে সেখানে জুম চাষ করে ভূমি গুলো সংরক্ষণ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। সেখানে জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন সমতল থেকে বাঙ্গালিরা সেখানে গেলে ভূমির সমস্যা সৃষ্টি হয়। আর প্রতিনয়ত সেখানে জনংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে পার্বত্য অঞ্চল আরো জঠিল ইস্যুতে পরিণত হচ্ছে।

জাতীয় মানবধিকার কমিশনের সদস্য বাঞ্চিতা চাকমা মনে করেন শান্তি চুক্তি মোতাবেক যদি প্রধান ধারাগুলো অনুযায়ী ভূমির সমস্যা সমাধান করা যেত তাহলে অনেকটা জঠিলতা হ্রাস পেত।

পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২০ বছর: সংকট ও করণীয় টকশোতে মামুনুর রহমান খানের সঞ্চালনায় আরো স্টুডিওতে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য বাঞ্ছিতা চাকমা, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল।

এদিকে, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি ও আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা বলেছেন, দুই দশকেও পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হয় নি। পার্বত্য চট্টগ্রামে এখন ঔপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা চলছে। সংবিধান থেকে আমাদের মুছে দেওয়া হয়েছে। আমাদের অস্তিত্বহীন করে ফেলা হয়েছে। পাহাড়ি জনগণ এখন কোথায় যাবে? কোথায় আশ্রয় নেবে? ইত্যাদি মন্তব্য করেছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিষয়ে বলেছেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির অধিকাংশ শর্ত বাস্তবায়িত হয়েছে এবং যে সব শর্ত এখনও বাকি আছে সেগুলোও অতিশীঘ্রই বাস্তবায়িত হবে। তিনি আশা করেন , সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে জাতির পিতার সুখী-সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হওয়া যাবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত