শিরোনাম

  ঢাবি শিক্ষার্থী প্রকট চাকমাসহ ১৩ শিক্ষার্থী পেলেন জগন্নাথ হল স্বর্ণপদক   চট্টগ্রামসহ অনেক জায়গায় ভারী বর্ষণ হতে পারে   ভিয়েতনামে বন্যায় ২০ জনের মৃত্যু , ১ লাখ ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল বিনষ্ট   দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা   ছাত্রলীগকে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছেন: কাদের   থানকুনি পাতার জাদুকরি উপকারিতা   চট্টগ্রাম কর্ণফুলীতে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, গ্রেফতার ৩   পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী   চিকিৎসা খাতে নতুন আবিষ্কার রঙিন ও থ্রি-ডি এক্স-রে   গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেঁদেছেন প্রধানমন্ত্রী   না ফেরার দেশে রাজীব মীর   নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ
প্রচ্ছদ / জাতীয় / সন্তু লারমাকে আবার চুক্তি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেন শেখ হাসিনা

সন্তু লারমাকে আবার চুক্তি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০১ ২২:১৯:৪০

   আপডেট: ২০১৭-১২-০২ ০০:১৩:০০

ডেইলি সিএইচটি অনলাইন রিপোর্ট

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির অধিকাংশ শর্ত বাস্তবায়িত হয়েছে এবং যে সব শর্ত এখনও বাকি আছে সেগুলোও অতিশীঘ্রই বাস্তবায়িত হবে।

পার্বত্য শান্তিচুক্তির বিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবন থেকে পার্বত্য জেলার মানুষের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।   

তিনি বলেন, “চুক্তির ৭২টি শর্তের মধ্যে ৪৮টি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে। ১৫টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে এবং বাকি নয়টিও বাস্তবায়ন হবে।”চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন দেখা দেওয়ায় ২০১৬ সালে আইন সংশোধন করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চুক্তি মোতাবেক পার্বত্য তিন জেলার বেশ কিছু দ্বায়িত্ব জেলা পরিষদের হাতে হস্তান্তরের কথা ছিল। ইতোমধ্যে আমরা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে ৩০টির মত বিষয়, বান্দরবানে ২৮টি বিষয় এবং রাঙামাটিতে ৩০টি বিষয় হস্তান্তর করেছি। সেনা ক্যাম্পগুলি চাহিদা মতো প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।”

এছাড়া সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন, মোবাইল ফোন পরিবেসা চালু, প্রাথমিক, কারিগরি, মেডিকেল কলেজসহ উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল গড়ে তোলাসহ ওই এলাকার অর্থ-সামাজিক, পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়ার কথা তুলে ধরেন তিনি।

এদিকে গত বুধবার সংবাদ সম্মেলনে ঢাকাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি ও আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রীঃ জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু) বলেছেন , গত দুই দশকেও পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হয় নি।

বোধিপ্রিয় লারমা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির দুই দশক পূর্ণ হতে চললেও চুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ বিষয়ই অবাস্তবায়িত অবস্থায় রয়ে গেছে। অথচ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের মাধ্যমে চুক্তির প্রতিটি ধারা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে বলে আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিল। কিন্ত দুঃখের বিষয় হলেও সত্য বিগত ৯ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন থাকা সত্ত্বেও বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার চুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ বাস্তবায়নে কোন কার্যকর  উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়োজিত গোয়েন্দা বাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ক্ষমতাসীন দলের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বিরোধী ও জুম্ম স্বার্থ পরিপন্থী ভূমিকা পালন করে চলেছে। চুক্তিতে সকল প্রকার অস্থায়ী ক্যাম্প প্রত্যাহারের বিধান থাকলেও এখনো চার শতাধিক ক্যাম্প পার্বত্যাঞ্চলে বিদ্যমান রয়েছে। সেনাশাসন চলমান হেতু পার্বত্য চট্টগ্রামে অবাধে যত্রতত্র সেনা অভিযান, তল্লাসী, ধরপাকড়, মারপিট, দমন-পীড়ন এবং বাক স্বাধীনতা ও সভা সমাবেশের উপর হস্তক্ষেপ ইত্যাদি চলছে। এছাড়াও তিন পার্বত্য জেলার সাধারণ প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা, পুলিশ, ভূমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা, বন ও পরিবেশ, পর্যটন, মাধ্যমিক শিক্ষা, উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয়গুলো এখনো তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে হস্থান্তর করা হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন কার্যকর করা হয়নি।  ভূমি বিরোধ নিস্পত্তি, সেটেলার বাঙালিদের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সম্মানজনক পুনর্বাসন, ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণ জুম্ম উদ্বাস্তদের স্ব-স্ব জায়গা-জমি প্রত্যর্পণ পূর্বক যথাযথ পুনর্বাসন করা হয়নি।

ভিডিও :

আপনার মন্তব্য

আলোচিত