শিরোনাম

  ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা   সরকারী চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা না হলেও সমস্যা হবে না   রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু   দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি   দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে   আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলন ২০১৮ উদযাপন   ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’ ২ জঙ্গি নিহত   জুমের বাম্পার ফলনে রাঙ্গামাটির চাষিদের মুখে হাসি   সরকারি চাকরিতে আদিবাসী কোটা বহাল দাবি জানাল আদিবাসীরা   আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশের এক মন্ত্রী দ্বারা হেনস্ত হওয়াতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা   শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে   মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত   শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !
প্রচ্ছদ / জাতীয় / 'আদিবাসী স্থায়ী সনদপত্রে' কেন উপজাতি হিসেবে আখ্যায়িত, ধিক্কার জানিয়েছেন চাকমা রাণী ইয়েন ইয়েন

'আদিবাসী স্থায়ী সনদপত্রে' কেন উপজাতি হিসেবে আখ্যায়িত, ধিক্কার জানিয়েছেন চাকমা রাণী ইয়েন ইয়েন

প্রকাশিত: ২০১৭-১১-০৩ ২১:১৪:২৪

   আপডেট: ২০১৭-১১-০৩ ২১:৩৫:৩৩

অনলাইন ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত জুম্মদের স্থায়ী বাসিন্দা সনদপত্রে 'আদিবাসী বাসিন্দা' সনদ পত্র উল্লেখ না করতে নির্দেশ দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।সম্প্রতি মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞাপিত নির্দেশপত্রে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, তিন পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক, তিন পার্বত্য চীফ সার্কেলদের এ নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।বলা হয়েছে, আদিবাসী পরিবর্তে সংবিধানে উল্লিখিত ‘উপজাতি’, ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’, ‘নৃগোষ্ঠী’ ও ‘সম্প্রদায়’ হিসেবে উল্লেখ করতে হইবে।

এদিকে চাকমা চীফ সার্কেল রাজা ব্যারিষ্টার রায়ের সহধর্মিনী তথা চাকমা রানী ইয়েন ইয়েন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও ব্যক্তিবর্গকে ধিক্কার জানাই। মন্ত্রণালয়ে যে ‘উপজাতি’, ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’, ‘নৃগোষ্ঠী’ ও ‘সম্প্রদায়’-এর কর্মকর্তাগণ আছেন, তাদের জন্য ধিক্কারের সাথে সাথে এক রাশ করুণা।

আদিবাসী স্থায়ী বাসিন্দা সনদপত্রে কেন 'উপজাতি' সনদপত্র আখ্যায়িত করা হবে সে প্রসঙ্গে ,সহজভাবে পাহাড়ী জুম্ম জনগণ সেটিকে মানতে পারছেনা । ফেসবুক জুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে শত শত বছর ধরে যে সনদটি স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে তিন পার্বত্য জেলা চীফ সার্কেলগুলো কর্তৃক প্রদান করে আসছে কিন্তু তা অকস্মাৎ সেটিকে নাকচ করার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে কতিপয় জুম্ম স্বার্থন্বেষী মহলের বিরুদ্ধে । সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’, ‘নৃগোষ্ঠী এগুলো কোন জাতির পরিচয় হতে পারেনা।এগুলো ইচ্ছা করে সংবিধানে কয়েক বছরের মধ্যে রচনা করা হয়েছে।যা বাংলাদেশে বসবাসরত গোটা আদিবাসীদের পক্ষে বোধগম্য হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী আদিবাসীদের রয়েছে শত শত বছরের স্বতন্ত্র ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য ইত্যাদি।

কিন্তু কেন মানতে পারছেনা সে প্রসঙ্গে কিছু অভিযোগ রয়েছে,

তা হল, সরকার ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন’ জাতীয় সংসদে পাস করেছে কয়েক বছর হবে। এই আইন তৈরি ও প্রণয়ন করার সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও আদিবাসী নেতাদের কাছ থেকে কোনো মতামত নেওয়া হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে তিন-চারজন নৃবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলা হলেও সরকার এককভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ‘আদিবাসী’দের পরিচয় হবে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’। তাদের মতামত থেকেছে উপেক্ষিত।

এ আইনটি প্রণয়নের আগে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার না করে ‘উপজাতি’ শব্দটি ব্যবহারের জন্য ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো ১৯ এপ্রিল, ২০০৬ সালের এক চিঠিতেও ‘আদিবাসী’ শব্দটির পরিবর্তে ‘উপজাতি’ লেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অথচ সব সময়ই ব্রিটিশ আমলে ব্যবহূত এই ‘উপজাতি’ শব্দটির বিরোধিতা করেছে এ দেশে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।

লক্ষ করা গেছে, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহূত হয়ে আসছে। যদিও সংবিধানে আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীগুলোর স্বীকৃতি নেই বা আদিবাসীদের সম্পর্কে সরাসরি কোনো কিছুই উল্লেখ নেই। তবে সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।’ একইভাবে ২৮(১১) অনুচ্ছেদে আছে, ‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, নারী-পুরুষভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।’

ব্রিটিশ, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিভিন্ন আইনে ও সরকারি দলিলে এসব জাতিগোষ্ঠীগুলোকে বোঝাতে ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০, পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০, আয়কর আইনসহ অনেক সরকারি পরিপত্র, দলিল ও হাইকোর্টের রায়ে ‘আদিবাসী’ শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালে এবং ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে তাঁদের দেওয়া বাণীতে ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। বিগত সময়কালে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনা নিজেই প্রতি "আদিবাসী দিবস"উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত তথা বাংলাদেশের সকল আদিবাসী জনগণকে শুভেচ্ছা ও বাণী দিতেন।এছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রী পরিষদ কর্তৃক আদিবাসী জনগণকে শুভেচ্ছা ও তাদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতেন।যা প্রমাণ হিসেবে আদিবাসী নেতাদের কাছে এখনো রয়েছে।

আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮-এ ১৮(২) ধারায় ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার করেছে।এ দেশের প্রকৃত আদিবাসী কারা, এটা নিয়েও একটি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে বলেন, বাঙালিরাও তো এ দেশের আদিবাসী। তারাও তো শত শত বছর ধরে এ দেশেই বসবাস করছে।

এঁরাই মনে করেন, আদিবাসীদের ‘আদিবাসী’ হিসেবে স্বীকার করার অর্থই হচ্ছে আদিবাসীরাই এ অঞ্চলের আদি বাসিন্দা, বাঙালিরা নয়। অথচ নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে আদিবাসী পরিচয় নির্ধারণে আদি বাসিন্দা কিংবা আদি বাসিন্দা নয়, এটা মুখ্য বিষয় নয়, মুখ্য বিষয় অন্য কিছু। খুব সহজভাবে বলা হয়ে থাকে, প্রাক-ঔপনিবেশিক সময় থেকে যাঁরা যে এলাকায় বসবাস করে আসছেন, তাঁরা সেই এলাকার আদিবাসী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং যাঁদের সঙ্গে প্রাকৃতিক সম্পদের সম্পর্ক আছে, যাঁদের নিজেদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা আছে, যাঁদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি এবং বিশ্বাস আছে, তাঁরাই আদিবাসী

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইনের প্রসঙ্গে। আইনটি পাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘আদিবাসী’ অথবা ‘উপজাতি’ জনগোষ্ঠীর নতুন নামকরণ করা হয়েছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। ‘নৃ’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ মানুষ বা নর। শব্দটি বাংলা ভাষায় উপসর্গ হিসেবে ব্যবহূত হয়।

এভাবে নৃগোষ্ঠী শব্দটির অর্থ দাঁড়াচ্ছে মানবগোষ্ঠী। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অর্থ ছোট মানবগোষ্ঠী। তাহলে বৃহৎ বা বড় নৃগোষ্ঠী কি বাঙালিরা? নৃবিজ্ঞানে আদিবাসী শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া আছে এভাবে, ‘কোনো এলাকার প্রাচীন জনবসতি ও তাদের সংস্কৃতি বোঝাতে এই পদটি ব্যবহূত হয়। সাধারণভাবে পার্বত্য অথবা অরণ্য অঞ্চলে বসবাসকারী শতাব্দীর লালিত সংস্কৃতির ধারক-বাহকদের আদিবাসী বলা হয়।’

সেই হিসেবে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী যেমন—সাঁওতাল, মুন্ডা, ওঁরাও, কোচ, রাজবংশী ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠী সবাই আদিবাসী। কারণ বরেন্দ্র এলাকায় এদের বাস বাঙালি জনগোষ্ঠীর আসার আগেই। বৃহত্তর ময়মনসিংহের মান্দি (গারো), হাজং, কোচ ও হাদি; সিলেটের মণিপুরি, খাসী, ত্রিপুরা, লুসাই; বরিশালের রাখাইন; খুলনা অঞ্চলের মালো, মাহাতো এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের খিয়াং, খুমী, চাক, চাকমা, তঞ্চঙ্গ্যাসহ মোট ১১টি পার্বত্য জাতিগোষ্ঠী প্রায় ৫০০ বছর ধরে বাস করে আসছে। তবে হ্যাঁ, এই বিভিন্ন এলাকার আদিবাসীদের ইতিহাস কোনোভাবেই এক নয়।

আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের নৃবিজ্ঞানী ও আদিবাসীবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোনো এলাকায় দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করা এবং কোনো এলাকার জমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ লালন-পালন করা ছাড়াও আরও অনেক বৈশিষ্ট্য আছে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর। যেমন, তারা রাষ্ট্রীয় আইনের চেয়ে প্রথাগত আইনের মাধ্যমে তাদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিষ্পত্তি করে, প্রথাগত আইন কার্যকর করার জন্য সনাতনী অথবা ঐতিহ্যগত প্রতিষ্ঠানের সহায়তা গ্রহণ করে, একটি বিশেষ আবাসভূমির সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক থাকে এবং আধুনিক রাষ্ট্রগঠন-প্রক্রিয়ার সঙ্গে অসম্পৃক্ত থাকে। সবদিক থেকে বিবেচনা করেই বলা যায়, বাংলাদেশে বসবাসরত এই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর পরিচয় কোনোভাবেই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বলা চলে না। আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও তাদের পরিচয় আদিবাসী। সরকার আইনে ২৭টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা উল্লেখ করেছে, কিন্তু বাংলাদেশে ৪৫টি আদিবাসীর বাস।

আওয়ামীলীগ যেখানে নির্বাচনী ইশতেহারে ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার করেছে, তারা কেন সেখান থেকে সরে এল? কেন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নামকরণের ক্ষেত্রে তাদের মতামতকে মূল্য দেওয়া হলো না।

মূল কথা হলো এখানে আদিবাসীদের ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার না করে ‘উপজাতি’ শব্দটি ব্যবহারের জন্য ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল এছাড়াও ১৯ এপ্রিল, ২০০৬ সালের এক চিঠিতেও ‘আদিবাসী’ শব্দটির পরিবর্তে ‘উপজাতি’ লেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা কিন্তু কোন আদিবাসীর স্থায়ী প্রতিনিধির সাথে মতামত সাপেক্ষে করা হয়নি এমনই অভিযোগ পাহাড়ি নেতা ও সংশ্লিষ্টদের।

আপনার মন্তব্য

এ বিভাগের আরো খবর



আলোচিত