শিরোনাম

  ঢাবি শিক্ষার্থী প্রকট চাকমাসহ ১৩ শিক্ষার্থী পেলেন জগন্নাথ হল স্বর্ণপদক   চট্টগ্রামসহ অনেক জায়গায় ভারী বর্ষণ হতে পারে   ভিয়েতনামে বন্যায় ২০ জনের মৃত্যু , ১ লাখ ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল বিনষ্ট   দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা   ছাত্রলীগকে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছেন: কাদের   থানকুনি পাতার জাদুকরি উপকারিতা   চট্টগ্রাম কর্ণফুলীতে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, গ্রেফতার ৩   পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী   চিকিৎসা খাতে নতুন আবিষ্কার রঙিন ও থ্রি-ডি এক্স-রে   গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেঁদেছেন প্রধানমন্ত্রী   না ফেরার দেশে রাজীব মীর   নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ
প্রচ্ছদ / লাইফ স্টাইল / আদিবাসীদের সম্বন্ধে যাতে সবাইকে মুখ ফুটে বলতে পারে এজন্য নাম দিলেন নাতসুমি চাকমা হারাদা

আদিবাসীদের সম্বন্ধে যাতে সবাইকে মুখ ফুটে বলতে পারে এজন্য নাম দিলেন নাতসুমি চাকমা হারাদা

প্রকাশিত: ২০১৭-১১-২৪ ১৩:৩৩:২০

   আপডেট: ২০১৭-১১-২৪ ১৭:০৪:৪৪

ছবি : নাতসুমি চাকমা হারাদা ফেসবুক আইডি থেকে নেওয়া।

অনলাইন ডেস্ক

সম্প্রতি চ্যানেল আই এর একটি ভিডিও প্রতিবেদনে নাতসুমি হারাদা নামে জাপানি এক তরুণী ডকুমেন্টারি বানাতে প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে বাংলাদেশে এসেছিলেন বলে তথ্য প্রচার করা হয়।

তিনি জানান, ২০১০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের যখন তিনি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী হিসেবে অধ্যয়নরত ছিলেন তখন তার সাবজেক্টের উপর একটি ডকুমেন্টারি বানানোর আবশ্যক ছিল। সেজন্য তিনি প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে বাংলাদেশে তার বড় বোনের সাথে এসেছিলেন।  

ডকুমেন্টরি তৈরি করতে সময় ব্যাপ্তি তুলনামূলক কম লাগে।সেই হিসেবে মাত্র এক সপ্তাহের জন্য ভার্সিটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ের উপর শর্ট ফিল্মটি বানাতে সুবাদে তার বাংলাদেশে চলে আসা। ডকুমেন্টারিটি বানানোর পরও তার মন ভরেনি। কারণ সে বাংলাদেশের সম্পর্কে আরো জানতে চায় , এদেশের সংস্কৃতি আদিবাসীদের ঐতিহ্যকে জানার প্রবল আগ্রহী হওয়ায় আবার ২০১৪ সালে বাংলাদেশে চলে আসেন।

চাকমা ও বাংলা ভাষা আগে বুজতেন না তবে বাংলা ভাষার উপর কম পারদর্শী হলেও চাকমা ভাষা মোটামুটি বুজে ও জানে। তার চেহারা দেখে কেউ যে বলবে না যে তিনি বাইরের দেশ থেকে আসা। শুধু মাত্র ভাষার উচ্চারণে কিছুটা জড়তা রয়ে গেছে।

সবাই যখন তাকে চাকমা বলে সম্বোধন করত তখন তিনি ইতস্ততঃ অনুভব করতেন।কারণ তিনি কাকে চাকমা বলে, চাকমারা কি জিনিস জানতেন না।সেজন্য চাকমা জিনিসটি খুঁজতে প্রথমে ইন্টারনেটের সাহায্য নেন পরে আদিবাসী মানুষদের সাথে মিশে চাকমা ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে বর্তমানে অনেকটা ধারণা লাভ করেছেন। মূলত তিনি আদিবাসীদের সম্বন্ধে যাতে সবাইকে মুখ ফুটে বলতে পারে সেই সুবাদে বর্তমানে তাঁর নাম নাতসুমি চাকমা হারাদা রেখেছেন। এরপর তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের সাথে মিশে গেলেন।

ডকুমেন্টারিটি শুধু 'পার্বত্য চট্টগ্রাম বা হিল ট্র্যাক্টসের উপর' নয় এটি বাংলাদেশের আদিবাসীসহ গরীব অসহায় ছেলে-মেয়েদের সম্বন্ধে ফুটিয়ে তোলার জন্য।এছাড়া তিনি ঘুরে বেড়ান ঢাকার পথে-ঘাটে পথশিশুদের জীবন নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণের কাজে।এদেশের ধর্মীয় উৎসব সমূহ দেখে তিনি বিমুগ্ধ হয়েছিলেন।তার উদ্দেশ্য জাপানের ফ্রেন্ডের বাংলাদেশে নিয়ে এসে পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের জীবনযাত্রার সম্পর্কে ধারণা লাভ করে দেওয়া। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের সংস্কৃতিকে এমনভাবে আপন করে নিয়েছেন বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষদের রেখে গিয়ে জাপানে চলে যাওয়া তার কষ্টকর হচ্ছে। তার প্রিয় খাবার এখন'বাচ্চুরি' যেটাকে বাংলা ভাষায় বাঁশ কড়োল বলে আখ্যায়িত করা হয়।

ভিডিও :

আপনার মন্তব্য

আলোচিত