আজ বুধবার, | ২৩ আগস্ট ২০১৭ ইং

শিরোনাম

  প্যারিসে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত   বাংলাদেশ হাই-কমিশন অটোয়ায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচী পালন   বার্লিনে সুন্দরবন রক্ষা এবং বাংলাদেশের বিকল্প জ্বালানী সম্ভাবনা শীর্ষক ইউরোপীয় সম্মেলন   কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আদিবাসী শিক্ষার্থীরা আদিবাসী দিবস পালন করেছে   সমান অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকতে হলে সংগ্রাম চাইঃ সন্তু লারমা   আদিবাসী মানুষরা লড়াই সংগ্রাম করে অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে:ঊষাতন তালুকদার   আজ বিশ্ব আদিবাসী দিবস   রাত পোহালেই আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু   লংগদুতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৬ জন সেটেলার বাঙ্গালি কারাগারে   টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ও বাংলাদেশের আদিবাসী নারী   ফ্রান্সের ,প্যারিসে সংঘদান ও অষ্টপরিষ্কার দান অনুষ্ঠিত   বাঙালি নারীদের চেয়ে আদিবাসী নারীরা জাতিগতভাবে অধিক নিপীড়নের শিকারঃসন্তু লারমা   আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের যেসব দাবী রয়েছে   পাহাড়ে ক্ষুধা ও অভাবের হাহাকার অথচ সরকার উন্নয়নের অহংকারে ভাসছেঃ সন্তু লারমা   সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীকে মনোনয়ন দিলে ভোট বর্জন:রানা দাশগুপ্ত   আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০১৭ উপলক্ষে আগামীকাল ৬ আগস্ট ডেইলি স্টার সেন্টারে আলোচনা সভা   রাংগামাটি রাজবন বিহারে পুণ্যার্থী সেজে উৎশৃংখল করার অভিযোগ   আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০১৭ উপলক্ষে আগামীকাল ৫ আগস্ট ঢাকা হোটেল সুন্দরবনে সংবাদ সম্মেলন   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা: ৭ আগস্ট আবেদন শুরু

স্কুল জীবনে যে ৭ কাজ সবাই উপভোগ করেছেন

প্রকাশিত: ২০১৭-০৩-২০ ০১:৪১:০২

ডেইলি সিএইচটি রিপোর্ট

প্রত্যেকের কাছেই জীবনের সেরা সময়- তার ‘স্কুল জীবন’। ঠিক যেন স্বপ্নে মতো স্কুল জীবনের দিনগুলো৷ সত্যিই, স্কুল জীবনের এক আশ্চর্য মাধুর্য ছিল। কিন্তু ঠিক কী কারণে স্কুল জীবনকে সবার কাছে এতো মধুর মনে হয়? এ প্রশ্নের উত্তর জানেন না অরেকেই। তবে আজকের প্রতিবেদনে রয়েছে সে উত্তর। আজ রইল এমন কয়েকটি বিষয়, যা স্কুল জীবনের আনন্দকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিত বলেই মনে করা যায়। দেখে নিন, আপনার মতের সাথে মেলে কি না।

ছুটির আনন্দ: স্কুলে কাটানো সময়টুকু যতই আনন্দের হোক না কেন, ছুটির ঘন্টা বেজে উঠতেই এক আশ্চর্য আনন্দে ভরে উঠত মনটা। সেই আনন্দের কোনো তুলনা হয় না।

প্রথম প্রেম: জীবনে প্রথম কাউকে ভালো লাগার ঘটনাটা নিশ্চয়ই স্কুল জীবনেই ঘটেছিল? স্কুলের কোনো এক সহপাঠী বা সহপাঠিনীর দিকে তাকিয়ে উদাস হয়ে যাওয়ার ঘটনা স্কুলেই ঘটত। তার পরে তার দিক থেকে যদি একটুকরো হাসি উপহার পাওয়া যায়, তা হলে তো কথাই নেই। সেই অনুভূতি যেন স্বর্গীয়।

নিজেকে অপরাজেয় মনে করার অনুভূতি: স্কুল জীবনে নিজেকে অপরাজেয় মনে করেননি, এমন কেউ নেই। সেই ভাবনায় সারল্য ছিল, অপরিপক্কতা ছিল, কিন্তু তাতেই ছিল আনন্দ।

উদ্বেগেরও ছিল আলাদা মজা: পরীক্ষার উদ্বেগ ছিল, টিউশনের টেনশন, বাবা-মাযের বকা খাওয়ার ভয়ও কম ছিল না- কিন্তু চাকরি জীবনের উদ্বেগের চেয়ে তো কম ছিল সেই স্ট্রেস।

বন্ধুদের গ্রুপ: সমস্ত সহপাঠীর সাথে তো আর সমান বন্ধুত্ব ছিল না, স্পেশাল ফ্রেন্ডদের নিয়ে ছিল একটি বিশেষ গ্রুপ। তাদের মধ্যে চলত সমস্ত গুপ্তকথার আদানপ্রদান, চলত কোড ল্যাঙ্গুয়েজে কথাবার্তা। যার আনন্দও কম নয়।

প্রিয় টিচারের ক্লাস: শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বাদ দিয়ে কি আর স্কুল হয়? অনেক টিচারের মধ্যে কোনো কোনো টিচার ছিলেন বিশেষ প্রিয়। তাদের ক্লাস করতে যে শুধু ভালো লাগত তা নয়, তাদের ব্যক্তিত্বও ছিল বিশেষ মোহসঞ্চারী।

স্কুলের অনুষ্ঠান: স্কুল মানে তো আর শুধু পড়াশোনা নয়, সেই সাথেই ছিল কালচারাল ইভেন্টস, স্পোর্টস- আরও কত কী! সেই সমস্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মজাই ছিল আলাদা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত