শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / মুক্তিযুদ্ধ / মুক্তিযুদ্ধ করেও ভূমিহীন যোগ্যশ্বর

মুক্তিযুদ্ধ করেও ভূমিহীন যোগ্যশ্বর

প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-২৩ ১৪:১৬:৫৬

নিউজ ডেস্ক

নিজের নামে এক টুকরো ভূমি নেই মুক্তিযোদ্ধা যোগ্যশ্বর জলদাসের। পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় ৩০ বছর ধরে ভাঙাচোরা একটি ঘরে অনেক কষ্টে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন তিনি।

সরকার দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ঘর তৈরি করে দিলেও নিজের নামে ভূমি না থাকায় সরকারি সেই ঘরও কপালে জুটছে না উপজেলার ওচমানপুর ইউনিয়নের এই মুক্তিযোদ্ধার।

যোগ্যশ্বর জলদাস বলেন, জীবন বাজি রেখে ৫ মাস যুদ্ধ করেছি। যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুনি মুক্তিবার্তায় আমার নাম নেই। অনেকের কাছে ধরনা দিয়েও ৩৮ বছর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাইনি। আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধিনায়ক জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী স্বাক্ষরিত স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদপত্র থাকা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ করেছি কি-না প্রমাণের জন্য চারবার ইন্টারভিউ দিতে হয়েছে।

সর্বশেষ ২০০৯ সালের শেষ দিকে মুক্তিযুদ্ধকালীন ১ নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার বর্তমান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে সব কিছু বলার পর তিনি আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেন। ২০১০ সালের ৭ মার্চ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সাময়িক সনদপত্র দেয়।

বাঁশখালী মৌজায় আমাদের যেটুকু সম্পত্তি ছিল তাও নদীতে বিলীন হয়ে যায়। পরে ভাইবোন নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৬ শতক জায়গায় দখল স্বত্বে কিনে টিনশেডের একটি ঘর করি। সেখানেই চার ছেলে, চার মেয়ে নিয়ে জীবন পার করে দিলাম। এখন বিভিন্ন সমস্যার কারনে সেই জায়গায়ও বসবাস করতে পারছি না।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, সরকার তিন ক্যাটাগরিতে ঘর তৈরি করে দিচ্ছে। ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধা যোগ্যশ্বরের বিষয়ে তিনি কোনো তালিকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, স্থানীয় প্রশাসন থেকে পাননি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত