শিরোনাম

  নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ   আগামীকাল এইচএসসির ফল প্রকাশ হবে   নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম শতবার্ষিকী আজ   চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসেই মিলবে হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র   উ. কোরিয়াকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদানে অংশ নিতে প্রস্তুত রাশিয়া   রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ নেতা রাহেলকে ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত   এবার খাগড়াছড়িতে সেটেলার কর্তৃক আদিবাসী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ   দেশে ছয় মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৯২: মহিলা পরিষদ   ফ্রান্সে বিশ্বকাপ বিজয় উল্লাস করতে গিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ-লুটপাট, নিহত ২   মিয়ানমারে জাতিগত ৩ গ্রুপের বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ পালিয়েছে   নির্বাচন আসছে, সংখ্যালঘুদের মধ্যে চিন্তা বাড়ছে: জাফর ইকবাল   ডুবুরী সানামের জন্য শোক ও মঙ্গলকামনা করেছেন গুহায় আটকা পড়া কিশোররা
প্রচ্ছদ / মুক্তিযুদ্ধ / মুক্তিযুদ্ধ করেও ভূমিহীন যোগ্যশ্বর

মুক্তিযুদ্ধ করেও ভূমিহীন যোগ্যশ্বর

প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-২৩ ১৪:১৬:৫৬

নিউজ ডেস্ক

নিজের নামে এক টুকরো ভূমি নেই মুক্তিযোদ্ধা যোগ্যশ্বর জলদাসের। পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় ৩০ বছর ধরে ভাঙাচোরা একটি ঘরে অনেক কষ্টে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন তিনি।

সরকার দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ঘর তৈরি করে দিলেও নিজের নামে ভূমি না থাকায় সরকারি সেই ঘরও কপালে জুটছে না উপজেলার ওচমানপুর ইউনিয়নের এই মুক্তিযোদ্ধার।

যোগ্যশ্বর জলদাস বলেন, জীবন বাজি রেখে ৫ মাস যুদ্ধ করেছি। যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুনি মুক্তিবার্তায় আমার নাম নেই। অনেকের কাছে ধরনা দিয়েও ৩৮ বছর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাইনি। আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধিনায়ক জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী স্বাক্ষরিত স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদপত্র থাকা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ করেছি কি-না প্রমাণের জন্য চারবার ইন্টারভিউ দিতে হয়েছে।

সর্বশেষ ২০০৯ সালের শেষ দিকে মুক্তিযুদ্ধকালীন ১ নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার বর্তমান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে সব কিছু বলার পর তিনি আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেন। ২০১০ সালের ৭ মার্চ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সাময়িক সনদপত্র দেয়।

বাঁশখালী মৌজায় আমাদের যেটুকু সম্পত্তি ছিল তাও নদীতে বিলীন হয়ে যায়। পরে ভাইবোন নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৬ শতক জায়গায় দখল স্বত্বে কিনে টিনশেডের একটি ঘর করি। সেখানেই চার ছেলে, চার মেয়ে নিয়ে জীবন পার করে দিলাম। এখন বিভিন্ন সমস্যার কারনে সেই জায়গায়ও বসবাস করতে পারছি না।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, সরকার তিন ক্যাটাগরিতে ঘর তৈরি করে দিচ্ছে। ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধা যোগ্যশ্বরের বিষয়ে তিনি কোনো তালিকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, স্থানীয় প্রশাসন থেকে পাননি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত