শিরোনাম

  আগামী ১৮ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা, থাকছে না এমসিকিউ   অবশেষে তিন মাস পর জামিন পেলেন আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম   নির্বাচনী এলাকায় ৭-১০ দিন আগে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে : নির্বাচন কমিশন   মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়ার ভয়ে তালিকাভুক্ত সব রোহিঙ্গা পালিয়ে গেল   ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৯, নিখোঁজ ১৩০   রাঙ্গামাটি থেকে বুদ্ধগয়ার যাওয়ার উদ্দেশ্যে তীর্থযাত্রীর বাস দুর্ঘটনায় ১ জন নিহত   পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া দুই যুবক ‘শনাক্ত’   পুলিশকে ধন্যবাদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী   বলিউডের স্টার দীপিকা-রণবীরের বিয়ে সম্পন্ন   এবার থেকে সরকারী চাকরিজীবীর স্ত্রী মারা গেলে আজীবন পেনশন পাবেন স্বামী   ৩ বছরের কারাদণ্ড ডেসটিনির চেয়ারম্যানের   দীঘিনালায় শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক ঊষা আলো চাকমাকে অপহরণ   হামলা করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছে সরকার : ফখরুল   নির্বাচন বানচাল করতে পুলিশের ওপর হামলা করেছে বিএনপি : কাদের   স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন ইমরান এইচ সরকার   খালেদার দু’টি আসন পাচ্ছেন দুই পুত্রবধূ!   আগামীকাল থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে পাঠানো হবে, যেতে চায়না রোহিঙ্গারা   চলে গেলেন স্পাইডারম্যান-আয়রনম্যান লেখক   অনৈতিক কাজে জড়িত কক্সবাজার এসিল্যান্ড নাজিম উদ্দিনকে রাঙামাটিতে বদলি   এবার এরশাদের জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন হিরো আলম
প্রচ্ছদ / মুক্তিযুদ্ধ / মুক্তিযুদ্ধ করেও ভূমিহীন যোগ্যশ্বর

মুক্তিযুদ্ধ করেও ভূমিহীন যোগ্যশ্বর

প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-২৩ ১৪:১৬:৫৬

নিউজ ডেস্ক

নিজের নামে এক টুকরো ভূমি নেই মুক্তিযোদ্ধা যোগ্যশ্বর জলদাসের। পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় ৩০ বছর ধরে ভাঙাচোরা একটি ঘরে অনেক কষ্টে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন তিনি।

সরকার দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ঘর তৈরি করে দিলেও নিজের নামে ভূমি না থাকায় সরকারি সেই ঘরও কপালে জুটছে না উপজেলার ওচমানপুর ইউনিয়নের এই মুক্তিযোদ্ধার।

যোগ্যশ্বর জলদাস বলেন, জীবন বাজি রেখে ৫ মাস যুদ্ধ করেছি। যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুনি মুক্তিবার্তায় আমার নাম নেই। অনেকের কাছে ধরনা দিয়েও ৩৮ বছর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাইনি। আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধিনায়ক জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী স্বাক্ষরিত স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদপত্র থাকা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ করেছি কি-না প্রমাণের জন্য চারবার ইন্টারভিউ দিতে হয়েছে।

সর্বশেষ ২০০৯ সালের শেষ দিকে মুক্তিযুদ্ধকালীন ১ নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার বর্তমান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে সব কিছু বলার পর তিনি আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেন। ২০১০ সালের ৭ মার্চ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সাময়িক সনদপত্র দেয়।

বাঁশখালী মৌজায় আমাদের যেটুকু সম্পত্তি ছিল তাও নদীতে বিলীন হয়ে যায়। পরে ভাইবোন নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৬ শতক জায়গায় দখল স্বত্বে কিনে টিনশেডের একটি ঘর করি। সেখানেই চার ছেলে, চার মেয়ে নিয়ে জীবন পার করে দিলাম। এখন বিভিন্ন সমস্যার কারনে সেই জায়গায়ও বসবাস করতে পারছি না।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, সরকার তিন ক্যাটাগরিতে ঘর তৈরি করে দিচ্ছে। ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধা যোগ্যশ্বরের বিষয়ে তিনি কোনো তালিকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, স্থানীয় প্রশাসন থেকে পাননি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত