শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / মুক্তিযুদ্ধ / বান্দরবানে ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়লেন

বান্দরবানে ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়লেন

প্রকাশিত: ২০১৭-০২-১৯ ২২:৩৩:০০

ডেইলি সিএইচটি ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরে সরকারী সুবিধা ভোগকারী যাচাই বাছাইয়ে তালিকা থেকে ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়ছেনে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বপক্ষে যথার্থ তথ্য প্রমাণাদী দেখাতে না পারায় সাবেক উপজেলা কমান্ডার’সহ আরও ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা অপেক্ষমান তালিকায় রয়েছেন। নতুন আবেদনকারীদের মধ্যে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম মো. মাহাবুবুর রহমানের নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্ত করার সুপারিশ করেছে যাচাই বাছাই কমিটি। শুক্রবার জেলা প্রশাসন কার্যালয় মিলনায়তনে ছয় সদস্যের যাচাই বাছাই কমিটির সভায় বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হয়।

প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধারা জানায়, শুক্রবার মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের তত্বাবধানে বান্দরবানের মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই কমিটির সভা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে করা হয়। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মাকসুদ চৌধুরী, ঢাকা মন্ত্রণালয় নিযুক্ত প্রতিনিধি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, মৃদুল কান্তি সরকার, মুক্তিযোদ্ধা রাজা মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বপক্ষে তথ্য প্রমাণাদী এবং স্বাক্ষী না থাকায় মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা এবং সরকারী সুযোগ সুবিধা ভোগকারী ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা। এরা হলেন আলী আহম্মদ, আলী আকবর, আব্দুল জলিল, সুশীল বড়ুয়া, আবুল হোসেন, মো. ইমাইল, মো. সোলেমান, এস্তাফ মিয়া, মনোরঞ্জন বড়ুয়া এবং সাধন বড়ুয়া।

অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বপক্ষে উপস্থাপন করা তথ্য প্রমাণাদীতে গড়মিল থাকায় অপেক্ষমান তালিকায় আছেন একজন সাবেক উপজেলা কমান্ডার’সহ ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। এরা হলেন সাবেক সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের কমান্ডার সত্যন্দ্র মজুমদার, মো. শফিকুর রহমান, সেলিম আহমেদ চৌধুরী, কাজল কান্তি বিশ্বাস, সামশুল ইসলাম সিকদার, শুকুমার বড়ুয়া, কল্যানী রানী ভট্টাচার্য। তবে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চার উপজেলা থেকে নতুন ৪৫ জন আবেদনকারীদের মধ্যে একজনের আবেদনপত্র গৃহিত হয়েছে। ইনি হচ্ছে বান্দরবান আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা জেলা সভাপতি মরহুম মাহাবুবুর রহমান।

যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা সদর উপজেলা ইউনিট কমান্ডার সফিকুর রহমান জানান, যাচাই বাছাই কমিটির সভায় তথ্য প্রমাণাদী দেখাতে না পারায় ১০ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এছাড়াও ৭ জন মুক্তিযোদ্ধার তথ্য প্রমাণে গড়মিল থাকায় কমিটি দ্বিধাবিভক্ত হিসেবে অপেক্ষমান তালিকা রেখেছেন। সভায় নেয়া সিদ্ধান্তগুলো মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশনামা সহ জমা দেয়া হবে। তবে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান থাকায় লামা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই হয়নি।

অপরদিকে তালিকা থেকে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধারা আদালতের আশ্রয় নেয়ার কথা জানিয়েছেন। বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল ও মুক্তিযোদ্ধা আলী আহমদের সন্তান জাফর আলম বলেন, মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আমাদের নাম রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পরিবার মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারী সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছেন। হঠাৎ যাচাই বাছাই কমিটির একতরফা সিদ্ধান্ত আমরা মানিনা। এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নেব।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত