শিরোনাম

  নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ   আগামীকাল এইচএসসির ফল প্রকাশ হবে   নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম শতবার্ষিকী আজ   চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসেই মিলবে হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র   উ. কোরিয়াকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদানে অংশ নিতে প্রস্তুত রাশিয়া   রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ নেতা রাহেলকে ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত   এবার খাগড়াছড়িতে সেটেলার কর্তৃক আদিবাসী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ   দেশে ছয় মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৯২: মহিলা পরিষদ   ফ্রান্সে বিশ্বকাপ বিজয় উল্লাস করতে গিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ-লুটপাট, নিহত ২   মিয়ানমারে জাতিগত ৩ গ্রুপের বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ পালিয়েছে   নির্বাচন আসছে, সংখ্যালঘুদের মধ্যে চিন্তা বাড়ছে: জাফর ইকবাল   ডুবুরী সানামের জন্য শোক ও মঙ্গলকামনা করেছেন গুহায় আটকা পড়া কিশোররা
প্রচ্ছদ / মুক্তিযুদ্ধ / বান্দরবানে ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়লেন

বান্দরবানে ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়লেন

প্রকাশিত: ২০১৭-০২-১৯ ২২:৩৩:০০

ডেইলি সিএইচটি ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরে সরকারী সুবিধা ভোগকারী যাচাই বাছাইয়ে তালিকা থেকে ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়ছেনে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বপক্ষে যথার্থ তথ্য প্রমাণাদী দেখাতে না পারায় সাবেক উপজেলা কমান্ডার’সহ আরও ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা অপেক্ষমান তালিকায় রয়েছেন। নতুন আবেদনকারীদের মধ্যে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম মো. মাহাবুবুর রহমানের নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্ত করার সুপারিশ করেছে যাচাই বাছাই কমিটি। শুক্রবার জেলা প্রশাসন কার্যালয় মিলনায়তনে ছয় সদস্যের যাচাই বাছাই কমিটির সভায় বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হয়।

প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধারা জানায়, শুক্রবার মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের তত্বাবধানে বান্দরবানের মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই কমিটির সভা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে করা হয়। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মাকসুদ চৌধুরী, ঢাকা মন্ত্রণালয় নিযুক্ত প্রতিনিধি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, মৃদুল কান্তি সরকার, মুক্তিযোদ্ধা রাজা মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বপক্ষে তথ্য প্রমাণাদী এবং স্বাক্ষী না থাকায় মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা এবং সরকারী সুযোগ সুবিধা ভোগকারী ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা। এরা হলেন আলী আহম্মদ, আলী আকবর, আব্দুল জলিল, সুশীল বড়ুয়া, আবুল হোসেন, মো. ইমাইল, মো. সোলেমান, এস্তাফ মিয়া, মনোরঞ্জন বড়ুয়া এবং সাধন বড়ুয়া।

অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বপক্ষে উপস্থাপন করা তথ্য প্রমাণাদীতে গড়মিল থাকায় অপেক্ষমান তালিকায় আছেন একজন সাবেক উপজেলা কমান্ডার’সহ ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। এরা হলেন সাবেক সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের কমান্ডার সত্যন্দ্র মজুমদার, মো. শফিকুর রহমান, সেলিম আহমেদ চৌধুরী, কাজল কান্তি বিশ্বাস, সামশুল ইসলাম সিকদার, শুকুমার বড়ুয়া, কল্যানী রানী ভট্টাচার্য। তবে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চার উপজেলা থেকে নতুন ৪৫ জন আবেদনকারীদের মধ্যে একজনের আবেদনপত্র গৃহিত হয়েছে। ইনি হচ্ছে বান্দরবান আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা জেলা সভাপতি মরহুম মাহাবুবুর রহমান।

যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা সদর উপজেলা ইউনিট কমান্ডার সফিকুর রহমান জানান, যাচাই বাছাই কমিটির সভায় তথ্য প্রমাণাদী দেখাতে না পারায় ১০ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এছাড়াও ৭ জন মুক্তিযোদ্ধার তথ্য প্রমাণে গড়মিল থাকায় কমিটি দ্বিধাবিভক্ত হিসেবে অপেক্ষমান তালিকা রেখেছেন। সভায় নেয়া সিদ্ধান্তগুলো মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশনামা সহ জমা দেয়া হবে। তবে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান থাকায় লামা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই হয়নি।

অপরদিকে তালিকা থেকে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধারা আদালতের আশ্রয় নেয়ার কথা জানিয়েছেন। বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল ও মুক্তিযোদ্ধা আলী আহমদের সন্তান জাফর আলম বলেন, মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আমাদের নাম রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পরিবার মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারী সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছেন। হঠাৎ যাচাই বাছাই কমিটির একতরফা সিদ্ধান্ত আমরা মানিনা। এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নেব।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত