শিরোনাম

  ভিয়েতনামে বন্যায় ২০ জনের মৃত্যু , ১ লাখ ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল বিনষ্ট   দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা   ছাত্রলীগকে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছেন: কাদের   থানকুনি পাতার জাদুকরি উপকারিতা   চট্টগ্রাম কর্ণফুলীতে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, গ্রেফতার ৩   পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী   চিকিৎসা খাতে নতুন আবিষ্কার রঙিন ও থ্রি-ডি এক্স-রে   গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেঁদেছেন প্রধানমন্ত্রী   না ফেরার দেশে রাজীব মীর   নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ   আগামীকাল এইচএসসির ফল প্রকাশ হবে   নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম শতবার্ষিকী আজ
প্রচ্ছদ / তথ্য-প্রযুক্তি / সাইবার দস্যুরা চাইছে বিটকয়েন, এটি কী?

সাইবার দস্যুরা চাইছে বিটকয়েন, এটি কী?

প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-১৭ ২৩:২১:৫৬

   আপডেট: ২০১৭-০৫-১৭ ২৩:২৬:৩৬

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে সাইবার দস্যুর হামলার খবর এখন নতুন কিছু নয়, বরং বলা যায়, টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড।

গত শুক্রবার থেকে সাইবার হামলায় এ পর্যন্তএশিয়া-ইউরোপের ১০০টি দেশের তিন লাখেরওও বেশি কম্পিউটার আক্রান্ত হয়েছে। এতে বহু কম্পিউটারের ফাইল ব্যবহারকারীদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। মুক্তিপণের বিনিময়ে ছাড় দেওয়ার এই ধরনের ভাইরাসকে সাইবার জগতে বলা হয় ‘র‌্যানসমওয়্যার’। সেই ভাইরাস ভেদ করার কোড জানানোর জন্য মাথাপিছু ৩০০ ডলার বিটকয়েন করে চেয়েছে অপরাধীরা।

কিন্তু কী এই বিটকয়েন? আসুন জেনে নেয়া যাক।

বিটকয়েন কী?

বিটকয়েন হলো এক ধরনের ডিজিটাল বা সাঙ্কেতিক মুদ্রা (ক্রিপ্টো কারেন্সি)। ডলার কিংবা ইউরোর বিনিময়ে বিটকয়েন কেনা-বেচা যায়। ঠিক অন্যান্য দেশের মুদ্রার মতোই। এটি অনলাইন ওয়ালেটে জমিয়ে রাখা যায়। অনলাইনে বিটকয়েন খরচ করে পাওয়া যায় বাস্তবের বিভিন্ন ধরনের পরিষেবাও।

বিটকয়েনে আলাদা কী রয়েছে?

বিটকয়েন লেনদেনের জন্য কোনো ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা নিয়ন্ত্রণকারী কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় না। যেহেতু লেনদেনের জন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন পড়ে না এবং এর লেনদেনের গতিবিধি কোনোভাবেই অনুসরণ করা যায় না, তাই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিটকয়েন ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। হ্যাকাররা সেই কারণেই বিটকয়েনের সাহায্যে পণ আদায় করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

বিটকয়েন কীভাবে কাজ করে?

• বিটকয়েনের লেনদেন হয় গ্রাহক থেকে গ্রাহকের কম্পিউটারে। এটি কোনো সেন্ট্রাল ক্লিয়ারেন্স হাউজের (যে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের চেক এবং আর্থিক লেনদেন হয়) নজরদারির মধ্য দিয়ে যায় না। কিংবা নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানও নেই। বিটকয়েনের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় অনলাইনে একটি উন্মুক্ত সোর্স সফটওয়্যারের মাধ্যমে।

• বিটকয়েন মাইনারের মাধ্যমে যে কেউ বিটকয়েন তৈরি করতে পারে। এটি তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াটি সব সময় অনুমানযোগ্য ও সীমিত। বিটকয়েন তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি গ্রাহকের ডিজিটাল ওয়ালেটে সংরক্ষিত থাকে। এই সংরক্ষিত বিটকয়েন গ্রাহক অন্য কারও অ্যাকাউন্টে পাঠালে এই লেনদেনের জন্য একটি স্বতন্ত্র ইলেক্ট্রনিক সিগনেচার তৈরি হয়ে যায়, যা নেটওয়ার্কের মধ্যে গোপন অথচ সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষিত হয়। একই সঙ্গে গ্রাহকদের সেই সময়ের লেজার সেন্ট্রাল ডাটাবেস বা অনলাইনে হিসেব-সংক্রান্ত তথ্যাবলী আপডেটেড হতে থাকে।

• বিটকয়েন দিয়ে কোনো পণ্য কেনা হলে তা বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয় এবং বিক্রেতা পরে সেই বিটকয়েন দিয়ে পুনরায় পণ্য কিনতে পারে। অন্য দিকে সমপরিমাণ বিটকয়েন ক্রেতার লেজার থেকে কমিয়ে দেয়া হয়। প্রত্যেক চার বছর অন্তর বিটকয়েনের মোট সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করা হয়, যাতে বাস্তব মুদ্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা যায়।

বিটকয়েনের লোভে সাইবার ক্রাইম অনেকটা বেড়ে গিয়েছে বলে অভিমত বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা সংস্থার। এর থেকে পুরোপুরি নিস্তার মেলার উপায় এখনও কেউই বাতলাতে পারেননি। কিন্তু একটি সম্ভাবনার দিক খোলা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিটকয়েনে লেনদেনকারীদের পরিচয় সম্পর্কে জানা না গেলেও, গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টের লেনদেন নিয়ে তদন্ত চালালে, বিটকয়েনের গতিবিধি সম্পর্কে জানা যাবে। এবং এর থেকে অপরাধীদের গতিবিধি সম্পর্কেও জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

আপনার মন্তব্য

আলোচিত