শিরোনাম

  বিএনপিকে আবারো সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে কানাডার আদালত   ৮০ বছর বয়সে প্রথম ভোট দিলেন   সীতাকুণ্ডে দুই আদিবাসী কিশোরীর খুনিদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি   গবেষণার কাজে ব্যবহার উদ্দেশ্যে মরণোত্তর দেহদান করলেন তসলিমা নাসরিন   প্রাথমিকে এক লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ   আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত দল ঘোষণা   মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে নিহত আরো ১১   খাগড়াছড়িতে গুলি করে ১ জনকে হত্যা, দু পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়   দুই আদিবাসী ত্রিপুরা কিশোরী হত্যাকান্ডের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান চাকমা রাণী   আদিবাসীদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের মুখে আবারো ব্যর্থ হয়েছে সেটেলারদের দখলবাজি প্রচেষ্টা   ত্রিপুরা রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা, পানির নিচে ৩ হাজার বাড়ি   বান্দরবানে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সময় মাটি চাপায় ৫ জন নিহত   অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক : সুলতানা কামাল   কক্ষপথে পৌঁছাল বাংলাদেশ   আজ ২০ মে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের ২৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   প্রিন্স হ্যারির রাজকীয় বিয়ের ছবি   সীতাকুন্ডে দুই আদিবাসী কন্যা শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন   দুই আদিবাসী কিশোরী হত্যাকারী আবুল হোসেনের ফাঁসির দাবি   প্রেমের প্রস্তাবে ব্যর্থ হয়ে আবুল হোসেন দুই আদিবাসী কিশোরীকে হত্যা করেছে   সীতাকুণ্ডে ২ আদিবাসীকে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যায় মামলা
প্রচ্ছদ / ফিচার / ত্রিপুরা রাজ্যের রিংকি চাকমার সম্পর্কে জানুন

ত্রিপুরা রাজ্যের রিংকি চাকমার সম্পর্কে জানুন

প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-২৯ ১৭:৩৫:২৩

অনলাইন রিপোর্ট

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের চাকমা সম্প্রদায়ের ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ২০১৭ হিসেবে অংশ নেওয়া মিস রিংকি চাকমার সম্পর্কে সম্প্রতি একটি ভিডিও "সুন্দরী প্রদর্শনী তথা Beauty Pageants" ইউটিউবে প্রকাশ পেয়েছে।

ভিডিও তে দেখা যায় রিংকি চাকমা নিজের সম্পর্কে এবং তার বসবাসরত ত্রিপুরাজ্যের ঐতিহ্য,সংস্কৃতি,অর্থনীতি , ইতিহাস ইত্যাদি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরেন।

ত্রিপুরা উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য। এই রাজ্যের আয়তন ১০,৪৯১.৬৯ বর্গকিলোমিটার, এবং এটি ভারতের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য । ত্রিপুরা উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র কর্তৃক বেষ্টিত; রাজ্যের পূর্বভাগে ভারতের অপর দুই রাজ্য অসম ও মিজোরাম অবস্থিত। এই রাজ্যের রাজধানী আগরতলা। রাজ্যের সরকারি ভাষা বাংলা ও ককবরক। পূর্বে ত্রিপুরা ছিল একটি স্বাধীন করদ রাজ্য।১৯৪৯ সালের ১৫ অক্টোবর ত্রিপুরা অন্তর্ভুক্তি চুক্তি অনুসারে এই রাজ্য সদ্যস্বাধীনতাপ্রাপ্ত ভারতীয় অধিরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ শাসনকালে এই রাজ্য পার্বত্য ত্রিপুরা (Hill Tippera) নামে পরিচিতি ছিল।

ত্রিপুরার অধিকাংশ মানুষই কৃষিজীবী এবং ত্রিপুরার জনসংখ্যার ৬৪ শতাংশই কৃষির সাথে যুক্ত। পণ্যফসলের তুলনায় ত্রিপুরায় খাদ্যফসল উৎপাদনের পরিমাণই অধিক। ত্রিপুরায় উৎপন্ন প্রধান খাদ্যফসলগুলি হল ধান, তৈলবীজ, ডাল, আলু এবং আখ। চা ও রাবার হল রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পণ্যফসল।

ত্রিপুরার চিত্রবৎ পরিবেশ সবুজ উপত্যকা, পাহাড়ী স্রোত, পাহাড় এবং উপত্যকা দ্বারা পরিবেষ্ঠিত। ত্রিপুরার জনপ্রিয় আকর্ষণ স্থলগুলি হল কমলাসাগর হ্রদ, ডামবুর হ্রদ, উজ্জায়ান্তা প্রাসাদ, নীড়মহল, কুঞ্জবন প্রাসাদ, ত্রিপুরা সরকারী যাদুঘর, জাম্পুই পাহাড় ইত্যাদি।

ত্রিপুরার সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীয় সম্প্রদায় হল হিন্দু (মোট জনসংখ্যার ৮৫.৬%)। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মুসলিম (৮.০%), খ্রিস্টান (৩.২%) এবং বৌদ্ধ (৩.১%)।

ত্রিপুরার মন্দির

ত্রিপুরার মন্দিরগুলি হল এই রাজ্যের পর্যটনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ত্রিপুরার মন্দিরগুলি তাদের স্থাপত্য এবং ভাস্কর্য-এর জন্য সুপরিচিত এবং সারা বিশ্বের হাজার হাজার পর্যটকদের আকর্ষিত করে।

ভুবনেশ্বরী মন্দির:ভুবনেশ্বরী মন্দিরটি গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত যা ত্রিপুরার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্দির। ১৬৬০-১৬৭৫ সালে মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য দ্বারা ত্রিপুরার ভুবনেশ্বরী মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। মন্দিরটি তার নিদারুণ স্থাপত্যকর্মের জন্য সুপরিচিত। মন্দিরের ছাদ, কেন্দ্রস্থলের চূড়া এবং প্রবেশপথ চার চালা শৈলী বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। নোবেল জয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘রাজর্ষি’ এবং ‘বিসর্জন’ এর প্রেক্ষাপট হিসেবে এই মন্দিরটি ব্যবহৃত হয়েছিল।

ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির:হিন্দুদের ৫১ টি পীঠস্থানের একটি হল এই ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির। বাংলা-কুটির শৈলীতে নির্মিত ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরটি আগরতলা থেকে প্রায় 55 কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। মন্দিরগৃহে দুটি একরূপী দেবী রয়েছে, যারা ত্রিপুরা সুন্দরী এবং ছোটি মা নামে পরিচিত। এছাড়াও ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরটি ‘কূর্ম পিঠ’ নামে পরিচিত, যেহেতু মন্দির প্রাঙ্গণটি অবিকল ‘কূর্ম'(কচ্ছপ)-এর মতন।

কমলাসাগর কালী মন্দির:কমলাসাগর কালী মন্দিরটি কসবা কালী বাড়ি নামেও পরিচিত এবং এটি আগরতলা থেকে প্রায় 27 কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। ত্রিপুরার সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটনস্থানের একটি হল কমলাসাগর কালী মন্দির যা বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত। মন্দিরগৃহে অবস্থিত দেবীর ভাবমূর্তিকে মহিষমর্দিনীর অনুরূপ হিসাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে। কমলাসাগর কালী মন্দিরটি ১৭ শতাব্দীর পূর্বে গঠিত হয়েছিল এবং এটি কমলাসাগর নামক ক্ষুদ্র পাহাড়ের উপর অবস্থিত।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত