শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / রোহিঙ্গারা যাতে নির্বাচনে ভোট দিতে না পারে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্যাপক সতর্কতা

রোহিঙ্গারা যাতে নির্বাচনে ভোট দিতে না পারে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্যাপক সতর্কতা

প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১৯ ১৭:০১:০৩

ফাইল ছবি।

নিউজ ডেস্ক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পগুলোতে টহল ও নজরদারি বাড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্বাচনে ব্যবহার করা হতে পারে এমন আশঙ্কায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ক্যাম্পে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে শুধু চিকিৎসা ছাড়া অন্য কোনো কারণে আশ্রয় শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের বের হওয়া নিয়েও কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

মিয়ানমারের সেনাদের অত্যাচার-নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে দেশটির রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে।

সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিদেশি অতিথিদের ভ্রমণও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেননা সাধারণত স্পর্শকাতর ওই এলাকায় ভ্রমণে সরকার বিদেশিদের বাড়তি নিরাপত্তা দেয়। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করায় বিদেশিদের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা কঠিন।

টেকনাফের এক জনপ্রতিনিধি জানান, এর আগে স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দিতে এসে কয়েকজন রোহিঙ্গা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিল।

জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে আগে আনসার বাহিনী নিয়োজিত থাকলেও এখন পুলিশ, র‌্যাব এমনকি বিজিবিও টহল দিচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতাদেরও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আবদুল মতলব বলেন, নির্বাচনী প্রচারণাসহ কোনো ধরনের কর্মকাণ্ডে যাতে কোনো রোহিঙ্গা সম্পৃক্ত না হয় সে বিষয়ে তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সব রোহিঙ্গার কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের নিদের্শনা অনুযায়ী তার চলছেন।

সাবেক এমপি ও টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়ার মতো না। কেননা একটি চক্র রোহিঙ্গাদের ব্যবহারের সুযোগ খুঁজে আসছে। তবে সরকার এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) প্রতিনিধি ও টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কর্মকর্তা আবু হান্‌নান জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচনে যাতে কোনো পক্ষ রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে কড়া নির্দেশনা রয়েছে। নির্বাচনের কয়েক দিন আগ থেকে কাউকে ক্যাম্প থেকে বের হতে দেওয়া হবে না।

র‌্যাব-৭ টেকনাফ ক্যাম্প ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহাতাব বলেন, নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে কেউ যেন ফায়দা নিতে না পারে সেজন্য ক্যাম্পে র‌্যাবের দুটি টিম কাজ করছে। নির্বাচনে রোহিঙ্গারা যাতে কোনোভাবেই সমস্যা হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে র‌্যাব।

নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুর রব বলেন, প্রতিদিন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ বাহিনীর তিনটি দল টহল দিচ্ছে।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল হাসান বলেন, কোনোভাবেই রোহিঙ্গাদের নির্বাচনে সম্পৃক্ত হতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনে নির্বাচনের সময় ক্যাম্প থেকে কোনো রোহিঙ্গাকে বের হতে দেওয়া হবে না।

সূত্রঃ সমকাল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত