শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা ছাত্রীর হত্যা মামলায় ৩ জন সেটেলার আটক

খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা ছাত্রীর হত্যা মামলায় ৩ জন সেটেলার আটক

প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-৩০ ১৮:৫৭:৪২

   আপডেট: ২০১৮-০৭-৩০ ২২:৪৪:০৬

খাগড়াছড়ি >>

দীঘিনালায় পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী পুনাতি ত্রিপুরা কৃত্তিকাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন ৩ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ৩০ জুলাই সোমবার দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়।

অাটককৃতরা হলো, দীঘিনালার বড় মেরুং এলাকার মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে শাহ অালম (৩৩), একই এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৩২) ও মধ্য বোয়ালখালি এলাকার ফজর অালীর ছেলে মনির হোসেন (৩৮)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম সালাহউদ্দীন জানান, নিহতের মা অনুমতি ত্রিপুরা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। এরপর থেকে পুলিশ রহস্য উদঘাটনে মাঠে কাজ করছে। এ পর্যন্ত তিন জন যুববকে আটক করা হয়েছে। আটকদের দীঘিনালা থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

উল্লেখ্য, খাগড়াছড়িতে পুনাতি ত্রিপুরা নামে এক কিশোরীকে হত্যা করা হয়েছে।

২৮ জুলাই দীঘিনালা উপজেলার ৯ মাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিবার ও স্থানীয়দের ধারণা, তার মৃতদেহ যেভাবে উদ্ধার করা হয়েছে- তাকে ধর্ষণের পর হত্যা নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্র দ্বারা জখমের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান।

ঘটনাটি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সকালে পরিবারের লোকজন সবাই জুমের কাজে যায়। পুনাতি ত্রিপুরাও প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়ে চলে যায়। জুমের কাজ শেষে বিকালে পরিবারের লোকজন বাড়িতে এসে মেয়েটিকে না পেয়ে খোঁজাখুজি করতে থাকে। অনেক খোঁজাখুজির পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির নীচের ছড়ার পাশে তার ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের ধারণা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। শরীরে ধর্ষণের একাধিক চিহ্ন পাওয়া গেছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত