শিরোনাম

  প্রযুক্তি ফাঁদে পড়েছেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক   সেনাক্যাম্প কমান্ডার কর্তৃক জনপ্রতিনিধিদের উপর হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনায় জেএসএসের প্রতিবাদ   বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী   রোনালদোর গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল   ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবিতে নিখোঁজ ১৯২   চালু হলো বাইসাইকেল শেয়ারিং সেবা   আলজি দাধাহ || আলোময় চাকমা   বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি মেসির ভালোবাসা   জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল ত্যাগ যুক্তরাষ্ট্রের   পাহাড় ধস, পাহাড়িরা নয়, দায়ী মূলত সমতল থেকে নিয়ে যাওয়া বাঙালিরা : আবু সাদিক   কবি সুফিয়া কামালের ১০৭তম জন্মবার্ষিকী আজ   মিশরকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল রাশিয়া   পোল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে মাঠে নাচ দেখাল সেনেগাল   জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বরেণ্য শিক্ষাবিদ   এক সপ্তাহে পাহাড়ে ৩ জন আঞ্চলিক নেতাকর্মী খুন   অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০, নিহত ১   কলম্বিয়ার বিপক্ষে জাপানের জয়   চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মডেল তিথি বড়ুয়া নিহত   বাংলাদেশ থেকে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের দেশে ফিরলেন জার্মান তরুণী   খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রধান শিক্ষক দেবদাস চাকমাকে আটক করেছে পুলিশ
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / খাগড়াছড়িতে ডুবে আছে হাসপাতাল-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , আতঙ্ক কাটেনি এখনো

খাগড়াছড়িতে ডুবে আছে হাসপাতাল-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , আতঙ্ক কাটেনি এখনো

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১৩ ২১:৪০:২৮

খাগড়াছড়ি জেলা সদর ও মহালছড়ির বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও জেলার দীঘিনালার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ছবি : ফোকাস বাংলা

অনলাইন ডেস্ক

পাহাড়ে গত তিন দিন টানা বর্ষণের ফলে খাগড়াছড়ি জেলা সদর ও মহালছড়ির বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও জেলার দীঘিনালার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নে এখনো ডুবে আছে হাসপাতাল, পুলিশ ফাঁড়ি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মেরুং বাজারের তিন শতাধিক দোকানসহ ঘরবাড়ি।

দীঘিনালা উপজেলা চেয়ারম্যান নব কমল চাকমা জানান, দীঘিনালা উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকায় প্রায় তিন হাজার মানুষ মানতেবর জীবন কাটাচ্ছে। বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে ও স্বজনদের বাড়ীতে দুই হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। সেনাবাহিনীর সহায়তায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে।

টানা বর্ষণে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা খাগড়াছড়ি শহরের অধিকাংশ এলাকা ও মহালছড়ি উপজেলার পাঁচটি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে অন্তত চার হাজার মানুষ পানিবন্দী ও সহস্রাধিক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে এসেছে। পাহাড় ধসে মাটিচাপা পড়ে বেশ কিছু কাচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খাগড়াছড়ির পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের অফিসে পানি ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নষ্ট হয়ে যায়।

খাগড়াছড়ি জেলা সদর ও মহালছড়ির বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনো নিজবসত বাড়িতে ফিরতে পারেনি লোকজন। ভাসিয়ে নিয়ে গেছে কয়েকশত পুকুরের মাছ, গবাদি পশু ও ক্ষেতের ফসল। চেঙ্গী নদীর পানি কমার সঙ্গে নদীভাঙনের তীরবর্তী মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

বন্যার শুরু থেকে গত তিন দিন ধরে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সেবা বন্ধ রয়েছে। চাষ করা পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি ও দীঘিনালা-লংগদু সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। একইসঙ্গে নদীভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন মেরুংবাসী। আকস্মিক এই বন্যায় থমকে গেছে খাগড়াছড়িবাসীর ঈদ আনন্দ।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম জানান, পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করে সবার কাছে সাহার্য্য পৌঁছে দেওয়া হবে। 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত