শিরোনাম

  শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !   ভুটানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা   খাগড়াছড়িতে সেটেলার কর্তৃক পাহাড়ী নারীকে ধর্ষণ চেষ্ঠা   গুলো-গুলি || আলোময় চাকমা   বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা   মহালছড়িতে আবার ৩ গ্রামবাসীকে অপহরণ করেছে সন্ত্রাসীরা   আজ খালেদা জিয়ার জন্মদিন!   বাঙালির শোকের দিন আজ   বঙ্গবন্ধুর শোক দিবসে ২১০টি গরু জবাই দিয়ে কাঙালি ভোজ আয়োজন !   পিসিপি ২৬ তম কাউন্সিল ও ছাত্র সম্মেলন সম্পন্ন , নিপন ত্রিপুরাকে সভাপতি ও অমর শান্তি চাকমাকে সাধারণ সম্পাদক   পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন : অর্থনৈতিক না রাজনৈতিক সমস্যা ?   খাগড়াছড়িতে ৪ গ্রামবাসীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে   শান্তি চুক্তির পর পাহাড়ে যে উন্নয়ন হয়েছে তা টেলিটক থেকে মেসেজ করে আমরা পৌঁছে দেব : তারানা হালিম
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / খাগড়াছড়িতে ডুবে আছে হাসপাতাল-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , আতঙ্ক কাটেনি এখনো

খাগড়াছড়িতে ডুবে আছে হাসপাতাল-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , আতঙ্ক কাটেনি এখনো

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১৩ ২১:৪০:২৮

খাগড়াছড়ি জেলা সদর ও মহালছড়ির বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও জেলার দীঘিনালার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ছবি : ফোকাস বাংলা

অনলাইন ডেস্ক

পাহাড়ে গত তিন দিন টানা বর্ষণের ফলে খাগড়াছড়ি জেলা সদর ও মহালছড়ির বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও জেলার দীঘিনালার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নে এখনো ডুবে আছে হাসপাতাল, পুলিশ ফাঁড়ি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মেরুং বাজারের তিন শতাধিক দোকানসহ ঘরবাড়ি।

দীঘিনালা উপজেলা চেয়ারম্যান নব কমল চাকমা জানান, দীঘিনালা উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকায় প্রায় তিন হাজার মানুষ মানতেবর জীবন কাটাচ্ছে। বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে ও স্বজনদের বাড়ীতে দুই হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। সেনাবাহিনীর সহায়তায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে।

টানা বর্ষণে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা খাগড়াছড়ি শহরের অধিকাংশ এলাকা ও মহালছড়ি উপজেলার পাঁচটি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে অন্তত চার হাজার মানুষ পানিবন্দী ও সহস্রাধিক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে এসেছে। পাহাড় ধসে মাটিচাপা পড়ে বেশ কিছু কাচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খাগড়াছড়ির পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের অফিসে পানি ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নষ্ট হয়ে যায়।

খাগড়াছড়ি জেলা সদর ও মহালছড়ির বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনো নিজবসত বাড়িতে ফিরতে পারেনি লোকজন। ভাসিয়ে নিয়ে গেছে কয়েকশত পুকুরের মাছ, গবাদি পশু ও ক্ষেতের ফসল। চেঙ্গী নদীর পানি কমার সঙ্গে নদীভাঙনের তীরবর্তী মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

বন্যার শুরু থেকে গত তিন দিন ধরে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সেবা বন্ধ রয়েছে। চাষ করা পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি ও দীঘিনালা-লংগদু সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। একইসঙ্গে নদীভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন মেরুংবাসী। আকস্মিক এই বন্যায় থমকে গেছে খাগড়াছড়িবাসীর ঈদ আনন্দ।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম জানান, পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করে সবার কাছে সাহার্য্য পৌঁছে দেওয়া হবে। 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত