শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / পানির নিচে খাগড়াছড়ি শহর, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

পানির নিচে খাগড়াছড়ি শহর, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১২ ২১:০৫:১৫

   আপডেট: ২০১৮-০৬-১২ ২১:১৮:২৭

ইউএনবি, খাগড়াছড়ি

টানা তিন দিনের প্রবল বর্ষণে খাগড়াছড়ি শহরের অধিকাংশ এলাকা ও মেরুং বাজার পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ে ধস নেমেছে, বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে সড়ক যোগাযোগ।

বর্ষণ অব্যাহত থাকায় চেঙ্গী নদী উপচে খাগড়াছড়ি শহর, শহরতলী ও আশপাশের অধিকাংশ গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। জেলা সদরের মুসলিমপাড়া, গঞ্জপাড়া, শান্তিনগর, বাঙ্গালকাঠি, গোলাবাড়ি, কমলছড়ি, খবংপুড়িয়া ও সিঙ্গিনালার বাসিন্দারা পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।

এদিকে চার শতাধিক পরিবার জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন।

টানা বর্ষণে খাগড়াছড়ি শহরের মেহেদীবাগ, বাস টার্মিনাল, শান্তিনগর, সবজি বাজার, গঞ্জপাড়া, মিলনপুর, মুসলিম পাড়া, ফুটবিল, মাস্টার পাড়া, শহীদ কাদের সড়ক, অর্পণা চৌধুরী পাড়া পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

অপর দিকে দীঘিনালা উপজেলার মেরুং বাজারের আড়াই শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পানির নিচে তলিয়ে আছে। সেই সাথে মেরুং ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামের পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। শতাধিক পরিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে।

সড়কে পানি উঠায় খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়ক ও দীঘিনালা-লংগদু সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।

পাহাড় ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক রাশেদুল ইসলাম জানান, জেলার কোথাও এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের পাহাড় ধসের খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে নিয়ে কাজ করতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি।  

আপনার মন্তব্য

আলোচিত