শিরোনাম

  প্রযুক্তি ফাঁদে পড়েছেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক   সেনাক্যাম্প কমান্ডার কর্তৃক জনপ্রতিনিধিদের উপর হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনায় জেএসএসের প্রতিবাদ   বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী   রোনালদোর গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল   ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবিতে নিখোঁজ ১৯২   চালু হলো বাইসাইকেল শেয়ারিং সেবা   আলজি দাধাহ || আলোময় চাকমা   বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি মেসির ভালোবাসা   জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল ত্যাগ যুক্তরাষ্ট্রের   পাহাড় ধস, পাহাড়িরা নয়, দায়ী মূলত সমতল থেকে নিয়ে যাওয়া বাঙালিরা : আবু সাদিক   কবি সুফিয়া কামালের ১০৭তম জন্মবার্ষিকী আজ   মিশরকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল রাশিয়া   পোল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে মাঠে নাচ দেখাল সেনেগাল   জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বরেণ্য শিক্ষাবিদ   এক সপ্তাহে পাহাড়ে ৩ জন আঞ্চলিক নেতাকর্মী খুন   অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০, নিহত ১   কলম্বিয়ার বিপক্ষে জাপানের জয়   চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মডেল তিথি বড়ুয়া নিহত   বাংলাদেশ থেকে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের দেশে ফিরলেন জার্মান তরুণী   খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রধান শিক্ষক দেবদাস চাকমাকে আটক করেছে পুলিশ
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / পাহাড় থেকে নেমে আসা পানিতে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা

পাহাড় থেকে নেমে আসা পানিতে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা

প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১২ ১৮:২১:৫৫

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রাম মহানগরীতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। একই অবস্থা জেলার অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও। ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। বের হলেই আবার ফেরার নিশ্চয়তা নেই। পানি ঢুকে পড়ার কারণে বহু বাসাবাড়িতে রান্নাও হচ্ছে না। ঘরের মধ্যেই কোমর পরিমাণ পানি।

মৌসুমের প্রথম অবিরাম বর্ষণে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে নগর ও উপজেলাজুড়ে। জেলার  হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, আনোয়ারা, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা রূপ নিয়েছে।

এসব উপজেলায় এক দিকে প্রবল বর্ষণ অন্যদিকে পাহাড়ি ঢল এবং বন্যার পানিতে ঘর-বাড়ি, হাটবাজার, অফিস-আদালতসহ সব কিছুই ডুবে গেছে।

নগরীর হালিশহর, আগ্রাবাদ, এশিয়ান হাইওয়ের ষোলশহর ২নং গেট থেকে মুরাদপুর, চান্দগাঁও, চকবাজার, কাপাসগোলা, বাদুরতলা, কেবি আমান আলী রোড, খাজা রোড, প্রবর্তক মোড়, আগ্রাবাদ সোনালী ব্যাংক কলোনি, সিডিএ, মুহুরীপাড়া, দাইয়াপাড়া, শান্তিবাগ ছোটপুল এবং বাকলিয়ার বিভিন্ন অংশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

রোববার দিবাগত রাত থেকে এসব এলাকায় বৃষ্টি বন্ধ হলে পানি কমে, আবার বৃষ্টি শুরু হলে পানি বেড়ে যায়। এ অবস্থাতেই রয়েছে ওসব এলাকার বাসিন্দারা। আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালেও হাঁটু পানি জমে আছে দুদিন ধরে।

চট্টগ্রাম আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত স্পষ্ট লঘুচাপটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে মৌসুমী নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। নিম্নচাপটি আরও উত্তর, উত্তর-পূর্ব দিক থেকে অগ্রসর হয়ে রোববার দিবাগত মধ্যরাতের দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ওপর দিয়ে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদফতর। পাশাপাশি ভারী বর্ষণের সাথে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর।

রাউজান থেকে আরফাত হোসাইন জানান, প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের চাপে ভেঙে গেছে রাউজানে হলদিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ডাবুয়া খালের উপর নির্মিত ব্রিজ। এতে ওই এলাকার যোগযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার বিকেলে ব্রিজটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে খালের মধ্যেই পড়ে যায়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত