শিরোনাম

  ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য মাতৃভাষায় পুস্তক প্রকাশনার বিধান রেখে খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা   সরকারী চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা না হলেও সমস্যা হবে না   রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু   দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি   দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে   আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলন ২০১৮ উদযাপন   ব্লগার বাচ্চু হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’ ২ জঙ্গি নিহত   জুমের বাম্পার ফলনে রাঙ্গামাটির চাষিদের মুখে হাসি   সরকারি চাকরিতে আদিবাসী কোটা বহাল দাবি জানাল আদিবাসীরা   আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশের এক মন্ত্রী দ্বারা হেনস্ত হওয়াতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নিন্দা   শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে   মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত   শহীদ আলফ্রেড সরেন হত্যার ১৮ বছর: হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জাতীয় আদিবাসী পরিষদের   ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা   সরকারী চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান মারা গেছেন   ঈদের ছুটি কাটানো হলোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার নিরীহ ধীরাজ চাকমার   খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনার জন্য জেএসএস(সংস্কারবাদী) ও নব্য মুখোশ বাহিনীকে দায়ী করেছে : ইউপিডিএফ   নানিয়ারচর থেকে খাগড়াছড়ি   খাগড়াছড়িতে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা !
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আদিবাসী নারীর ছবি চুরি করার অভিযোগ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আদিবাসী নারীর ছবি চুরি করার অভিযোগ

প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-১৩ ১০:৫০:২৭

   আপডেট: ২০১৮-০৪-১৩ ১০:৫৭:৪৭

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিজু, সাংগ্রাই,বিষু, বৈসু, বিহু, চাংক্রান-১৮ উপলক্ষে প্রকাশিত পোস্টারে বিনা অনুমতিতে ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহারের অভিযোগ ও পোস্টার দ্রুত প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন শান্তি দেবী তঞ্চঙ্গ্যা। গতকাল ১২ এপ্রিল গণমাধ্যমে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান তিনি।

বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের পোস্টারে ফুল ভাসানোর যে ছবিটি উপস্থাপন করেছেন সেটি শান্তি দেবীর তঞ্চগ্যার একান্ত ব্যক্তিগত ছবি। ছবিটি ব্যবহারের আগে ফটোগ্রাফার এবং তার কাছ থেকে কোন প্রকার অনুমতি নেয়া হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এহেন কর্মকান্ডকে দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শান্তি দেবী বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ছবিটি পোস্টারে প্রকাশ হওয়ায় মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্নতার শিকার হয়েছেন । পোস্টারে তাকে বিজ্ঞাপনের পণ্যের মত উপস্থাপন করা হয়েছে, তা একজন নারীর অধিকারকে খর্ব করেছে, যা সম্পূর্ণ মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল। শান্তি দেবী তঞ্চগ্যা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরো দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়ার আহবান জানিয়ে, দ্রুত পোস্টার প্রত্যাহার করে, বিনা অনুমতিতে ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইতে বলেন। অন্যথায়, সংবিধান মোতাবেক আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন বলেও জানান তিনি।

এছাড়াও পোস্টারে ব্যবহৃত ‘বৈসাবি’ শব্দ নিয়েও আপত্তির কথা জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এটিকে বৈষম্যমূলক শব্দ অভিহিত করে বলা হয়, ‘বৈসাবি’ শব্দটিতে মাত্র তিনটি আদিবাসী জাতিসত্তার(সরকারের ভাষ্যমতে) উৎসবের কথা উল্লেখ আছে। বস্তুত পাহাড়ে ভিন্ন ভাষাভাষি চৌদ্দটি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী রয়েছে। উক্ত শব্দটিতে অন্য সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের উৎসবের কথা না থাকায় স্বভাবত এটি জুম্মদের কাছে পরিচিত নয় এবং গ্রহণযোগ্যতাও নেই। পাহাড়ে ‘বৈসাবি’ নামে কোন সামাজিক উৎসবও নেই।’ এই শব্দটি জুম্মদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উপর আঘাতের প্রতীক এবং নিজস্ব স্বকীয়তাকে লুকিয়ে দেয়ার নীল নকশার অংশ এবং এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এদিকে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমন অমার্জিত ব্যবহারের পরিপ্রেক্ষিতে পাহাড়ের সচেতন মানুষের ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনুমতি ছাড়া তঞ্চগ্যা নারীর ছবি চুরি করে বিজ্ঞাপণের পণ্য হিসেবে ব্যবহার করায় আইনত দন্ডনীয় অপরাধ বলে মনে করছেন সমালোচকরা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত