শিরোনাম

  ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ   আগামীকাল এইচএসসির ফল প্রকাশ হবে   নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম শতবার্ষিকী আজ   চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসেই মিলবে হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র   উ. কোরিয়াকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদানে অংশ নিতে প্রস্তুত রাশিয়া   রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ নেতা রাহেলকে ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত   এবার খাগড়াছড়িতে সেটেলার কর্তৃক আদিবাসী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ   দেশে ছয় মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৯২: মহিলা পরিষদ   ফ্রান্সে বিশ্বকাপ বিজয় উল্লাস করতে গিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ-লুটপাট, নিহত ২   মিয়ানমারে জাতিগত ৩ গ্রুপের বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ পালিয়েছে   নির্বাচন আসছে, সংখ্যালঘুদের মধ্যে চিন্তা বাড়ছে: জাফর ইকবাল   ডুবুরী সানামের জন্য শোক ও মঙ্গলকামনা করেছেন গুহায় আটকা পড়া কিশোররা   আয়ারল্যান্ডে ‘হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের’ “অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের ডাক”
প্রচ্ছদ / চট্টগ্রাম / পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আদিবাসী নারীর ছবি চুরি করার অভিযোগ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আদিবাসী নারীর ছবি চুরি করার অভিযোগ

প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-১৩ ১০:৫০:২৭

   আপডেট: ২০১৮-০৪-১৩ ১০:৫৭:৪৭

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিজু, সাংগ্রাই,বিষু, বৈসু, বিহু, চাংক্রান-১৮ উপলক্ষে প্রকাশিত পোস্টারে বিনা অনুমতিতে ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহারের অভিযোগ ও পোস্টার দ্রুত প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন শান্তি দেবী তঞ্চঙ্গ্যা। গতকাল ১২ এপ্রিল গণমাধ্যমে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান তিনি।

বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের পোস্টারে ফুল ভাসানোর যে ছবিটি উপস্থাপন করেছেন সেটি শান্তি দেবীর তঞ্চগ্যার একান্ত ব্যক্তিগত ছবি। ছবিটি ব্যবহারের আগে ফটোগ্রাফার এবং তার কাছ থেকে কোন প্রকার অনুমতি নেয়া হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এহেন কর্মকান্ডকে দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শান্তি দেবী বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ছবিটি পোস্টারে প্রকাশ হওয়ায় মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্নতার শিকার হয়েছেন । পোস্টারে তাকে বিজ্ঞাপনের পণ্যের মত উপস্থাপন করা হয়েছে, তা একজন নারীর অধিকারকে খর্ব করেছে, যা সম্পূর্ণ মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল। শান্তি দেবী তঞ্চগ্যা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরো দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়ার আহবান জানিয়ে, দ্রুত পোস্টার প্রত্যাহার করে, বিনা অনুমতিতে ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইতে বলেন। অন্যথায়, সংবিধান মোতাবেক আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন বলেও জানান তিনি।

এছাড়াও পোস্টারে ব্যবহৃত ‘বৈসাবি’ শব্দ নিয়েও আপত্তির কথা জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এটিকে বৈষম্যমূলক শব্দ অভিহিত করে বলা হয়, ‘বৈসাবি’ শব্দটিতে মাত্র তিনটি আদিবাসী জাতিসত্তার(সরকারের ভাষ্যমতে) উৎসবের কথা উল্লেখ আছে। বস্তুত পাহাড়ে ভিন্ন ভাষাভাষি চৌদ্দটি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী রয়েছে। উক্ত শব্দটিতে অন্য সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের উৎসবের কথা না থাকায় স্বভাবত এটি জুম্মদের কাছে পরিচিত নয় এবং গ্রহণযোগ্যতাও নেই। পাহাড়ে ‘বৈসাবি’ নামে কোন সামাজিক উৎসবও নেই।’ এই শব্দটি জুম্মদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উপর আঘাতের প্রতীক এবং নিজস্ব স্বকীয়তাকে লুকিয়ে দেয়ার নীল নকশার অংশ এবং এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এদিকে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমন অমার্জিত ব্যবহারের পরিপ্রেক্ষিতে পাহাড়ের সচেতন মানুষের ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনুমতি ছাড়া তঞ্চগ্যা নারীর ছবি চুরি করে বিজ্ঞাপণের পণ্য হিসেবে ব্যবহার করায় আইনত দন্ডনীয় অপরাধ বলে মনে করছেন সমালোচকরা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত