শিরোনাম

  ঢাবি শিক্ষার্থী প্রকট চাকমাসহ ১৩ শিক্ষার্থী পেলেন জগন্নাথ হল স্বর্ণপদক   চট্টগ্রামসহ অনেক জায়গায় ভারী বর্ষণ হতে পারে   ভিয়েতনামে বন্যায় ২০ জনের মৃত্যু , ১ লাখ ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল বিনষ্ট   দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা   ছাত্রলীগকে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছেন: কাদের   থানকুনি পাতার জাদুকরি উপকারিতা   চট্টগ্রাম কর্ণফুলীতে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, গ্রেফতার ৩   পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী   চিকিৎসা খাতে নতুন আবিষ্কার রঙিন ও থ্রি-ডি এক্স-রে   গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেঁদেছেন প্রধানমন্ত্রী   না ফেরার দেশে রাজীব মীর   নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ
প্রচ্ছদ / ক্যাম্পাস / প্রশ্নপত্রে ধর্মীয় উসকানি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা

প্রশ্নপত্রে ধর্মীয় উসকানি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত: ২০১৭-১২-০৭ ১৪:০৬:৩৩

নিউজ ডেস্ক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা অনুষদে ‘আই’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ধর্মীয় উসকানির অভিযোগে দুই শিক্ষককে ১০ বছর সব ধরণের পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭৪তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সিন্ডিকেট সদস্য মো. মামুন আ. কাইউম।।

নিষেধাজ্ঞা পাওয়া শিক্ষকরা হলেন- চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান।

আইনগত বাধা না থাকলে অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের ডিনশিপ বাতিল এবং প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী শিক্ষক জিল্লুর রহমানকে ‘সহযোগী অধ্যাপক’ পদে পদোন্নতি নির্ধারিত সময়ের পাঁচ বছর পরে দেওয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয় বলে জানা গেছে।

গত ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত চারুকলা অনুষদের ‘আই’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার দুই নম্বর সেটের ৭৬ নম্বর প্রশ্নটি ছিল- ‘বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ কোনটি? উত্তরের জন্য দেওয়া চারটি অপশন ছিল- (ক) পবিত্র কুরআন শরীফ (খ) পবিত্র বাইবেল (গ) পবিত্র ইঞ্জিল (ঘ) গীতা। গীতার আগে ‘পবিত্র’ ছিল না।

একই সেটের ৪১ নম্বর প্রশ্নটি ছিল- ‘মুসলমান রোহিঙ্গাদের উপর মায়েনমারের সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা সশস্ত্র হামলা চালায় কত তারিখে?'

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকে এ দুটি ‘সাম্প্রদায়িক প্রশ্ন’ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

তখন এ ধরনের প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছিলেন চারুকলা অনুষদের ডিন মোস্তাফিজুর রহমান।

এর আগে গত ২৮ অক্টোবর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহাকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে অন্যদের মধ্যে ছিলেন- ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ, ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবু বকর মো. ইসমাইল ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।

কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

কমিটির সদস্য ও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল্লাহ বলেন, "আমাদেরকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার যে সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল, সে সময়ের মধ্যেই দিয়েছি। এখন সিন্ডিকেটে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেটা আমি বলতে পারব না।"

আপনার মন্তব্য

আলোচিত