শিরোনাম

  গত ৫ বছরে জেএসএস এমপি উন্নয়ন করতে পারেনি, যা করেছে আওয়ামীলীগ করেছে : দিপংকর তালুকদার   এখন থেকে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক   'বান্দরবানে বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই'   'নির্বাচনী প্রচারণায় রঙিন পোস্টার বা ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না'   ৫৮টি নিউজ পোর্টাল খুলে দিয়েছে বিটিআরসি   বুধবার থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী   বিএনপি ক্ষমতায় এলে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন করার চেষ্ঠা করবো: মনি স্বপন দেওয়ান   তিন পাহাড়ে নৌকা নিয়ে মাঠে দৌড়াবেন যারা   আগামীকাল খালেদা জিয়ার অগ্নিপরীক্ষা   হিরোকে জিরো বানানো এত সহজ নয়, সফল হিরো আলমের চ্যালেঞ্জ   খাগড়াছড়িতে বনের রাজা পেয়েছেন ইউপিডিএফের প্রার্থী নতুন কুমার চাকমা   বিশ্বের প্রথম উঁচু ভাস্কর্য 'চীনের স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধ'   আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস || আদিবাসীদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার অাহ্বান   বনের রাজা সিংহকে নিয়ে রাঙ্গামাটিতে দৌড়াবেন ঊষাতন তালুকদার   আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস   নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য যেসব মার্কা দেওয়া হচ্ছে...   নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় সকল প্রার্থীদের যা যা মেনে চলতে হবে   নির্বাচনে গাড়ি প্রতীক পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমরান এইচ সরকার   দেশে ৫৮টি নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি   পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য শেখ হাসিনাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত
প্রচ্ছদ / আর্টস / জাপানে সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দিরগুলো

জাপানে সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দিরগুলো

প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০৪ ১৭:২৩:১৫

   আপডেট: ২০১৮-১২-০৪ ১৯:০২:৪৪

>>

 পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্র জাপানে রয়েছে হাজার বছরের পুরোনো বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি।রয়েছে গ্রামঅঞ্চলে হাজার হাজার বৌদ্ধ মন্দির।

এক সংস্থার মতে, "প্রায় প্রতিটি জাপানি এলাকায় অন্তত একটি মন্দির রয়েছে।" মন্দিরগুলো সাধারণত হল ও কাঠামো পদ্ধতিতে বানানো।

প্রতিটি বৌদ্ধ মন্দিরে বুদ্ধের মূর্তি থাকে এবং প্রার্থনার জন্য আলাদা আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।

মন্দিরে রয়েছে ধর্মীয় চর্চার জন্য বড় বড় হল রুম। চলুন আজকে সংক্ষেপে দেখে নেওয়া যাক জাপানের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাতটি দর্শনীয় ও ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দির সম্পর্কে।

কিংকাকুজী মন্দির (কিওটো): এটি ১৩৯৭ সালে শোগুন বা সামরিক প্রধানের বাড়ি হিসাবে নির্মিত হয়েছিল। বিল্ডিংটি সোনালী রংয়ের আবৃত ছিল। এটিকে গোল্ডেন প্যাভিলিয়ন ও আখ্যা দেওয়া হয়।সরকারীভাবে রোকন-জি নামে পরিচিত। পরবর্তীতে এটি মন্দিরে রুপান্তর করা হয়। মূলত ভিলা থেকে মন্দির হওয়ার পিছনে অনেক কল্প-কাহিনী রয়েছে। ১৪৬৭-১৪৭৭ সালে প্যাভিলিয়ন আখ্যা পায়। ১৯৮৪ সালে মূল কাঠামোতে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। পরে ২০০৩ সাল থেকে আস্তে আস্তে পুনরুদ্ধার করা হয়। (১ং ফিচার ছবিটি সংযুক্ত)।

কিয়োমিজু-দেরা মন্দির (কিওটো): কিওটো শহরের পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এ মন্দিরটি। কিয়োটো শহরের সবচেয়ে দর্শনীয় মন্দির বলা হয়। এটি ভগবানের সম্মানের জন্য নির্মিত হয়েছিল। স্তন ক্যান্সার সচেতনতা, ঐতিহ্যগত অনুষ্ঠান, এবং বিভিন্ন স্তরের প্রযোজনাগুলির জন্য মন্দিরের মাঝে মাঝে গোলাপী রাতের আলো জ্বালানো সহ বিশেষ অনুষ্ঠানগুলি এখানে অনুষ্ঠিত হয়।

সেনসো-জি মন্দির (টোকিও): কথিত আছে, সুমিদা নদী থেকে দুই ভাই বারবার একটি প্রভুর মূর্তি ফিরে আনার চেষ্ঠা করেছিল।  কিন্তু স্থায়ী ভাবে ফিরে আনতে তাঁদের বার বার ব্যর্থ হতে হয়েছিল। কারণ যেখানে মূর্তিটি আনা হয় সেই মূর্তি আবার পরের দিন পুনরায় সে স্থানে চলে যায়। সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানটির মর্যাদার উদ্দেশ্যে মূলত সেনসো-জি মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। সবচেয়ে সন্ধ্যাবেলায় মন্দিরের চারিপাশে রাতের আলো আলোকসজ্জায় ঝলমলে দেখায়।

হুকুজি মন্দির (কামকুরা): কামকুরা অঞ্চলে অবস্থিত এই মন্দিরটি।বৌদ্ধধর্মের রিনজাই সম্প্রদায়ের কেনচো-জি স্কুলের একটি পুরানো মন্দির। সাধারণত বাঁশের বাগানের জন্য বিখ্যাত, এটি "বাঁশ মন্দির" হিসাবেও পরিচিত।

তোদাই-জি মন্দির (নারা): নারায় টডাই-জি মন্দির বিশ্বের বৃহত্তম কাঠের ভবন।  এখানে বুদ্ধের বিশাল একটি মূর্তি ঘর রয়েছে। মন্দিরটি "প্রাচীন নারার ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ" হিসাবে এক তালিকাভুক্ত এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবেও পরিচিত।