শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / আর্টস / জাপানে সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দিরগুলো

জাপানে সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দিরগুলো

প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০৪ ১৭:২৩:১৫

   আপডেট: ২০১৮-১২-০৪ ১৯:০২:৪৪

>>

 পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্র জাপানে রয়েছে হাজার বছরের পুরোনো বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি।রয়েছে গ্রামঅঞ্চলে হাজার হাজার বৌদ্ধ মন্দির।

এক সংস্থার মতে, "প্রায় প্রতিটি জাপানি এলাকায় অন্তত একটি মন্দির রয়েছে।" মন্দিরগুলো সাধারণত হল ও কাঠামো পদ্ধতিতে বানানো।

প্রতিটি বৌদ্ধ মন্দিরে বুদ্ধের মূর্তি থাকে এবং প্রার্থনার জন্য আলাদা আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।

মন্দিরে রয়েছে ধর্মীয় চর্চার জন্য বড় বড় হল রুম। চলুন আজকে সংক্ষেপে দেখে নেওয়া যাক জাপানের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাতটি দর্শনীয় ও ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দির সম্পর্কে।

কিংকাকুজী মন্দির (কিওটো): এটি ১৩৯৭ সালে শোগুন বা সামরিক প্রধানের বাড়ি হিসাবে নির্মিত হয়েছিল। বিল্ডিংটি সোনালী রংয়ের আবৃত ছিল। এটিকে গোল্ডেন প্যাভিলিয়ন ও আখ্যা দেওয়া হয়।সরকারীভাবে রোকন-জি নামে পরিচিত। পরবর্তীতে এটি মন্দিরে রুপান্তর করা হয়। মূলত ভিলা থেকে মন্দির হওয়ার পিছনে অনেক কল্প-কাহিনী রয়েছে। ১৪৬৭-১৪৭৭ সালে প্যাভিলিয়ন আখ্যা পায়। ১৯৮৪ সালে মূল কাঠামোতে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। পরে ২০০৩ সাল থেকে আস্তে আস্তে পুনরুদ্ধার করা হয়। (১ং ফিচার ছবিটি সংযুক্ত)।

কিয়োমিজু-দেরা মন্দির (কিওটো): কিওটো শহরের পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এ মন্দিরটি। কিয়োটো শহরের সবচেয়ে দর্শনীয় মন্দির বলা হয়। এটি ভগবানের সম্মানের জন্য নির্মিত হয়েছিল। স্তন ক্যান্সার সচেতনতা, ঐতিহ্যগত অনুষ্ঠান, এবং বিভিন্ন স্তরের প্রযোজনাগুলির জন্য মন্দিরের মাঝে মাঝে গোলাপী রাতের আলো জ্বালানো সহ বিশেষ অনুষ্ঠানগুলি এখানে অনুষ্ঠিত হয়।

সেনসো-জি মন্দির (টোকিও): কথিত আছে, সুমিদা নদী থেকে দুই ভাই বারবার একটি প্রভুর মূর্তি ফিরে আনার চেষ্ঠা করেছিল।  কিন্তু স্থায়ী ভাবে ফিরে আনতে তাঁদের বার বার ব্যর্থ হতে হয়েছিল। কারণ যেখানে মূর্তিটি আনা হয় সেই মূর্তি আবার পরের দিন পুনরায় সে স্থানে চলে যায়। সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানটির মর্যাদার উদ্দেশ্যে মূলত সেনসো-জি মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। সবচেয়ে সন্ধ্যাবেলায় মন্দিরের চারিপাশে রাতের আলো আলোকসজ্জায় ঝলমলে দেখায়।

হুকুজি মন্দির (কামকুরা): কামকুরা অঞ্চলে অবস্থিত এই মন্দিরটি।বৌদ্ধধর্মের রিনজাই সম্প্রদায়ের কেনচো-জি স্কুলের একটি পুরানো মন্দির। সাধারণত বাঁশের বাগানের জন্য বিখ্যাত, এটি "বাঁশ মন্দির" হিসাবেও পরিচিত।

তোদাই-জি মন্দির (নারা): নারায় টডাই-জি মন্দির বিশ্বের বৃহত্তম কাঠের ভবন।  এখানে বুদ্ধের বিশাল একটি মূর্তি ঘর রয়েছে। মন্দিরটি "প্রাচীন নারার ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ" হিসাবে এক তালিকাভুক্ত এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবেও পরিচিত।