শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / আর্টস / শ্রীমঙ্গলে গারো আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী 'ওয়ানগালা' উৎসব

শ্রীমঙ্গলে গারো আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী 'ওয়ানগালা' উৎসব

প্রকাশিত: ২০১৮-১১-১১ ২৩:০২:১৮

নিউজ ডেস্ক

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ফুলছড়া (গারো লাইন) এলাকায় নৃতাত্ত্বিক আদিবাসী জনগোষ্ঠী ‘গারো’ সম্প্রদায়ে’র প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব ওয়ানগালা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১১ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ফুলছড়া চা বাগান মাঠে শ্রীচুক গারো যুব সংগঠন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

গারো সম্প্রদায়ের দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। এ দিকে দুপুরে ওয়ানগালার মূল প্রবন্ধ পাঠ, আলোচনা এবং স্বাগত বক্তব্য দেওয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন খ্রিস্টান ধর্মযাজকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে ওয়ানগালার নাগড়া, আদুরী, দামা ও মোমবাতি প্রজ্বলন  এবং সবশেষে গারোদের নিজস্ব কৃষ্টির সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ওয়ানগালা আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, গারো পাহাড়ি এলাকায় একসময় জুম চাষ হতো এবং বছরে মাত্র একটি ফসল হতো। তখন ওই জুম বা ধান ঘরে ওঠানোর সময় গারোদের শস্য দেবতা 'মিসি সালজংকে উৎসর্গ করে এ উৎসবের আয়োজন করা হতো।

মূলত গারোরা ছিল প্রকৃতিপূজারী কিন্তু কালের পরিক্রমায় গারোরা ধীরে ধীরে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পর তাদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক প্রথাটি এখন ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে একত্রে পালন করা হয়। এক সময় তারা তাদের শস্য দেবতা মিসি সালজংকে উৎসর্গ করে ‘ওয়ানগালা’ পালন করলেও এখন তারা নতুন ফসল কেটে যিশু খ্রিস্ট বা ঈশ্বরকে উৎসর্গ করে 'ওয়ানগালা' পালন করে থাকেন।

'ওয়ানগালা' অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য খ্রিস্টভক্ত গারাগানজিং, কতচু, রুগা, মমিন, বাবিল, দোয়াল, মাতচি, মিগাম, চিবক, আচদং, সাংমা, মাতাবেং ও আরেং নামে ১২টি গোত্রের গারো সম্প্রদায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত