শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / আর্টস / ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষের আমন্ত্রণে চাকমা রাজ্য পরিষদের রাজ্যভিত্তিক সম্মেলনে চাকমা রাজা

ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষের আমন্ত্রণে চাকমা রাজ্য পরিষদের রাজ্যভিত্তিক সম্মেলনে চাকমা রাজা

প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-১৫ ১৮:১৭:২৮

   আপডেট: ২০১৮-০৫-১৫ ২১:৩৩:৪৩

ডেস্ক রিপোর্ট

ত্রিপুরা রাজ্য চাকমা সামাজিক পরিষদের রাজ্য ভিত্তিক দ্বিতীয়বারের সম্মেলনে এবারের অন্যতম একটা প্রাপ্তি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে আগত চাকমা রাজা দেবাশিস রায় এবং ত্রিপুরা সরকারের প্রথম চাকমা মন্ত্রী শান্তনা চাকমা। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার ১২ মে তারিখে শুরু হয় সামাজিক পরিষদের রাজ্যভিত্তিক সম্মেলন। যা শেষ হয় ১৩ মে রবিবার। এই প্রথমবার ত্রিপুরায় চাকমা সমাজ বিজেপি নেতৃত্বের সার্বিক পরিচালনায় পেয়েছেন নিজেদের সম্প্রদায়ের কোন মন্ত্রী।

ত্রিপুরার একটি সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাম সরকারের আমলে জনপ্রতিনিধি থাকলেও কারোর ভাগ্যেই মন্ত্রীর আসনে বসার সৌভাগ্য হয়নি। কিন্তু প্রথমবারের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার বুঝিয়ে দিল জনজাতিদের প্রত্যেককে সমান সম্মানের সাথে দেখতে চায় তারা।সেদিক থেকে ত্রিপুরা রাজ্য চাকমা সামাজিক পরিষদের রাজ্যভিত্তিক দ্বিতীয় সম্মেলন একটা ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েই অনুষ্ঠিত হল।

বলা হচ্ছে, রাজ্যের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠী মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই বর্তমান বিজেপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

জনজাতিদের উন্নয়ন হলেই রাজ্যের সার্বিক বিকাশের গতি ত্বরান্বিত হবে। অমরপুর মহকুমার ঝরঝরি এলাকায় আয়োজিত ত্রিপুরা রাজ্য চাকমা সামাজিক পরিষদের রাজ্য ভিত্তিক সম্মেলনে এভাবেই আলোচনা করলেন রাজ্য সরকারের দুই মন্ত্রী শান্তনা চাকমা ও মেবার কুমার জমাতিয়া।

এর পাশাপাশি এই সম্মেলনে হাজির থাকলেন চাকমা সমাজের রাজা দেবাশিষ রায়। যিনি বিলেত ফেরত একজন স্বনামধন্য ব্যরিস্টার। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দা তিনি। তবে আদতে অনেক যুগ থেকে চলে আসা রাজন্য সমাজ ব্যবস্থায় নীতিগতভাবে চাকমা সমাজের রাজা বলে বিবেচিত হন তিনি। নিজের যোগ্যতার খাতিরে সংযুক্ত রাষ্ট্রপুঞ্জ পর্যন্ত ছুটে যেতে হয় তাঁকে। ঠিক এই একটা পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে শনিবার আয়োজিত হল ত্রিপুরা রাজ্য চাকমা সামাজিক পরিষদের রাজ্যভিত্তিক দ্বিতীয় সম্মেলন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অন্য জরুরি কাজে আটকে পড়ায় এদিন তিনি হাজির হতে পারেন নি। তবে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি হয়ে এদিন সম্মেলনে উপস্থিত থাকেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী শান্তনা চাকমা এবং উপজাতি কল্যাণ মন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে আগত চাকমা রাজা দেবাশিস রায়।

এছাড়া বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে ছিলেন তরুণ বিধায়ক শম্ভুলাল চাকমা, বিধায়ক বুর্বো মোহন ত্রিপুরা, বিধায়ক রঞ্জিত দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী বিমল চাকমা, সম্মেলন আয়োজক কমিটির অন্যতম পৃষ্ঠপোষক শান্তি বিকাশ চাকমা সহ অন্যান্যরা।

সম্মেলনে রাজ্যের প্রায় সব জায়গা থেকে চাকমা সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন। দুদিনের সম্মেলনে ছিল ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা।

আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী শান্তনা চাকমা এই অঞ্চলের জনগোষ্ঠী অংশের মানুষের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন। রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উপরও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। সম্মেলনে আলোকপাত করতে গিয়ে রাজা দেবাশিস রায় সমাজ ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। আলোচনায় অংশ নেন বিধায়ক শম্ভুলাল চাকমাও। ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত