শিরোনাম

  নানিয়াচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রীতিময় চাকমাকে অপহরণ   ছেলেদের চেয়ে এবারও এগিয়ে মেয়েরা   চট্টগ্রাম বোর্ডের পাশের হার ৬২.৭৩ %   যারা ফেল করেছে তাদের বকাঝকা করবেন না : প্রধানমন্ত্রী   এইচএসসি তে পাসের ধস নেমেছে এবার   এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার এবার ৬৬.৬৪   হাসপাতাল ছাড়ার পর এবার থাই কিশোররা সবাই শ্রামণ হয়ে প্রবজ্যা গ্রহণ করবে   থাইল্যান্ডের গুহায় আটকা পড়া কিশোররা হাসপাতাল ছেড়েছে   ৮ দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আত্মপ্রকাশ   আগামীকাল এইচএসসির ফল প্রকাশ হবে   নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম শতবার্ষিকী আজ   চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসেই মিলবে হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র   উ. কোরিয়াকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদানে অংশ নিতে প্রস্তুত রাশিয়া   রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ নেতা রাহেলকে ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত   এবার খাগড়াছড়িতে সেটেলার কর্তৃক আদিবাসী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ   দেশে ছয় মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৯২: মহিলা পরিষদ   ফ্রান্সে বিশ্বকাপ বিজয় উল্লাস করতে গিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ-লুটপাট, নিহত ২   মিয়ানমারে জাতিগত ৩ গ্রুপের বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ পালিয়েছে   নির্বাচন আসছে, সংখ্যালঘুদের মধ্যে চিন্তা বাড়ছে: জাফর ইকবাল   ডুবুরী সানামের জন্য শোক ও মঙ্গলকামনা করেছেন গুহায় আটকা পড়া কিশোররা
প্রচ্ছদ / আর্টস / আজ আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী ফুল বিজু

আজ আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী ফুল বিজু

প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-১২ ১১:৩৬:২৪

   আপডেট: ২০১৮-০৪-১৩ ০৯:০৩:৪৬

১২ এপ্রিল ২০১৮ , কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ফুল ভাসিয়েছে আদিবাসীরা।

ডেইলি সিএইচটি রিপোর্ট , রাঙ্গামাটি

আজ ১২ এপ্রিল ফুল বিজু। প্রতি বছরের ন্যায় এই বছর ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী প্রধান উৎসব বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু ,বিষু ,বিহু ,চাংক্রান ইত্যাদি ।

এদিন কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ফুল ভাসিয়ে বিজুর আমেজ উপভোগ করে পাহাড়িরা। সকালে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান জেলাসহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড় থেকে বনের ফুল সংগ্রহ করে আদিবাসী তরুন-তরুনী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়স্কের মানুষ ফুল বিজু পালন করেছেন।

'বিজুফুল'কে চাকমারা 'ভাতজোড়া' ফুল বলে অভিহিত করে থাকে। মারমারা বলে ‘চগাপেইং আর ত্রিপুরারা বলে ‘কুমুইবোবা’। তবে 'বিজুফুল' অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতির নাম অনুসারে এখনো বিদ্যমান রয়েছে ।

মূলত ১২ এপ্রিল পালন করা হয় ফুলবিজু। এই দিন ভোরের আলো ফুটার আগেই ছেলেমেয়েরা বেরিয়ে পড়ে ফুল সংগ্রহের জন্য। সংগ্রহিত ফুলের একভাগ দিয়ে বুদ্ধকে পূজা করা হয় আর অন্যভাগ পানিতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। বাকি ফুলগুলো দিয়ে ঘরবাড়ি সাজানো হয়। বাংলা বছরের শেষ দুই দিন ও নববর্ষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়।

বন থেকে ফুল সংগ্রহ করে পুরাতন বছরে গ্লানি -দুঃখ ভুলে নতুন দিনের মঙ্গল কামনায় গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে বিজু ফুল নদীতে ভাসানো হয়। এছাড়াও মাধবীলতা, অলকানন্দা, নিম পাতা, রঙ্গন, জবাফুলসহ বাহারি ফুল কলাপাতায় করে নদীর জলে ভাসানো হয়।

বাড়িতে নানু,দাদুরা বলে থাকে বিজুর সময় বন থেকে পাহাড়ি ফুল সংগ্রহ করে নদীতে ভাসালে চিত্ত পরিশুদ্ধ ও মঙ্গল হয়। তবে পাহাড়ি ফুল ব্যতিত অন্যান্য ফুল ভাসালে তেমন ফুলবিজুর পরিপূর্নতা পায়না।

চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাত্‍ ১৩ এপ্রিল পালন করা হয় মুলবিজু। ছেলেমেয়েরা তাদের বৃদ্ধ দাদা-দাদী এবংনানা-নানীকে গোসল করায় এবং আশীর্বাদ নেয়। এই দিনে ঘরে ঘরে বিরানী সেমাই পাজন (বিভিন্ন রকমের সবজির মিশ্রণে তৈরি এক ধরনের তরকারী) সহ অনেক ধরনের সুস্বাদু খাবার রান্না করা হয়। বন্ধুবান্ধব আত্নীয়স্বজন বেড়াতে আসে ঘরে ঘরে এবং এসব খাবার দিয়ে তাদেরকে আপ্যায়ন করা হয়। সারাদিন রাত ধরে চলে ঘুরাঘুরি। বাংলা নববর্ষের ১ম দিন অর্থাত্‍ ১৪ এপ্রিল পালন করা হয় গজ্যা পজ্যা দিন (গড়িয়ে পড়ার দিন)। এই দিনেও বিজুর আমেজ থাকে।

ফুলবিজুর দিনে আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী সাজ-পোশাক (থামি, পিনন, কবই, খাদি, খবং, ধুতি, ফতুয়া পরে) ফুল বিজুতে অংশ নেয় চাকমা,ত্রিপুরা,মারমা তরুণ-তরুনীরা।  

আপনার মন্তব্য

এ বিভাগের আরো খবর



আলোচিত