শিরোনাম

  নৌকার জয় সুনিশ্চিত : প্রধানমন্ত্রী   আজ ইউপিডিএফ’র ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী   এবার থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা   ইউপিডিএফ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকলকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা জানালেন প্রসিত বিকাশ খীসা   চীনা শিশুরা আর স্কুল পালাতে পারবে না!   আবার ক্ষমতায় গেলে ভুল সংশোধন করা হবে : কাদের   প্রধানমন্ত্রী থেকে মাতৃভাষার বই পেয়েছে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর শিশুরা   শুভ বড়দিন আজ   রোহিঙ্গাদের জন্য শীতবস্ত্র পাঠাল ভারত   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০ অধিক ছাড়িয়েছে   টাকার মালা উপহার পেলেন ফখরুল!   মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী   ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা সব যান চলাচল বন্ধ   সেনা মোতায়েনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে: সিইসি   পানছড়িতে ইউপিডিএফের নির্বাচনী অফিসে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ২ জন নিহত!   জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ   আগামী ৩০ তারিখ আমরা নৌকার বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবো: দীপংকর তালুকদার   ইন্দোনেশিয়ায় সুনামির আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২২ জন   যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তাদের ভোট দেবেন নাঃ প্রধানমন্ত্রী   ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ৪ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
প্রচ্ছদ / আর্টস / ২১ ডিসেম্বর থেকে বান্দরবানে তিন দিনব্যাপী ১৪০ তম ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ

২১ ডিসেম্বর থেকে বান্দরবানে তিন দিনব্যাপী ১৪০ তম ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ

প্রকাশিত: ২০১৭-১১-২২ ১৯:০০:০১

নয়ন রায়, বান্দরবান থেকে

বান্দরবানে আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে তিন দিনব্যাপী ১৪০তম ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ (পইংজ্রা) মেলা রাজার মাঠে শুরু হতে যাচ্ছে। ২১ ডিসেম্বর শুরু হয়ে রাজপুণ্যাহ চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । বুধবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।আরো উপস্থিত থাকবেন প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তাছাড়া দেশীয় অধিবাসীদের পাশাপাশি বিদেশী অতিথি ও মেলায় অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।

রাজ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তিন দিনব্যাপী রাজপূণ্যাহ মেলা জাকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রতিবারের মতো এবারও নানা আনন্দ বিনোদনের আয়োজন করা হবে। তার মধ্যে রয়েছে সার্কাস, যাত্রাপালা, পুতুল নাচ, মৃত্যুকূপসহ নানান আয়োজন। পুলিশের প্রায় ৪-৫ শ’ সদস্য মেলায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। আর মেলার বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা নিরাপত্তা পর্যবেক্ষনের জন্য স্থাপন করা হবে।

প্রতি বছর প্রায় ১৫ হাজার জুমিয়া আদিবাসী পরিবারের কাছ থেকে নব্বই হাজার টাকা খাজনা আদায় করা হয়। এর মধ্যে ৪২ ভাগ রাজা, ২১ ভাগ হেডম্যান এবং ২৭ রাজস্ব ভাগ সরকার পেয়ে থাকে।

আনন্দঘন পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ মেলা আয়োজনে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন রাজ প্রশাসন।

এদিকে আসন্ন ঐতিহ্যবাহী মেলাকে ঘিরে বান্দরবানের আদিবাসী-বাঙালিদের মাঝে খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।

উল্লেখ্য, ১৭২৭ সাল থেকে বোমাং রাজ প্রথা শুরু হলেও ১৮৭৫ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বোমাং রাজাগণ ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ মেলার আয়োজন করে আসছেন। গতবছর ১৩৯ তম রাজপূণ্যাহ ছিল এবার ১৪০তম ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ পালন করা হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত