শিরোনাম

  প্রযুক্তি ফাঁদে পড়েছেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক   সেনাক্যাম্প কমান্ডার কর্তৃক জনপ্রতিনিধিদের উপর হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনায় জেএসএসের প্রতিবাদ   বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী   রোনালদোর গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল   ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি ডুবিতে নিখোঁজ ১৯২   চালু হলো বাইসাইকেল শেয়ারিং সেবা   আলজি দাধাহ || আলোময় চাকমা   বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি মেসির ভালোবাসা   জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল ত্যাগ যুক্তরাষ্ট্রের   পাহাড় ধস, পাহাড়িরা নয়, দায়ী মূলত সমতল থেকে নিয়ে যাওয়া বাঙালিরা : আবু সাদিক   কবি সুফিয়া কামালের ১০৭তম জন্মবার্ষিকী আজ   মিশরকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিল রাশিয়া   পোল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে মাঠে নাচ দেখাল সেনেগাল   জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বরেণ্য শিক্ষাবিদ   এক সপ্তাহে পাহাড়ে ৩ জন আঞ্চলিক নেতাকর্মী খুন   অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০, নিহত ১   কলম্বিয়ার বিপক্ষে জাপানের জয়   চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মডেল তিথি বড়ুয়া নিহত   বাংলাদেশ থেকে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের দেশে ফিরলেন জার্মান তরুণী   খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রধান শিক্ষক দেবদাস চাকমাকে আটক করেছে পুলিশ
প্রচ্ছদ / আর্টস / ২১ ডিসেম্বর থেকে বান্দরবানে তিন দিনব্যাপী ১৪০ তম ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ

২১ ডিসেম্বর থেকে বান্দরবানে তিন দিনব্যাপী ১৪০ তম ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ

প্রকাশিত: ২০১৭-১১-২২ ১৯:০০:০১

নয়ন রায়, বান্দরবান থেকে

বান্দরবানে আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে তিন দিনব্যাপী ১৪০তম ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ (পইংজ্রা) মেলা রাজার মাঠে শুরু হতে যাচ্ছে। ২১ ডিসেম্বর শুরু হয়ে রাজপুণ্যাহ চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । বুধবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।আরো উপস্থিত থাকবেন প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। তাছাড়া দেশীয় অধিবাসীদের পাশাপাশি বিদেশী অতিথি ও মেলায় অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।

রাজ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তিন দিনব্যাপী রাজপূণ্যাহ মেলা জাকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রতিবারের মতো এবারও নানা আনন্দ বিনোদনের আয়োজন করা হবে। তার মধ্যে রয়েছে সার্কাস, যাত্রাপালা, পুতুল নাচ, মৃত্যুকূপসহ নানান আয়োজন। পুলিশের প্রায় ৪-৫ শ’ সদস্য মেলায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। আর মেলার বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা নিরাপত্তা পর্যবেক্ষনের জন্য স্থাপন করা হবে।

প্রতি বছর প্রায় ১৫ হাজার জুমিয়া আদিবাসী পরিবারের কাছ থেকে নব্বই হাজার টাকা খাজনা আদায় করা হয়। এর মধ্যে ৪২ ভাগ রাজা, ২১ ভাগ হেডম্যান এবং ২৭ রাজস্ব ভাগ সরকার পেয়ে থাকে।

আনন্দঘন পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ মেলা আয়োজনে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন রাজ প্রশাসন।

এদিকে আসন্ন ঐতিহ্যবাহী মেলাকে ঘিরে বান্দরবানের আদিবাসী-বাঙালিদের মাঝে খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।

উল্লেখ্য, ১৭২৭ সাল থেকে বোমাং রাজ প্রথা শুরু হলেও ১৮৭৫ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বোমাং রাজাগণ ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ মেলার আয়োজন করে আসছেন। গতবছর ১৩৯ তম রাজপূণ্যাহ ছিল এবার ১৪০তম ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ পালন করা হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত